সর্বশেষ

  কানাইঘাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালিত   বৃটেন প্রবাসী বাঙালিরা বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় স্মরণ করল ভাষাশহীদদের   উলালমহল পূর্বপাড়া একতা সমিতির বার্ষিক ক্রীড়ার পুরস্কার বিতরণ   দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ক্রিকেট টুর্নামেন্টর পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   দক্ষিণ সুনামগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি   বিশ্বনাথে ১০ মামলার আসামী ডাকাত আবুল গ্রেপ্তার   মাতৃভাষা দিবসে বিশ্বনাথে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভা   সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার : আজও চালু হয়নি পাঠাগার ও মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রহশালা   এমপি লিটন হত্যা : সুন্দরগঞ্জের সাবেক এমপি কাদের গ্রেপ্তার   শানে রিসালত মহাসম্মেলন সফলের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা কাল   আরডিআরএস বাংলাদেশ শ্রীমঙ্গল ইউনিটের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি   জেদ্দায় যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত   লাখো মোমবাতি জ্বালিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ   বলদী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন   দক্ষিণ এশিয়ান সাহিত্য সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন মাইস্নাম রাজেশ   বাইসাইকেলে বরযাত্রা!   ‘শিশুদের নিজেদের সংস্কৃতির শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে’   সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন   আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দক্ষিণ সুরমা ছাত্রলীগের সভা   মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে খাদিমনগর যুব কল্যাণ পরিষদের শ্রদ্ধাঞ্জলি

বিয়ানীবাজারের শেওলা সেতু এলাকায় সারা বছরই প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে পাখি

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২৪ ০০:৫১:২৫

রাজু ওয়াহিদ, বিয়ানীবাজার : মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৫ ॥ শনিবার সন্ধ্যা। শেওলা সেতুর টোল এলাকায় কালো রঙের একটি মাইক্রোবাস থামতেই ঘিরে ধরে তিন যুবক। সবার হাতে ঝুলানো পাখি। দেশীয় এবং অতিথি (হাঁস জাতীয়) দুই ধরণের পাখিই রয়েছে। ক্রেতার সাথে আলাপের ধরন বুঝা গেলো ওদের পরিচিত খদ্দের।

তিন যুবকের একজন এক হালি হাঁসের (অতিথি পাখি) দাম চাইলো ২ হাজার ৫ শত টাকা। একই ক্রেতার কাছে অন্য দু’জন দুই হালি দেশীয় পাখি ওটা ও ওখা (স্থানীয় নাম) দেখায়। ক্রেতার পছন্দ হলে তারা দাম চায় যথাক্রমে ১ হাজার ৫শ’ ও ১ হাজার ৮ শত টাকা।

এক পর্যায়ে  দুই হালি ওটা ও ওখা ২ হাজার টাকায় এবং এক হালি অতিথি পাখি ১ হাজার ৯শত টাকায় ওই ক্রেতা কিনে নেন।

শুধু গত শনিবার সন্ধ্যা নয়, প্রায় সারা বছরই শেওলা সেতুর টোল এলাকায় শোনা যায় “পাখি নেইন স্যার। এক হালি দেই। ইতা পাখির স্বাদ ভালা। খালি মাংস পাইবা” ইত্যাদি আহবান আর দেশি অতিথি পাখি কেনা বেচার দৃশ্য দেখা যায়। বক, ঘুঘু, বুলবুলি ইত্যাদি দেশীয় পাখি বিক্রি হয় বছরের প্রায় সব দিন। শীত মৌসুম আসলেই তালিকায় যোগ হয় অতিথি পরিযায়ী পাখি। সব ধরনের পাখি শিকার ও বিক্রি দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও প্রশাসনের নিরবতার সুযোগে শেওলা সেতুর টোল এলাকায় প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে অতিথি পাখিসহ দেশীয় নানা প্রজাতির বিলুপ্ত পাখি। সাধারণত সেতু সংলগ্ন এলাকার লোকেরাই এগুলোর সাথে জড়িত।

বিভিন্ন সময়ে সিলেট-বিয়ানীবাজার অভ্যন্তরীণ মহাসড়কের শেওলা সেতুর টোল এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে গাড়ি থামার সাথে পাখি বিক্রেতারা গাড়ির জানালার কাছে পাখি উচিয়ে ধরে। নানা ধরণের কথা বলে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে। সেই সাথে চলে দর দাম।

পরিচয় গোপন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আলাপ হয় তিন যুবকের একজনের সাথে। সে জানায়- তারা নিজেরা পাখি শিকার করে এবং শিকারিদের কাছ থেকে পাখি কিনে নেয়। মুড়িয়া হাওর এলাকা থেকে দেশীয় প্রজাতির পাখি, শালিক, সাদা বক, কানা বক (লাল বক), ওটা, ওখা, ডুপি (ঘুঘু) এবং মুড়িয়া ও হাকালুকি হাওর থেকে অতিথি পাখি ফাঁদ পেতে ধরা হয়। সে শিকারিদের নাম বলতে রাজি হয়নি। তার আরেক ভাইও পাখি বিক্রির সাথে জড়িত।

অন্যান্য ভাসমান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সাথে এই দুই সহোদরসহ অন্যজন দীর্ঘদিন থেকে পাখি বিক্রি করছে। পাখি বিক্রি করা তাদের পেশা। ক্রেতা হিসাবে তাদের পছন্দ মাইক্রোবাস, অটোরিকশা যাত্রীদের। মাইক্রোবাস-অটোরিকশা থামার সাথে তারা বিভিন্ন প্রজাতির পাখি নিয়ে ঘিরে ধরে ক্রেতাদের সামনে পাখি মেলে ধরে। একেক জাতের পাখির একেক দাম।

এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মু. আসাদুজ্জামান বলেন- এদের ধরার জন্য কয়েকবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু অভিযানে আগেই টের পেয়ে যায়। শীঘ্রই ভিন্ন কৌশলে তাদের আটক করা হবে।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/আওডাব্লিউ/টিআই-আর

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত