সর্বশেষ

  মৌলভীবাজারে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক ৩   সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার আর নেই: এমপি মানিকের শোক   ছাতকে আওয়ামী লীগ নেত্রীর মাতৃ বিয়োগ : এমপিসহ বিভিন্ন মহলের শোক   বিশ্বনাথের খেলাফত মজলিসের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন   বিশ্বনাথে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১   শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে আজ দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ :শফিক চৌধুরী   সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু   মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৩ ভাইয়ের মৃত্যু   সিলেটে ছাত্রলীগ কর্মী মিন্নতের কব্জিকর্তন মামলার প্রধান আসামী শাহীনসহ গ্রেফতার ২   ছাতকে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের   কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি-লিট ডিগ্রি পেলেন শেখ হাসিনা   ছাতকে পৃথক সংঘর্ষে আহত ৫০, গ্রেফতার ১   জকিগঞ্জে ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার   এতিমদের নিয়ে ক্যাডেট কলেজ ক্লাব সিলেটের ইফতার মাহফিল   শাবিতে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ওয়েবসাইট উদ্বোধন   শাবির স্বপ্নোত্থানের ঈদবস্ত্র বিতরণ   সেই কলকাতাকে হারিয়ে ফাইনালে সাকিবদের হায়দরাবাদ   ‘আদর্শ সমাজ গঠনে রমজানের শিক্ষাকে কাজে লাগাতে হবে’   সাচনা বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানপাঠ পরিদর্শনে রঞ্জিত সরকার   জামালগঞ্জে আগুনে পুড়ে ছাই ৯ দোকান: দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

জুলাইয়ে যাত্রা শুরু শেখ হাসিনা শিশু পার্কের

চলছে রাইড স্থাপনের কাজ

প্রকাশিত : ২০১৮-০৫-১৭ ২১:০৭:১৩

উত্তরপূর্ব প্রতিবেদন ॥ দক্ষিণ সুরমার আলমপুরস্থ নির্মাণাধীন শিশু পার্কের যাত্রা শিগগির শুরু হচ্ছে। আগামী জুলাইয়ে এই পার্ক উদ্বোধন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভূমি অধিগ্রহণ, মাটি ভরাট, সীমানা দেয়াল নির্মাণ ও রাইড স্থাপনসহ পার্কটি স্থাপনে দু’দফায় প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। ইতোমধ্যে পার্কের নামও নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পার্কটির নামকরণ হচ্ছে ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা শিশু পার্ক’।
২০০৬ সালে নির্মাণকাজ শুরু হওয়া এ পার্কটিতে এখন চলছে রাইড স্থাপনের কাজ। পার্কটিতে শিশু ছাড়াও বড়দেরও বিনোদনের ব্যবস্থা থাকছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সমন্বয়ক মো. নজরুল ইসলাম। নগরবাসীর বিনোদনের কথা চিন্তা করে ২০০৬ সালে সুরমা নদীর তীরবর্তী আলমপুরে ৩ দশমিক ৭৭ একর জমির উপর পার্কটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে কাজ শুরুর পর সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, মাটি ভরাটসহ গাছের চারাও লাগানো হয়। পার্কটি সুরমা নদী তীর ঘেঁষা হওয়াতে রাইড বসানোসহ নদীর সাথে নান্দনিক সিঁড়ি স্থাপনেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শাসনামলে পার্কটির নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পার্কের কাজ শেষ করতে সম্প্রতি ৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় চীনা একটি কোম্পানির সাথে চুক্তি করে পার্কে রাইড বসানোর কাজ চলছে। শিশুদের বিনোদনের জন্য ‘মনোরেল’ ও ‘ম্যাজিক প্যারাসুট’ সহ মোট ৯টি রাইড বসানোর কাজ চলছে। ম্যাজিক প্যারাসুটে একসাথে ১৮জন ৭০ ফুট উঁচুতে উঠানামা করতে পারবেন। মনোরেলে মাটি থেকে ১৫ ফুট উচ্চতায় এক হাজার ৩৬১ ফুট দূরত্ব অতিক্রম করা যাবে। এটি থাকবে পার্কের চারপাশ জুড়ে। এছাড়া পাইরেটশিপ, টুইস্টার, বাম্পার কার, ফ্রুট ফ্লাইং চেয়ার, ক্যারসেল, জাম্পিং ফ্রগ ও ভিজিটিং ট্রেন রয়েছে। ভিজিটিং ট্রেন দিয়ে একসাথে ২৬ জনকে নিয়ে ৪২০ ফুট ঘোরা যাবে। ৯টি রাইড ছাড়া বাকিগুলোতে বিনা খরচে চড়া যাবে। প্রকল্পের কাজের প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে পার্কের নাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য আবুল মাল আবদুল মুহিতের একটি ডিও লেটারের সূত্র ধরে পার্কটির নামকরণ হয় ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা শিশু পার্ক’। গত সোমবার সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে প্রেরিতে এক চিঠির মাধ্যমে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় পার্কের নাম চূড়ান্তকরণের বিষয়টি অবহিত করে বলে জানা গেছে। উপসচিব মো. মাহমুদুল আলম চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পার্কের নামকরণে বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত