সর্বশেষ

  ছাতকে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ আটক ১   শ্রীমঙ্গল বিজিবি’র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন   মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন জাতির সূর্যসন্তান : শফিক চৌধুরী   বিয়ানীবাজার পৌর মেয়রের বাজেটে বড় চমক : সাড়ে ৪৬ কোটি টাকার বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ৯১ শতাংশের বেশি   দিরাইয়ে যুব নারীদের হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন   ডিএনএ রিপোর্টে সত্যতা মেলেনি : আতিয়া মহলে নিহতদের মধ্যে নেই জঙ্গি মুসা   বাহুবলে অবৈধ স্পিরিট বিক্রি করায় দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা   ছাতকে ১৬টি বিষধর সাপ আটক   সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের অসহনীয় চাঁদাবাজী   যাকাতের অর্থ আয়বর্ধক কাজে ব্যয় করতে হবে: রাহাত আনোয়ার   বজ্রপাতের কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড় ধস   কমলগঞ্জে সংসদ সদস্য’র ঐচ্ছিক তহবিলের টাকা বিতরণ   এপেক্সিয়ান চন্দন দাসের মায়ের মৃত্যুতে সাবেক মেয়র কামরানের শোক   মওদুদের জন্য খাট পাঠাতে চান নাসিম   মসজিদ আল হারামে শবে কদরের রাতে ২০ লাখের বেশি মানুষ মোনাজাতে শরীক   পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের শুভেচ্ছা   জ্যেষ্ঠ সাংসদদের পাশে পাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী   গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় ১ জনের মৃত্যু   গ্রামীনফোন’র ঈদ আয়োজনে আয়নাবাজি : ৪টি চ্যানেল, ২০টি নাটক   বৃষ্টির দিনে যেমন পোশাক

সাকার দাফন সম্পন্ন : জানাজায় ছিলেন না দুই ভাই

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২২ ১১:১৮:৪৯

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : রোববার, ২২ নভেম্বর ২০১৫ ॥ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার তার পৈত্রিক বাড়িতে। সেখানেই বায়তুল বিলালের পারিবারিক কবরস্থানে রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার দাফন সম্পন্ন হয়।  এরআগে সকাল ৯টার দিকে তার মরদেহ পৌঁছায় সেখানে।

কঠোর পুলিশি প্রহরায় রাউজানের গহিরায় গ্রামের বাড়িতে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন না তার দুই ভাই বিএনপি নেতা গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামালউদ্দিন কাদের চৌধুরী।

সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার মাজহার বিপ্লবের কাছ থেকে সাকার মরদেহ বুঝে নেন তার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী। এর মিনিট দশেক পরেই সাকার জানাজার নামাজ পড়া হয়। হেফাজত ইসলামের সিনিয়র নায়েবে আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী জানাজার নামাজ পড়ান। 

এ সময় সাকার পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ স্বজনরা উপস্থিত থাকলেও ছিলেন না তার আপন দুই ভাই গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামাল উদ্দিন কাদের চৌধুরী। জানাজায় অংশ নেননি সাকার চাচাত ভাই ও আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীও। তবে তার ছেলে এবিএম ফয়েজ কাদের চৌধুরী ছিলেন সেখানে।

সাকার পরিবারের লোকজন জানান, বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য গায়েবানা জানাজায় অংশ নেবেন তারা। সকালে ফ্লাইট না পাওয়ায় তারা জানাজায় অংশ নিতে পারেননি।

জানা যায়, সাকা চৌধুরীরা চার ভাই ছিলেন। এর মধ্যে সাকাই সবার বড়। তার একভাই সাইফুদ্দিন কাদের চৌধুরী গত এপ্রিলে মারা গেছেন।

গিয়াস কাদের বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও জামাল কাদের রাজনীতি করেন না। গিয়াস বর্তমানে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

এদিকে মূল পারিবারিক কবরস্থানে জায়গা না থাকায় নতুন কবরস্থানে সাকা চৌধুরীকে দাফন করা হয়।

এর আগে শনিবার রাত ৩টার পর থেকে সেখানে পুলিশ পাহারায় কবর খোঁড়া শুরু হয়। সাত থেকে আটক জন গোড়খোদক খননের কাজ করেন।

তবে দাফনের আগে তার জানাজা নিয়ে শুরু হয় উত্তেজনা। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরে গহিরা কলেজ মাঠে জানাজা আয়োজন করতে চায় স্থানীয়রা। তবে প্রশাসনের বাধায় তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে তার বাড়ির পাশেই জানাজার নামাজ পড়া হয়। 

এদিকে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মরদেহ প্রতিরোধে রাউজান উপজেলার প্রবেশ পথসহ বিভিন্ন পয়েন্টে মধ্যরাত পর্যন্ত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও মুক্তিযোদ্ধারা অবস্থান নিলেও পরে পুলিশের তৎপরতায় তারা সরে যায়।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ডেস্ক/টিআই-আর

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত