সর্বশেষ

  বঙ্গবন্ধুর ৪২তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের শোকসভা   বিশ্বনাথে ইলিয়াসের সন্ধান কামনায় বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল   সিলেট-৫ আসনে খেলাফত মজলিসের এনামুল হাসান ছাবীরের প্রার্থীতা ঘোষণা   শোকদিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান   মাধবপুরে বিয়ে ঠেকাতে মায়ের বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীর অভিযোগ   ব্রিটেনিয়া হোটেলে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আম্বরখানা ব্যবসায়ী কমিটি   দিরাইয়ে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ নিয়ে মতবিনিময় সভা   দিরাইয়ে ৫ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবৈধ পদোন্নতির অভিযোগ: পুর্নাঙ্গ তদন্তে আসছেন এডিপিও   ফেঞ্চুগঞ্জে আইনশৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত   সিসিকের ৪৯৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ   কমলগঞ্জে ২টি লাশ উদ্ধার   অস্ত্রসহ একাধিক মামলার আসামী তানিম আহমেদ বাবুল কালিবাড়ি থেকে গ্রেফতার   ওসমানীনগরে ঈদ সামগ্রী ও ত্রাণ বিতরণে এগিয়ে এলো ২ দাতা সংস্থা   ওসমানীনগরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় নাসির বিড়িসহ আটক ২   মদনমোহন কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক ভিপি আলাউদ্দিন আহমদের মৃত্যুতে শোক   ছাত্রলীগ নেতা শাহীনের শয্যাপাশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান ও ব্যারিস্টার নওফেল   হবিগঞ্জে পাইপগানসহ ৩ শিবিরকর্মী গ্রেফতার : আহত ৩ পুলিশ   কানাডার অটোয়ায় বাংলাদেশ হাই-কমিশনে শোক দিবস পালন   চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ : ৫ গোলে কাবু বার্সেলোনা   ছেলে-মেয়েদের জন্যে বিমান টিকেট: মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন অর্থমন্ত্রী

পাকিস্তানের হাই কমিশনারকে তলব করে ‘কড়া প্রতিবাদ’

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২৩ ১৬:৪০:০১

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৫ ॥ যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে উদ্বেগ প্রকাশ করে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির পর দেশটির হাই কমিশনারকে তলব করে ‘কড়া প্রতিবাদ’ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তলবে ঢাকায় পাকিস্তানের হাই কমিশনার সুজা আলম সোমবার রাষ্ট্রীয় ভবন পদ্মায় হাজির হয়ে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব মিজানুর রহমানের সঙ্গে দেখা করেন।

মিজানুর রহমান পরে সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছি।”

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের দায়ে রোববার প্রথম প্রহরে সালাউদ্দিন কাদের ও মুজাহিদের মৃতুদণ্ডের রায় কার্যকর করার পর এক বিবৃতিতে উদ্বেগের কথা জানায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, “সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মুজাহিদের দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর আমরা গভীর উদ্বেগ ও বেদনার সঙ্গে লক্ষ্য করলাম।”

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের এই বিচারকে ‘প্রহসন’ আখ্যায়িত করে এ নিয়ে ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়ার’ কথা বলা হয় ওই বিবৃতিতে।

পাশাপাশি ১৯৭৪ সালের ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ চুক্তির আলোকে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে ঢাকার প্রতি আহ্বান জানায় ইসলামাবাদ।  

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এ ধরনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে রোববারই পাকিস্তানের হাই কমিশনারকে তলব করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরপর সুজা আলম সোমবার ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে দেখা করেন।  

যুদ্ধাপরাধের দায়ে ২০১৩ সালে জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও উদ্বেগ জানিয়েছিল পাকিস্তান।

‘পাকিস্তানের প্রতি অনুগত এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে সমর্থন করায়’ কাদের মোল্লাকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে দাবি করে সে সময় দেশটির পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাবও গৃহীত হয়।

তা নিয়ে বাংলাদেশে বিভিন্ন মহলের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার মধ্যে পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে তলব করে ওই প্রস্তাব গ্রহণের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার।

২৫ বছরের শোষণ-বঞ্চনার পর বাঙালিদের স্বাধিকারের দাবিকে দমন করতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ নির্বিচার হত্যাকাণ্ড শুরু করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী।

তখন প্রতিরোধ ‍যুদ্ধে নামে বাঙালিরা। নয় মাসের রক্তাক্ত সংগ্রামের পর স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয় ঘটে।   

একাত্তরে বাঙালি নিধনে পাকিস্তানি বাহিনী এদেশেরই কিছু দোসর পেয়েছিল। জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে তাতে সমর্থন দেয়; গঠন করে রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনী।

মুসলিম লীগ নেতা পাকিস্তান গণপরিষদের সাবেক স্পিকার ফজলুল কাদের চৌধুরীর ছেলে সালাউদ্দিন কাদের একাত্তরে ‘চট্টগ্রামের ত্রাস’ হিসেবে কুখ্যাত ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর দালাল আইনে গ্রেপ্তার হয়ে বন্দি অবস্থায় মারা যান ফজলুল কাদের। তার ছেলে সালাউদ্দিন বাংলাদেশের মন্ত্রীও হয়েছিলেন। 

একাত্তরে আল বদর বাহিনীর প্রধান ছিলেন মুজাহিদ। বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন তারই নেতৃত্বে হয়েছিল বলে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে উঠে এসেছে। তিনি জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন, মন্ত্রীও হয়েছিলেন তিনি।

স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত এই অঞ্চলে  পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর পূর্ব পাকিস্তানে জামায়াতে ইসলামী নামে একটি শাখা কাজ করত। স্বাধীনতার চার বছরের মাথায় বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ নামে সক্রিয় হয় দলটি। 

যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিতদের মধ্যে অধিকাংশই জামায়াত নেতা এবং তাদের রায়ের পর পাকিস্তান জামায়াত প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে আসছে।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ডেস্ক/এমওআর

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত