সর্বশেষ

  বিশ্বনাথে শিক্ষক আবদুল হান্নান ইউজেটিক্স সংবর্ধিত   মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর নির্যাতন বন্ধের দাবিতে দক্ষিণ সুনামগঞ্জে মানববন্ধন   মাধবপুরে মোবাইল চুরির অভিযোগে ৩ শিশুকে নির্যাতন   মৌলভীবাজারে জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আজিজুর রহমানের মতবিনিময়   দিরাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মতবিনিময়   বিশ্বনাথ মুক্ত দিবসে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভা   ফেঞ্চুগঞ্জ মুক্ত দিবস আজ   বিজলীরপুল-হিলালপুর মধুপুর সড়কের উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন করলেন কেয়া চৌধুরী   জকিগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপবৃত্তি বিতরণ   সিলেট জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের ডাকা ধর্মঘটের ৩য় দিনে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত   ইস্কন মন্দিরে গীতা জয়ন্তী ও প্রভূপাদ ম্যারাথন উৎসব সম্পন্ন   সিলেট ইলেকট্রিক্যাল মার্চেন্টর্স এসোসিয়েশনের নির্বাচন সম্পন্ন   বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি উদ্যোগে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত   বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে পরিবেশ ও মানবাধিকার উন্নয়ন সোসাইটির সভা   নয়াসড়ক সমাজকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা   দেউন্দি চা-বাগানে অতিরিক্তি বালু বোঝাই ট্রাক উঠায় বেইলী ব্রিজ ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ   সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে বরকে জিম্মি করে ছিনিয়ে নেয়া কনে উদ্ধার : আটক ২   গোয়াইনঘাটে লুৎফুর রহমানের সমর্থনে পৃথক সভা   সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে বরকে জিম্মি করে কনে ছিনতাই   সিলেটে তালামীযের মুবারক র‌্যালি সোমবার: প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে কম মূল্যে টিআর বিক্রি!

দেশে ফিরে বিষয়টি খতিয়ে দেখব : অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২৫ ১৩:৫৫:১২

ইয়াহইয়া মারুফ : বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৫ ॥ দক্ষিণ সুনামগঞ্জে টিআর ১৪০ টন চালের ডিও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তার পছন্দ মতো লোকের নিকট বিক্রয় করতে প্রজেক্ট চেয়ারম্যানদের বাধ্য করেছেন। প্রতিমন্ত্রীর লোক দোহাই দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বাজার দরের চেয়ে কম মূল্যে চাল একটি দালালর চক্রের নিকট বিক্রিতে নিজেই জড়িয়ে পড়েছেন। এ ব্যাপারে বিদেশ সফররত অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান উত্তরপূর্বকে বলেন, দেশে ফিরে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউপির সদস্য, প্রজেক্ট চেয়ারম্যান কাচামালা উত্তরপূর্বের সাথে আলাপকালে জানান, ‘আমরার মন্ত্রী সাব (সাহেব) সবসময় গরীবরে সাহায্য খরইন (করেন)। বিপদ-আপদে পাশে তাখইন (থাকেন)। ইবার লইয়া (এবারসহ) দুইবার পাস খরছন (করছেন), এখনতো মন্ত্রী। এর আগেও আমরার দুঃখ-কষ্টে সাহায্য-সহযোগিতা খরছইন (করেছেন)। কোন সময়তো দলাল (দালাল) লাগাইয়া দিছইন না (দেননি)। কিন্তু ইবার (এবার) খেনে মন্ত্রী সাব (সাহেব) গরীবরে দিলাতে দলাল লাগাইয়া দিলা।’  কাঁচামালার বর্ণনা অনুযায়ী উত্তরপূর্বের অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্পৃক্ততায় প্রকাশ্য বিক্রয় করা হয়েছে সরকারের বরাদ্দকৃত টিআর প্রকল্পের চাল। গত ১৯ নভেম্বর দুপুরে সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটেছে। এ নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক উপজেলা কর্মকর্তা বলছেন, এই নির্বাহী অফিসার উপজেলায় আসার পর থেকেই সব কিছুতেই ভাগ বসান মন্ত্রী দোহাই দিয়ে।   স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- সুনামগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য হিসেবে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম.এ মান্নান এর নিজ এলাকা দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় এবার ৮০টি টিআর প্রকল্পের বিপরীতে ১৪০ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ করা হয়। সরকারের বরাদ্ধকৃত চালগুলো দিয়ে ৫৩টি প্রকল্পের আওতায় সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহের পাশাপাশি বাকি প্রকল্পের মাধ্যমে মসজিদ মন্দিরসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করার কথা। কিন্তু বরাদ্দকৃত চালগুলো বর্তমান বাজার দর থেকে কম মূল্যে বিক্রয় করা হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে- উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইবাদত হোসেন নিজে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) লোকদেরকে তার কার্যালয়ে নিয়ে সকলের সামনে বরাদ্দকৃত প্রকল্পের চাল পছন্দের লোকদের ‘মন্ত্রীর লোক বলে’ তাদের কাছে বিক্রি করার নির্দেশ দেন। ‘প্রতি টন চাল বিক্রয় দাম নির্ধারণ করে দেন মাত্র ১৫ হাজার টাকা। হিসাব করলে প্রতিমন চালের হয় দাম ৫শ’ ৪৫ টাকা। যা বর্তমান বাজারে হাস্যকর দাম।’ অথচ উপস্থিত ব্যবসায়ীদের কয়েকজন নির্ধারিত মূল্য থেকে বেশি দরে চাল ক্রয়ের জন্য পিআইসির সভাপতিদেরকে প্রস্তাব দিলেও নির্বাহী কর্মকর্তা তার ব্যক্তিগত পছন্দের লোকদের ‘মন্ত্রীর লোক বলে তাদের কাছে বিক্রি করার নির্দেশ দেন।’ এর ফলে প্রায় ২ লাখ টাকা নির্বাহী কর্মকর্তার পকেটস্থ করার অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র জানায়, ‘মন্ত্রীর লোক বলে নির্বাহী কর্মকর্তা যাদের কাছে চাল বিক্রির নির্দেশ দেন তারা হলেন- পাথারিয়া ইউপি’র তেহকিয়া গ্রামের নূর আলম, জয়কলস ইউপি’র গাগলী গ্রামের নূর হোসেন, সিমুলবাঁক ইউপি’র লিয়াকত আলী, জয়কলস ইউপি’র উজানীগাঁও গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম, কিদিরপুর গ্রামের সাকির আহমদ। তাঁরা সবাই উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা। উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও জয়কলস ইউপি সদস্য নুরুল হক।’

অপরদিকে, যে সকল পরিবারকে সৌরবিদ্যুৎ দেওয়া হয় সেখানেও ভাগ বসান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। সৌরবিদ্যুতের দাম ৮ হাজার টাকার স্থলে ১২ হাজার ৫শ’ টাকা দরে ক্রয় দেখিয়ে এখানেও পকেটস্থ করা হয়েছে মোটা অঙ্কের টাকার পার্সেন্টিজ। সুনামগঞ্জ জেলা সদরে ইটকল অনুমোদিত একাধিক কোম্পানি থাকলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার ব্যক্তিগত পছন্দের রুর‌্যাল সার্ভিস ফাউন্ডেশন নামে একটি কোম্পানির কাছ থেকে সৌরবিদ্যুৎ ক্রয় করেন। নিয়মানুযায়ী পিআইসির সভাপতিরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছ থেকে বরাদ্দকৃত ডিও নিয়ে খাদ্যগুদাম থেকে চাল উত্তোলন করার কথা। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবাদত হোসেন নিজে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছ থেকে জোরপূর্বকভাবে সবগুলো ডিওর কপি সমজিয়ে নিয়ে তার কার্যালয়ে বসে পিআইসি সভাপতিদেরকে বাধ্য করে চাল বিক্রয় নির্দেশ দেন। কোন প্রকার স্বাক্ষর ছাড়াই ডিওর কপিগুলো তাকে সমজিয়ে দেয়ার জন্য তিনি পিআইও প্লাবন পালকে আদেশ দিলেও নড়েচড়ে বসেন পিআইও। পরে পিআইসির সভাপতিদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিয়ে অফিস কপি হাতে রেখে ডিওর মূল কপিগুলো বাধ্য হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রেরিত কর্মচারীদের হাতে হস্তান্তর করেন পিআইও বলেও ইউপি সদস্য ও উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা ।

পশ্চিম বীরগাঁও ইউপি সদস্যা মমতাজ খানম, পূর্ব পাগলা ইউপির সদস্য কাচামালা সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সভাপতিগণ বলেন, আমরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রিত দরের চাইতে বেশিমূল্যে বরাদ্দকৃত প্রকল্পের চাল বিক্রয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলাম। কিন্তু নির্বাহী অফিসার মন্ত্রীর লোক বলে ১৫ হাজার টাকা দরেই তার পছন্দের লোকদের কাছে চাল বিক্রয় করার নির্দেশ দেন। এখানে আমরা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) লোকদের সদিচ্ছার ন্যূনতম মূল্যায়ন করা হয়নি। মন্ত্রী মহোদয় গরীবেকে দিলেন তে দালাল লাগাইয়া দিলা কেন? বলেও প্রশ্ন রাখেন মহিলা সদস্যরা। স্থানীয় মিল মালিক জসিম উদ্দিন উত্তরপূর্বকে বলেন- আমি ১৭ হাজার টাকা টন চাল কিনতে চাইছিলাম। কিন্তু ইউএনও’র বিশেষ সিন্ডিকেটের কারণে কিনতে পারিনি।

অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবাদত হোসেন উত্তরপূর্বকে বলেন, আপনি এখানে এসে কথা বলেন। আমি এখন ক্লাবে আছি। তবে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবাদত হোসেন কর্র্তৃক বেশি দামে ৩০ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ১০৪টি সৌর বিদ্যুৎ সোলার ক্রয়ের বিষয় স্বীকার করে সুনামগঞ্জ রুর‌্যাল সার্ভিস ফাউন্ডেশন গণীগঞ্জ ইউনিটের ম্যানেজার মো. শরীফ উদ্দিন উত্তরপূর্বকে বলেন, টিআর প্রকল্পের বিপরীতে ৩০ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ১০৪টি সৌরবিদ্যুৎ সোলার (প্রতিটি ১২ হাজার টাকা দরে) ইউএনও সাহেব আমাকে নিজে আদেশ দিয়ে নিজেই নগদ টাকা পরিশোধ করেছেন।

৮ হাজার টাকার স্থলে বেশি মূল্যে বিক্রয়ের ব্যাপারে এই ম্যানেজার বলেন, অন্য কোন কোম্পানী কম মূল্যে বিক্রি করলে করতে পারে তবে আমরা ১২হাজার ২শ’ টাকা করে বিক্রি করি। কিন্তু ইউএনও স্যারের সম্মানে ১২ হাজার টাকা দরেই প্রতিটি সৌর বিদ্যুৎ বিক্রি করেছি।  অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে সুনামগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে উত্তরপূর্বকে বলেন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার সবগুলো টিআর প্রকল্প অনুমোদনের এখতিয়ার সংসদ সদস্য হিসেবে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের। নিয়মানুযায়ী পিআইও এবং ইউএনওর যৌথ স্বাক্ষরে খাদ্যশস্যের ছাড়পত্র পিআইসির সভাপতির নামেই ইস্যু করা হয়। ইস্যুকৃত ডিও (ছাড়পত্র) গুলো পিআইও অফিস থেকে পিআইসির সভাপতিরা সমজিয়ে নিয়ে সরাসরি খাদ্যগুদাম থেকে চাল উত্তোলন করেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিয়ম আগে যেমন ছিল এখনও ঠিক তেমনই আছে। এখন কেউ অতি উৎসাহী হয়ে নিয়মের ব্যতিক্রম করলে এর দায় দায়িত্ব তার উপরই বর্তাবে।  আর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল বলেন, ইউএনও স্যার ডিও’র কপি পিআইসি’র কাছে তিনি দিবেন বলে অফিসের স্টাফ পাটিয়ে মূলকপি আমার কাছ থেকে তার কার্যালয়ে নিয়ে যান। সুতরাং কোন অনিয়ম হয়ে থাকলে আমার জানা নেই।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের এমপি, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান উত্তরপূর্বকে বলেন, আমার লোক বলতে কেউ নেই। গত দু’সপ্তাহ থেকে আমি রাষ্ট্রীয় কাজে বিদেশে আছি। দেশে ফিরে বিষয়টি খতিয়ে দেখব। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয় সেদিকে দৃষ্টি এখন সচেতন এলাকাবাসীর।

অপরদিকে, এ বিষয়টি যখন এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। স্থানীয় একটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। ঠিক তখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিছু স্থানীয় লোক ও ওয়ার্ড মহিলা সদস্যদের দিয়ে একটি প্রতিবাদ সভা করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দোষ ও প্রকাশিত সংবাদটি ভিত্তিহীন দাবি করে বক্তারা বলেন- উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আবুল কালাম সিন্ডিকেট করে বিগত ৭টি বছর আওয়ামী লীগের ‘ছত্রছায়ায়’ থেকে উপজেলার সকল প্রকল্পের চাল কম দামে পিআইসির লোকদের কাছ থেকে ক্রয় করতেন। তার মনোনিত সিন্ডিকেটের লোকরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিসেই বসে থাকতেন কেউ ডিও নিতে এলেই তার সাথে ডিও নিয়ে দর কষাকষি করতেন একাদিক লোক। সহজ সরল মানুষ তাদের খপ্পরে পরে কম দামে সেই জায়গায় বিক্রি করতেন প্রকল্পের ডিও। আর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ডিও গ্রহীতা লোকদের কাছ থেকে মাস্টার রোল করে অনুমোদন নেওয়ার জন্য সেই টাকা থেকে প্রতি টনে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়ে থাকতেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল প্রতিবাদ সভায় বক্তাদের দেওয়া বক্তব্য ভিত্তিহীন দাবি করে উত্তরপূর্বকে বলেন- ইউএনও স্যারের পাঠানো লোকদের কে আমি ডিও গ্রহীতা লোকদের কাছ থেকে মাস্টার রোল‘র মূলকপি দিয়ে বললে, তারা বলে স্যার বলেছেন মাস্টার রোল লাগেনা। তাহলে আমি ডিও গ্রহীতা লোকদের কাছ থেকে মাষ্টার রোল করে অনুমোদন নেওয়ার জন্য টাকা নেই কি করে। আর দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আবুল কালামের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাঁর ব্যবহৃত ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ওয়াইএম/এসবি

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত