সর্বশেষ

  ভাস্কর্যটি সুপ্রিম কোর্টের বর্ধিত ভবনের সামনে পুনঃস্থাপন   ব্যক্তি উদ্যোগে কানাইঘাট পৌর সভার ভবানীগঞ্জ বাজার রাস্তার সংস্কারকাজ শুরু   মাধবপুরে একাধিক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার   বিশ্বনাথে এলাকাবাসীর সাথে প্রশাসনের বৈঠক   জগন্নাথপুরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ১৫   রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় দক্ষিণ সুরমা কাঠ ক্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির র‌্যালি   খাঁরপাড়া আরজাদ আলী জামে মসজিদের উদ্বোধন করলেন সিটি মেয়র   নুরুলের দাদীর শয্যাপাশে ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন সিলেটের নেতৃবৃন্দ   ৬ষ্ঠ ঘূর্ণী প্রিমিয়ার ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ   বিশ্বম্ভরপুরে বিএনপির আনন্দ মিছিল   জুড়ীতে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে   ভাস্কর্য সরানোর প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ   বড়লেখায় কাবিটা ও কাবিখা’র আওতায় দরিদ্র ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সোলার প্যানেল বিতরণ   মোগলাবাজারে শাহ জকনের ত্রাণ বিতরণ   অংকন টেলেন্টপুলে জিপিএ-৫ পেয়েছে   মৌলভীবাজারে হলুদে সেজেছে প্রকৃতি, কদমের মৌ মৌ গন্ধ   দিরাইয়ে দুর্গত মানুষের পাশে প্রবাসী শফিকুল   দেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে : দক্ষিণ সুনামগঞ্জে এম.এ মান্নান   ‘বেসামরিক নাগরিকদের চিকিৎসাসেবায় বাংলাদেশ বাস্তবভিত্তিক পদ্ধতি গ্রহণ করছে’   দীর্ঘ ৮ বছর পর মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির নতুন কমিটি: আনন্দ মিছিল

বিয়ানীবাজারের শেওলা সেতু এলাকায় সারা বছরই প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে পাখি

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২৪ ০০:৫১:২৫

রাজু ওয়াহিদ, বিয়ানীবাজার : মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৫ ॥ শনিবার সন্ধ্যা। শেওলা সেতুর টোল এলাকায় কালো রঙের একটি মাইক্রোবাস থামতেই ঘিরে ধরে তিন যুবক। সবার হাতে ঝুলানো পাখি। দেশীয় এবং অতিথি (হাঁস জাতীয়) দুই ধরণের পাখিই রয়েছে। ক্রেতার সাথে আলাপের ধরন বুঝা গেলো ওদের পরিচিত খদ্দের।

তিন যুবকের একজন এক হালি হাঁসের (অতিথি পাখি) দাম চাইলো ২ হাজার ৫ শত টাকা। একই ক্রেতার কাছে অন্য দু’জন দুই হালি দেশীয় পাখি ওটা ও ওখা (স্থানীয় নাম) দেখায়। ক্রেতার পছন্দ হলে তারা দাম চায় যথাক্রমে ১ হাজার ৫শ’ ও ১ হাজার ৮ শত টাকা।

এক পর্যায়ে  দুই হালি ওটা ও ওখা ২ হাজার টাকায় এবং এক হালি অতিথি পাখি ১ হাজার ৯শত টাকায় ওই ক্রেতা কিনে নেন।

শুধু গত শনিবার সন্ধ্যা নয়, প্রায় সারা বছরই শেওলা সেতুর টোল এলাকায় শোনা যায় “পাখি নেইন স্যার। এক হালি দেই। ইতা পাখির স্বাদ ভালা। খালি মাংস পাইবা” ইত্যাদি আহবান আর দেশি অতিথি পাখি কেনা বেচার দৃশ্য দেখা যায়। বক, ঘুঘু, বুলবুলি ইত্যাদি দেশীয় পাখি বিক্রি হয় বছরের প্রায় সব দিন। শীত মৌসুম আসলেই তালিকায় যোগ হয় অতিথি পরিযায়ী পাখি। সব ধরনের পাখি শিকার ও বিক্রি দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও প্রশাসনের নিরবতার সুযোগে শেওলা সেতুর টোল এলাকায় প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে অতিথি পাখিসহ দেশীয় নানা প্রজাতির বিলুপ্ত পাখি। সাধারণত সেতু সংলগ্ন এলাকার লোকেরাই এগুলোর সাথে জড়িত।

বিভিন্ন সময়ে সিলেট-বিয়ানীবাজার অভ্যন্তরীণ মহাসড়কের শেওলা সেতুর টোল এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে গাড়ি থামার সাথে পাখি বিক্রেতারা গাড়ির জানালার কাছে পাখি উচিয়ে ধরে। নানা ধরণের কথা বলে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে। সেই সাথে চলে দর দাম।

পরিচয় গোপন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আলাপ হয় তিন যুবকের একজনের সাথে। সে জানায়- তারা নিজেরা পাখি শিকার করে এবং শিকারিদের কাছ থেকে পাখি কিনে নেয়। মুড়িয়া হাওর এলাকা থেকে দেশীয় প্রজাতির পাখি, শালিক, সাদা বক, কানা বক (লাল বক), ওটা, ওখা, ডুপি (ঘুঘু) এবং মুড়িয়া ও হাকালুকি হাওর থেকে অতিথি পাখি ফাঁদ পেতে ধরা হয়। সে শিকারিদের নাম বলতে রাজি হয়নি। তার আরেক ভাইও পাখি বিক্রির সাথে জড়িত।

অন্যান্য ভাসমান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সাথে এই দুই সহোদরসহ অন্যজন দীর্ঘদিন থেকে পাখি বিক্রি করছে। পাখি বিক্রি করা তাদের পেশা। ক্রেতা হিসাবে তাদের পছন্দ মাইক্রোবাস, অটোরিকশা যাত্রীদের। মাইক্রোবাস-অটোরিকশা থামার সাথে তারা বিভিন্ন প্রজাতির পাখি নিয়ে ঘিরে ধরে ক্রেতাদের সামনে পাখি মেলে ধরে। একেক জাতের পাখির একেক দাম।

এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মু. আসাদুজ্জামান বলেন- এদের ধরার জন্য কয়েকবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু অভিযানে আগেই টের পেয়ে যায়। শীঘ্রই ভিন্ন কৌশলে তাদের আটক করা হবে।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/আওডাব্লিউ/টিআই-আর

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত