সর্বশেষ

  খাদিমনগরের কালাগুলে সড়ক ও মাদ্রাসা ভবনের উদ্বোধন   সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের তপশীল ঘোষণা : নির্বাচন ১২ মে   সাংবাদিকতায় ‘ওয়াচডগ জার্নালিজম’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন তুহিন   ছাতক উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন   ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে গোয়াইনঘাটে সংঘর্ষ : নিহত ১   “শেখ হাসিনার উন্নয়ন ব্যক্তি বিশেষের পকেট ভারীর জন্য নয়”   ফেঞ্চুগঞ্জে একই রাতে দুই বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট   কবরস্থান রক্ষার দাবিতে যোগীরগাঁওয়ে মানববন্ধন : ১৫ দিনের আল্টিমেটাম   কানাইঘাটে ইফজালের বাড়ীতে শোকের মাতম : দাফন সম্পন্ন, গ্রেপ্তার ১   দিরাইয়ে মজনু মিয়া হত্যা : প্রধান আসামী ডনেল গ্রেফতার   তাহিরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠন   বিশ্বনাথে পানির মধ্যে চলছে ‘বাসিয়া নদীতে’ পুনঃখনন কাজ   সদর উপজেলা স্পোর্টস একাডেমির অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত   ফেসবুকে গালিগালাজ: ফুলবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ   লন্ডনে আরিফ খান জয়ের ওপর বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলা   রাজনগরে ছেলের হাতে বাবা খুন: ছেলে আটক   বালাগঞ্জে ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনা সেতু’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন দুই এমপি   কানাইঘাটে প্রবাসির বাড়ীতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: গুলিতে নিহত ১   বরইকান্দিতে জোড়া খুনের মামলায় ৫২ জন জেলহাজতে   এশা ইস্যু : মুর্শেদাসহ ঢাবির ২৪ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন: ত্যাগী ও পরীক্ষিতরা বঞ্চিত

জায়গা পেলেন সভাপতির ছেলে, সহ-সভাপতির মেয়ে, সম্পাদকের দুই ভাইসহ স্বজনরা

প্রকাশিত : ২০১৮-০৩-১৮ ১৯:০৮:২৫

মাহমুদুর রহমান তারেক, সুনামগঞ্জ : রবিবার, ১৮ মার্চ ২০১৮ ॥ সম্মেলনের দুই বছর পর সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন হয়েছে। কমিটি নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। সুনামগঞ্জ পৌরসভার প্রয়াত মেয়র আয়ূব বখত জগলুলের নাম কমিটির সাত নম্বরসহ সভাপতি হিসেবে রাখা হয়েছে। কমিটিতে একই পরিবারের একাধিক সদস্য, মৃত ব্যক্তি, প্রবাসী এবং বিতর্কিতদের স্থান দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বঞ্চিতরা। পরীক্ষিত ও ত্যাগী অনেকেই বাদ পড়েছেন পূর্ণাঙ্গ কমিটি থেকে। একই পরিবারের একাধিক সদস্য স্থান পাওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা।
গত বৃহস্পতিবার রাতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ৭৫ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে কমিটির নাম প্রকাশ পেলেও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক অনুমোদিত কপি দুই দিন পার হলেও সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করেননি।

২০১৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ২০ বছর পর সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও তখন কেবলমাত্র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল।
জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মতিউর রহমান জানান, কমিটিতে ১১ জন সহ-সভাপতি, ৩ জন যুগ্ম সম্পাদক ও ৩ জন সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ৭৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরি কমিটি অনুমোদিত হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান পাওয়া নেতৃবৃন্দ হলেন- সভাপতি আলহাজ্ব মতিউর রহমান, সহ সভাপতিঃ নূরুল হুদা মুকুট, মহিবুর রহমান মানিক, আপ্তাব উদ্দীন আহমদ (এডঃ), সিদ্দিক আহমদ, মতিউর রহমান (মুক্তিযোদ্ধা), আইয়ূব বখ্ত জগলুল, শফিকুল আলম (এডঃ),  সৈয়দ আবুল কাসেম, রেজাউল করিম শামীম, অবনী মোহন দাস (এডঃ), ডঃ খায়রুল কবীর রুমেন (এডঃ)।

সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবীর ইমন, যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক নান্টু রায় এডভোকেট, হায়দার চৌধুরী লিটন, আবুল কালাম চৌধুরী,  কোষাধ্যক্ষ ইশতিয়াক আহমদ শামীম, আইন বিষয়ক সম্পাদক  আব্দুল করিম (এডঃ), কৃষি বিষয়ক সম্পাদক করুণা সিন্দু চৌধুরী বাবুল, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমেদ চৌধুরী, দূর্যোগ ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক শাহ মোঃ আবু নাসের, দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী উজ্জ্বল (এডঃ), ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মফিজুল হক (মফিজ), প্রচার সম্পাদক গোলাম সাবেরীন (সাবু), মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা নিগার সুলতানা ( কেয়া), মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক গোলাম মস্তফা (এডঃ), বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আজাদ রোমান, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কামরুল হাসান, মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক সিতেষ তালুকদার মন্জু, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান ইমদাদ রাজা চৌধুরী, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক  আজাদুল ইসলাম রতন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অভিজিৎ চৌধুরী , স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ আবুল কালাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শংঙ্কর চন্দ্র দাস, সিরাজুর রহমান সিরাজ, জুনেদ আহমদ।উপ দপ্তর সম্পাদক মাহবুবুল হক জয়েদ, উপ প্রচার সম্পাদক হুমায়ূন রশিদ লাভলু।

সদস্যরা হলেন- এম এ মান্নান এমপি, ড. জয়া সেন গুপ্ত এমপি, শামছুন্নাহার বেগম শাহানা রব্বানী এমপি, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপি, আলতাব উদ্দিন, আজিজুস সামাদ ডন, মন্জুুরুল আলম চৌধুরী, সামছুজ্জামান আফিজ (মাস্টার), সুবির তালুকদার বাপ্টু, মশিউর রহমান জুয়েল, ইমামুজ্জামান মহি, ফজলুল কবীর তুহিন, রেজাউল আলম নিক্কু, হাজী আবুল কালাম, মাহতামুল হাসান সমুজ, মলয় চক্রবর্তী রাজু (এডঃ),  রফুউল্লাহ্ ফজলু, নূরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান দারা,  তৈয়ব কামালী, কল্লোল তালুকদার চপল (এডঃ), নিজাম উদ্দিন (এম,কম), হাসান মাহবুব সাদী (এডঃ), আবু সাদাত মোঃ লাহীন, অমল কান্তী কর, শামীম আকন্জী, আলমগীর কবীর, সিরাজুল ইসলাম, আল আমীন চৌধুরী, আসাদুজ্জামান সেন্টু, শামীমা শাহরীয়ার, অমল কান্তি চৌধুরী হাবুল,  সৈয়দ তারেক হাসান দাউদ, আতিকুল ইসলাম আতিক, ফেরদৌসী সিদ্দিকা ও জামিল চৌধুরী।

কমিটিতে দেখা যায়- সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট আলী আমজদ, অ্যাডভোকেট রইছ উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিছ আলী বীর প্রতিক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইউসুফ আল আজাদ, আবরু মিয়া তালুকদার, সৈয়দ আতাউর রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, সৈয়দ শায়েখ আহমদ, এডভোকেট নজরুল ইসলাম, আবুল হোসেন খান কে রাখা হয়নি।

জায়গা হয়নি জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান পীর, জিতেন্দ্র তালুকদার পিন্টু, আক্তারুজ্জামান সেলিম, তনুজ কান্তি দে, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নবনী কান্ত দাস, আজহারুল হক শিপার, ও সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক জিএস মণীষ কান্তি দে মিন্টুসহ অনেক ত্যাগী সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা।

প্রবীন ও ত্যাগী নেতাদের জায়গা না হলেও জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে।

কমিটিতে দেখা যায়- জেলা আ.লীগের সভাপতি মতিউর রহমানের সঙ্গে তার প্রবাসী সন্তান মশিউর রহমান জুয়েলও সদস্য হিসেবে স্থান পেয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমনের সঙ্গে তার আরো দুই ভাই স্থান পেয়েছেন। তারা হলেন, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট খায়রুল কবির রুমেন ও সদস্য ফজলুল কবির তুহিন। সহ-সভাপতি অ্যাড. আফতাব উদ্দিনের সঙ্গে তার মেয়ে সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা কেয়া পেয়েছেন মহিলা বিষয়ক সম্পাদকের পদ। ছাতক পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী যুগ্ম সম্পাদকের পদ পেয়েছেন।তার ছোট ভাই শামীম আহমেদ চৌধুরী তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক পদ পেয়েছেন। এক সময়ের তুখোড় ছাত্র নেতা করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল পেয়েছেন কৃষি বিষয়ক সম্পাদক। তার এই পদ নিয়ে অনেকের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দলের এই ত্যাগী নেতার চেয়ে ভালো পদ পেয়েছেন তার চেয়ে বয়সে ছোট, অনভিজ্ঞ নেতারা। বাবুলের ছোট ভাই অমল কান্তি চৌধুরী হাবুল পেয়েছেন সদস্য পদ। জেলা কমিটির সহ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুটের তালতো ভাই নিজাম উদ্দিন সদস্য হিসেবে স্থান পেয়েছেন কমিটিতে।

এদিকে দেড় মাস আগে সুনামগঞ্জ পৌর মেয়র আয়ূব বখত জগলুল মারা গেলেও তার নাম রাখা হয়েছে কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে। আয়ূব বখত জগলুল মারা যাওয়ায় তার কোন অনুসারীকে কমিটিতে রাখা হয়নি। এদিকে দেশে ত্যাগী নেতা থাকা সত্বেও যুক্তরাজ্যের প্রায় অর্ধ ডজন নেতা বিতকির্ত এই কমিটতে স্থান পেয়েছেন। তারা হলেন, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক  সৈয়দ আবুল কাসেম, সাসেক্স আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমামুজ্জামান মহি, নাট্যকার ফজলুল করিম তুহিন, সিরাজুল হক, তৈয়ব মিয়া কামালী। এরা সবাই পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্যে বসবসা করেন।

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শাহরিয়ার কবির সায়েম বলেন, পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে  জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ ও ত্যাগী নেতাদেও জায়গা হয়নি, আবার অনেক নেতা যাদের সর্বশেষ ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত  জোট সরকারের আমলে রাজপথে কোন দিন দেখা যায়নি, তারা পদ ভাগিয়ে নিয়েছেন। রাজনীতির জন্য এটা অশুভ লক্ষণ।

সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তনুজ কান্তি দে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অযোগ্য ও সূযোগ সন্ধানীদের স্থান দেওয়া হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,দুষ্টদের সমন্বয়ে সিন্ডিকেট কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক কমিটি বাণিজ্যের পাশাপাশি স্বজনপ্রীতি ও বিতর্কিতদের স্থান দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একদল মেষকে তিন চারজন মেষপালক (শেফার্ড) কিভাবে পরিচালনা করবে তা আমার বোধগম্য নয়।
জেলা আওয়ামী লীগের বিগত কার্যকরি কমিটির সদস্য ও সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক  নজরুল ইসলাম শেফু বলেন- পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে পারিবারিকীকরণ করা হয়েছে। ইউনিয়ন কমিটিতে যাদের জায়গা হয়নি তাদেরকে জেলা কমিটিতে  রাখা হয়েছে। যা দু:খজনক। বিগত ইউনিয়ন নির্বাচনে যারা নৌকার বিপক্ষে বিদ্রোহী হয়েছিলেন তাদেরকওে কমিটিতে রাখা হয়েছে। পূর্নাঙ্গ কমিটির তালিকা দেখে আমরা ক্ষুব্ধ।
সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ঘোষিত কমিটির সম্পাদকমন্ডলীর এক নেতা জানান- পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হয়নি। ৭৫ এর পর দলের দুর্দিনে যারা ছাত্রলীগ করেছিলেন তাদেরকে অবমাননা করা হয়েছে। কমিটিতে সিনিয়র-জুনিয়র মানা হয়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক এক সভাপতি বলেন- ঘোষিত কমিটিতে তিন পরিবারের সাত ভাই, বাবা, ছেলে-মেয়েসহ অনেক অরাজনৈতিক লোককেও রাখা হয়েছে। মনোনয়ন বাণিজ্যের পর এবার সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি বাণিজ্য হয়েছে।

সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমন বলেন- দলীয় সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন। পূর্বে কমিটি জমা দেওয়ায় সুনামগঞ্জ পৌরসভার প্রয়াত মেয়র আয়ূব বখত জগলুলের নাম কমিটিতে রয়েছে। তবে তার নামের পাশে মরহুম উল্লেখ রয়েছে। একজন সহ-সভাপতি ও জাতীয় কমিটির সদস্য পরবর্তীতে করা হবে। আওয়ামী লীগ বড় দল, জেলার ১১ উপজেলায় শত শত নেতা কর্মী রয়েছেন জেলা কমিটিতে স্থান পাবার মত, কিন্তু কমিটি করতে হয় ৭৫ জনের, আমরা চেষ্টা করেছি যোগ্যদের স্থান দেবার, এরপরও অনেকেই বাদ পড়েছেন, দল অবশ্যই বাদ পড়া নেতাদের মূল্যায়ন করবে।
এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক (সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত) মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন- কমিটি অনুমোদন হয়েছে। ঢাকার বাইরে থাকায় অনুমোদিত কমিটি দেখিনি। মৃত বা বিতর্কিতদের প্রসঙ্গে বলেন- এমন হওয়ার কথা না। খোঁজ নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/এমআরটি/এমওআর

সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত