সর্বশেষ

  মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে খাদিমনগর যুব কল্যাণ পরিষদের শ্রদ্ধাঞ্জলি   সিলেটে কাল থেকে শুরু হচ্ছে ‘বেঙ্গল সংস্কৃতি উৎস’   রশিদিয়া দাখিল মাদরাসায় মাতৃভাষা দিবস উদযাপন   সিলেটে জুতা পায়ে শহীদ মিনারে উঠে শ্রদ্ধা জানালেন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা!   ‘বাংরেজি’ ছাড়াতে হবে: শেখ হাসিনা   কমলগঞ্জে ধলাই নদীতে পড়ে শিশুর মৃত্যু   কমলগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত   নানা আয়োজনে মাতৃভাষা দিবস পালন করলো মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি   ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে সিলেটে শুরু হচ্ছে ‘লন্ডন ১৯৭১’ আলোকচিত্র প্রদর্শনী   স্কলার্স একাডেমিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন   জগন্নাথপুরে জুয়ার আসর থেকে আটক ৫   দক্ষিণ সুনামগঞ্জে কিশোরী ধর্ষিত : ধর্ষক আটক   ব্লগার রাজীব হত‌্যা মামলার আসামি জঙ্গি রানা রিমান্ডে   আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সিলেট জেলা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের পুষ্পস্তবক অর্পণ   সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার   কমলগঞ্জে আইনজীবির বাড়িতে ডাকাতি : আহত ১   শাবিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন   আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের পুষ্পস্তবক অর্পণ   যেভাবে গ্রেফতার হলো ব্লগার রাজীব হত্যার মূল আসামি রানা   কমলগঞ্জের ধলাই নদী থেকে স্কুলছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার

বাইক্কাবিলের পাখিপ্রেমী মিরাশ মিয়া আর নেই

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-১৭ ১২:৪৬:৫৭

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৫ ॥ বাইক্কাবিলের পাখিপ্রেমী মিরাশ মিয়া আর নেই (ইন্না...রাজিউন)। ১৭ নভেম্বর (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ১০টায় পাখিদের বন্ধু, রক্ষক মিরাশের দাফন হাজিপুর গ্রামের পৈত্রিক বাড়িতে সম্পন্ন হয়।

সোমবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। তা‍ঁর মৃত্যুর খবরে পাখি পর্যবেক্ষক, আলোকচিত্রী ও গবেষকদের মাঝে গভীর শোক নেমে আসে।

ক্লাইমেট-রেজিলিয়েন্ট ইকোসিস্টেমস্ অ্যান্ড লাইভলিহুডস্ (ক্রেল) প্রকল্পের বাইক্কাবিল সাইট অফিসার মো. মনিরুজ্জামান বলেন- হাওরের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে এবং ব্যবস্থাপনায় মিরাশ মিয়ার কর্মদক্ষতা অতুলনীয়। গ্রামের মানুষ হয়েও জীববৈচিত্র্য রক্ষণাবেক্ষণে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
 
তিনি আরও বলেন- মিরাশ মিয়া পরিযায়ী পাখিদের ইংরেজি ও বাংলা নাম জানতেন। শুধু তা-ই নয়, চিনতেন কোনটা কোন পাখি। বাইক্কাবিলের পাখি পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে টেলিস্কোপ দিয়ে আগত পর্যটকদের পাখির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেন তিনি।

বাইক্কা বিলে কোন পাখি কখন ‍আসে, কখন যায়, কোনে পাখিটি এবার নতুন এলো- এসব তথ্য সবার আগে মিলতো মিরাশ মিয়ার কাছে। কনকনে শীত উপেক্ষা করে পাখিরক্ষায় বিলের পর্যবেক্ষণ টাওয়ারেই রাতযাপন করতেন তিনি।
 
মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে ছাড়াও তিনি বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন পরোপকারী, বিনয়ী ও প্রকৃতিপ্রেমী।

বড়গাঙ্গিনা সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংগঠনের (আরএমও) প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি ছিলেন মিরাশ মিয়া। 

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ডেস্ক/এসবি
 

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত