সর্বশেষ

  মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে খাদিমনগর যুব কল্যাণ পরিষদের শ্রদ্ধাঞ্জলি   সিলেটে কাল থেকে শুরু হচ্ছে ‘বেঙ্গল সংস্কৃতি উৎস’   রশিদিয়া দাখিল মাদরাসায় মাতৃভাষা দিবস উদযাপন   সিলেটে জুতা পায়ে শহীদ মিনারে উঠে শ্রদ্ধা জানালেন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা!   ‘বাংরেজি’ ছাড়াতে হবে: শেখ হাসিনা   কমলগঞ্জে ধলাই নদীতে পড়ে শিশুর মৃত্যু   কমলগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত   নানা আয়োজনে মাতৃভাষা দিবস পালন করলো মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি   ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে সিলেটে শুরু হচ্ছে ‘লন্ডন ১৯৭১’ আলোকচিত্র প্রদর্শনী   স্কলার্স একাডেমিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন   জগন্নাথপুরে জুয়ার আসর থেকে আটক ৫   দক্ষিণ সুনামগঞ্জে কিশোরী ধর্ষিত : ধর্ষক আটক   ব্লগার রাজীব হত‌্যা মামলার আসামি জঙ্গি রানা রিমান্ডে   আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সিলেট জেলা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের পুষ্পস্তবক অর্পণ   সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার   কমলগঞ্জে আইনজীবির বাড়িতে ডাকাতি : আহত ১   শাবিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন   আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের পুষ্পস্তবক অর্পণ   যেভাবে গ্রেফতার হলো ব্লগার রাজীব হত্যার মূল আসামি রানা   কমলগঞ্জের ধলাই নদী থেকে স্কুলছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার

সাকার প্রাণভিক্ষা : দল ও স্ত্রীর ভিন্নমত

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২১ ১৪:২৪:৪৫

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : শনিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৫ ॥ প্রাণভিক্ষা চাইবেন না সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। বিএনপি’র পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা জানানো হয়েছে। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এই সংবাদ সম্মেলন করেন।

তবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন- সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী। তিনি জানালেন, প্রাণভিক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ ও এখতিয়ার সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর নিজেরই।

সংবাদ সম্মেলনে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, আমরা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবারের কাছ থেকে জেনেছি, তারা যখন কারাগারে দেখা করতে যান তখন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী জানিয়েছেন তিনি প্রাণভিক্ষা চাইবেন না।

এর পরপরই ফারহাত কাদের চৌধুরী মাইক্রোফোন নিয়ে জানান, বিষয়টি এমন নয়, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না সে সিদ্ধান্ত তিনি নিজেই নেবেন।

এসময় ‘জাতীয় সংসদে দীর্ঘদিনের সহকর্মী হিসেবে বিষয়টি রাষ্ট্রপতি সুবিবেচনা করবেন,’ বলে আশা প্রকাশ করেন ফারহাত কাদের চৌধুরী।

উল্লেখ্য, কারাবিধি অনুযায়ি আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ার পর ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কেবল পরিবারের সঙ্গেই দেখা করতে পারে। এবং রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদনের বাইরে ব্যক্তিগত চিঠি পাঠাতে পারে না। ফাঁসির আসামি প্রাণভিক্ষা না চাইলে যে কোন সময়ে ফাঁসি কার্যকর হতে পারে।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/বিএন/ওয়াইএম/এসবি

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত