সর্বশেষ

  ঈদে রাস্তায় থাকবে বিআরটিসির ৯০০ বাস   দিরাইয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ   টস জিতে ফিল্ডিংয়ে টাইগাররা   সিলেট বিভাগকে বাল্যবিবাহমুক্ত ঘোষণা   দীর্ঘ ১৭ বছর পর এফডিসিতে ফিরছেন শাবানা?   শ্রীমঙ্গলে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন   বিশ্বনাথে স্বামীর হাতে খুন হলেন স্ত্রী   অভিযোগের পাহাড় শিক্ষার্থীদের : হল থেকে বিতাড়িত শাবির সেই ‘অপরাধ সম্রাট’   কুসিক মেয়র সাক্কুর স্থায়ী জামিন   গোয়াইনঘাটের রুস্তমপুর ইউনিয়নের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা   শিক্ষক শ্যামল কান্তির বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা   অর্ধেক বৃত্তে মৌলভীবাজার শহীদ মিনার!   যুক্তরাজ্যে আরও সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা করছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে   মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য গড়ার খাবার   আজ মাশরাফি চোখ রাখছেন জয়ে   জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি বাড়ি ঘেরাও   সিলেটে বজ্রপাতে শ্যালক-দুলাভাইসহ নিহত ৩   মৌলভীবাজারের মোস্তফাপুর ইউনিয়নের বাজেট ঘোষণা   চরগাঁওয়ে রাস্তা উদ্বোধন করলেন এমপি কেয়া চৌধুরী   রাজনগরে ধর্ষক ও নারী নির্যাতনকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

গ্রেনেড হামলা মামলায় লড়তে চান মুজাহিদ

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২১ ১৩:৩৫:৪৯

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : শনিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৫ ॥ একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ এখন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার শেষ দেখতে চান। মুজাহিদ বর্তমানে কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না- এ নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তার মধ্যে মুজাহিদের স্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা জানালেন।

আজ শনিবার সকালে সুপ্রিমকোর্ট বার অডিটোরিয়ামে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মুজাহিদের স্ত্রী তামান্না-ই-জামান বলেন- ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার অভিযোগ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির কাছে জানতে চান তার স্বামী মুজাহিদ। মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ এখন কোন পর্যায়ে রয়েছে তাও তিনি জানতে চান।

তামান্না বলেন, ‘এই মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ। এমতাবস্থায় মুজাহিদ বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে এই মামলায় নিজের পক্ষে শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অধিকার রাখেন।’

তামান্না জানান- গত ১৯ নভেম্বর পরিবারে সঙ্গে সাক্ষাতের সময় মুজাহিদ তাদের জানিয়েছিলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আপিল বিভাগের দেয়া আদেশের কপি তার কাছে আসলে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিতভাবে জানতে চাইবেন যে, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তার অবস্থান কী হবে? সম্পূরক চার্জশিটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করার কারণে জাতির সামনে একজন হত্যাকারী হিসেবে তার নাম এসেছে। আর সেই কারণেই তিনি আইনি লড়াই করে সেই দায় থেকে মুক্তি পেতে চান বলেও যোগ করেন মুজাহিদপত্নী।

তিনি বলেন- এই পর্যন্ত আদালতে হাজির হওয়া কোনো সাক্ষী এই ঘটনার সঙ্গে তাকে (মুজাহিদ) জড়িয়ে কোনো বক্তব্য রাখেননি। বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় যদি অন্য কোনো মামলায় তার দণ্ড কার্যকর করা হয় তাহলে সেটা হবে তার নাগরিক অধিকারের লঙ্ঘন। মুজাহিদ এই দেশের একজন নাগরিক হিসাবে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে সংবিধানের অভিভাবক মনে করেন। যেহেতু রাষ্ট্রপতি ব্যক্তিগত জীবনে একজন আইনজীবী ও আইনবিদ। তাই তিনি আশা করেন রাষ্ট্রপতি নাগরিক হিসাবে তার আইনি ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন। আমি এবং আমার পরিবার আমার স্বামীর এই আবেদনটি তার ইচ্ছা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছাতে চায়। আমরা আশা করি এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলে সহযোগিতা করবেন।

এই সংবাদ সম্মেলনে মুজাহিদের স্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- মুজাহিদের ছেলে আলী আহাম্মেদ মাবরুর ও আলী আহাম্মদ তাহকীক, মাবরুরের খালা শাফিয়া তাসনিন, মুজাহিদের ভাই আলী আক্কাস মো. খালেছ ও আরেক ভাই মো. আজগর। এছাড়া মুজাহিদের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার দুই আইনজীবী এসএম কামাল উদ্দিন শেখ ও সাইফুর রহমানও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।  

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/বিএম/এসবি

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত