সর্বশেষ

  হাওরবাসীর দুর্যোগ নিয়ে তামাশা করবেন না   “আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, আমার কোন চাওয়া পাওয়া নেই”   গোলাপগঞ্জে বিদ্যুতায়িত হয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু   রশিদিয়া দাখিল মাদরাসায় বিশ্ব বই দিবস উদযাপন   এনইইউবিতে ‘ক্যারিয়ার ক্লাব’র যাত্রা শুরু   ধর্মপাশা সদর ইউনিয়নের বাজেট ঘোষণা   জামালগঞ্জে এক কিশোরীর দুই জন্ম নিবন্ধন: বাল্যবিবাহ সম্পন্ন, এলাকায় তোলপাড়   বিশ্বনাথে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালী   কাউন্সিলর আফতাবকে ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের সংর্বধনা   সব চেষ্টা ব্যর্থ, তলিয়ে গেল শনি: হাওরপাড়ে চলছে কৃষকের আহাজারি   হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পাবে মাসে ৩০ কেজি চাল ও নগদ অর্থ   মহাজনী ও এনজিও ঋনের চাপ: সব হারিয়ে দিশেহারা হাওরবাসী   বাবাকে ছাপিয়ে যেতে চান টাইগার শ্রফ   বাজারে আসুসের তিন জেনফোন   সুনামগঞ্জে শনির হাওরের বাঁধে ৩টি স্থানে ভাঙন   মহামতি লেনিনের জন্মবার্ষিকীতে সিলেটে লাল পতাকা মিছিল   ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে   লাখাইয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতার   আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন তারেকের শাশুড়ি সিলেটের সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু   শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি হয়েছে : সিলেটে খাদ্যমন্ত্রী

বাইক্কাবিলের পাখিপ্রেমী মিরাশ মিয়া আর নেই

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-১৭ ১২:৪৬:৫৭

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৫ ॥ বাইক্কাবিলের পাখিপ্রেমী মিরাশ মিয়া আর নেই (ইন্না...রাজিউন)। ১৭ নভেম্বর (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ১০টায় পাখিদের বন্ধু, রক্ষক মিরাশের দাফন হাজিপুর গ্রামের পৈত্রিক বাড়িতে সম্পন্ন হয়।

সোমবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। তা‍ঁর মৃত্যুর খবরে পাখি পর্যবেক্ষক, আলোকচিত্রী ও গবেষকদের মাঝে গভীর শোক নেমে আসে।

ক্লাইমেট-রেজিলিয়েন্ট ইকোসিস্টেমস্ অ্যান্ড লাইভলিহুডস্ (ক্রেল) প্রকল্পের বাইক্কাবিল সাইট অফিসার মো. মনিরুজ্জামান বলেন- হাওরের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে এবং ব্যবস্থাপনায় মিরাশ মিয়ার কর্মদক্ষতা অতুলনীয়। গ্রামের মানুষ হয়েও জীববৈচিত্র্য রক্ষণাবেক্ষণে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
 
তিনি আরও বলেন- মিরাশ মিয়া পরিযায়ী পাখিদের ইংরেজি ও বাংলা নাম জানতেন। শুধু তা-ই নয়, চিনতেন কোনটা কোন পাখি। বাইক্কাবিলের পাখি পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে টেলিস্কোপ দিয়ে আগত পর্যটকদের পাখির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেন তিনি।

বাইক্কা বিলে কোন পাখি কখন ‍আসে, কখন যায়, কোনে পাখিটি এবার নতুন এলো- এসব তথ্য সবার আগে মিলতো মিরাশ মিয়ার কাছে। কনকনে শীত উপেক্ষা করে পাখিরক্ষায় বিলের পর্যবেক্ষণ টাওয়ারেই রাতযাপন করতেন তিনি।
 
মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে ছাড়াও তিনি বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন পরোপকারী, বিনয়ী ও প্রকৃতিপ্রেমী।

বড়গাঙ্গিনা সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংগঠনের (আরএমও) প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি ছিলেন মিরাশ মিয়া। 

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ডেস্ক/এসবি
 

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত