সর্বশেষ

  সুনামগঞ্জসহ সারাদেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের লিজ বাতিল ও কর্মসংস্থানের দাবিতে মানববন্ধন   ফ্রেন্ডস পাওয়ার স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ   জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু রিয়াজের চিকিৎসার জন্য অনুদান   অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম.এ মান্নান ৩ দিনের সফরে সুনামগঞ্জে আসছেন আজ   জগন্নাথপুরে চালের বরাদ্দ দিগুণ করা হলেও বাড়েনি বিক্রয় কেন্দ্র   ২০ দিন ধরে সারী ও বড়গাং নদীর রয়েল্টি বঞ্চিত ইজারাদার   গোয়াইনঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিজেই রোগী   অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর জাউয়ার ব্যবসায়ীর অভিযোগ   ওসমানী বিমানবন্দরে ৬০ লাখ টাকার সিগারেট আটক   যুক্তরাষ্ট্র যাত্রা উপলক্ষে সাংবাদিক তুহিন চৌধুরীকে জেলা প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা   সিলেটে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত   শিবের বাজার আদর্শ ব্যবসায়ী সংস্থার ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন শনিবার   দক্ষিণ সুরমায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু   মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওরে ২৬ কোটি ১০ লাখ টাকার ক্ষতি   কান্দিগাঁও ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সম্পন্ন   তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট পূর্ব জেলার কাউন্সিল সম্পন্ন   শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান রনধীর দেব পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি মনোনীত   রোববার শাল্লা আসছেন শেখ হাসিনা: স্বাগত জানাতে ব্যাপক প্রস্তুতি   শ্রীমঙ্গলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে : আহত ১৪   ভোগের নয়, আ’লীগের রাজনীতি ত্যাগের: বিশ্বনাথে সংবর্ধনা সভায় শফিক চৌধুরী

বিয়ানীবাজারের শেওলা সেতু এলাকায় সারা বছরই প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে পাখি

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২৪ ০০:৫১:২৫

রাজু ওয়াহিদ, বিয়ানীবাজার : মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৫ ॥ শনিবার সন্ধ্যা। শেওলা সেতুর টোল এলাকায় কালো রঙের একটি মাইক্রোবাস থামতেই ঘিরে ধরে তিন যুবক। সবার হাতে ঝুলানো পাখি। দেশীয় এবং অতিথি (হাঁস জাতীয়) দুই ধরণের পাখিই রয়েছে। ক্রেতার সাথে আলাপের ধরন বুঝা গেলো ওদের পরিচিত খদ্দের।

তিন যুবকের একজন এক হালি হাঁসের (অতিথি পাখি) দাম চাইলো ২ হাজার ৫ শত টাকা। একই ক্রেতার কাছে অন্য দু’জন দুই হালি দেশীয় পাখি ওটা ও ওখা (স্থানীয় নাম) দেখায়। ক্রেতার পছন্দ হলে তারা দাম চায় যথাক্রমে ১ হাজার ৫শ’ ও ১ হাজার ৮ শত টাকা।

এক পর্যায়ে  দুই হালি ওটা ও ওখা ২ হাজার টাকায় এবং এক হালি অতিথি পাখি ১ হাজার ৯শত টাকায় ওই ক্রেতা কিনে নেন।

শুধু গত শনিবার সন্ধ্যা নয়, প্রায় সারা বছরই শেওলা সেতুর টোল এলাকায় শোনা যায় “পাখি নেইন স্যার। এক হালি দেই। ইতা পাখির স্বাদ ভালা। খালি মাংস পাইবা” ইত্যাদি আহবান আর দেশি অতিথি পাখি কেনা বেচার দৃশ্য দেখা যায়। বক, ঘুঘু, বুলবুলি ইত্যাদি দেশীয় পাখি বিক্রি হয় বছরের প্রায় সব দিন। শীত মৌসুম আসলেই তালিকায় যোগ হয় অতিথি পরিযায়ী পাখি। সব ধরনের পাখি শিকার ও বিক্রি দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও প্রশাসনের নিরবতার সুযোগে শেওলা সেতুর টোল এলাকায় প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে অতিথি পাখিসহ দেশীয় নানা প্রজাতির বিলুপ্ত পাখি। সাধারণত সেতু সংলগ্ন এলাকার লোকেরাই এগুলোর সাথে জড়িত।

বিভিন্ন সময়ে সিলেট-বিয়ানীবাজার অভ্যন্তরীণ মহাসড়কের শেওলা সেতুর টোল এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে গাড়ি থামার সাথে পাখি বিক্রেতারা গাড়ির জানালার কাছে পাখি উচিয়ে ধরে। নানা ধরণের কথা বলে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে। সেই সাথে চলে দর দাম।

পরিচয় গোপন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আলাপ হয় তিন যুবকের একজনের সাথে। সে জানায়- তারা নিজেরা পাখি শিকার করে এবং শিকারিদের কাছ থেকে পাখি কিনে নেয়। মুড়িয়া হাওর এলাকা থেকে দেশীয় প্রজাতির পাখি, শালিক, সাদা বক, কানা বক (লাল বক), ওটা, ওখা, ডুপি (ঘুঘু) এবং মুড়িয়া ও হাকালুকি হাওর থেকে অতিথি পাখি ফাঁদ পেতে ধরা হয়। সে শিকারিদের নাম বলতে রাজি হয়নি। তার আরেক ভাইও পাখি বিক্রির সাথে জড়িত।

অন্যান্য ভাসমান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সাথে এই দুই সহোদরসহ অন্যজন দীর্ঘদিন থেকে পাখি বিক্রি করছে। পাখি বিক্রি করা তাদের পেশা। ক্রেতা হিসাবে তাদের পছন্দ মাইক্রোবাস, অটোরিকশা যাত্রীদের। মাইক্রোবাস-অটোরিকশা থামার সাথে তারা বিভিন্ন প্রজাতির পাখি নিয়ে ঘিরে ধরে ক্রেতাদের সামনে পাখি মেলে ধরে। একেক জাতের পাখির একেক দাম।

এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মু. আসাদুজ্জামান বলেন- এদের ধরার জন্য কয়েকবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু অভিযানে আগেই টের পেয়ে যায়। শীঘ্রই ভিন্ন কৌশলে তাদের আটক করা হবে।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/আওডাব্লিউ/টিআই-আর

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত