সর্বশেষ

  হাওরবাসীর দুর্যোগ নিয়ে তামাশা করবেন না   “আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, আমার কোন চাওয়া পাওয়া নেই”   গোলাপগঞ্জে বিদ্যুতায়িত হয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু   রশিদিয়া দাখিল মাদরাসায় বিশ্ব বই দিবস উদযাপন   এনইইউবিতে ‘ক্যারিয়ার ক্লাব’র যাত্রা শুরু   ধর্মপাশা সদর ইউনিয়নের বাজেট ঘোষণা   জামালগঞ্জে এক কিশোরীর দুই জন্ম নিবন্ধন: বাল্যবিবাহ সম্পন্ন, এলাকায় তোলপাড়   বিশ্বনাথে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালী   কাউন্সিলর আফতাবকে ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের সংর্বধনা   সব চেষ্টা ব্যর্থ, তলিয়ে গেল শনি: হাওরপাড়ে চলছে কৃষকের আহাজারি   হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পাবে মাসে ৩০ কেজি চাল ও নগদ অর্থ   মহাজনী ও এনজিও ঋনের চাপ: সব হারিয়ে দিশেহারা হাওরবাসী   বাবাকে ছাপিয়ে যেতে চান টাইগার শ্রফ   বাজারে আসুসের তিন জেনফোন   সুনামগঞ্জে শনির হাওরের বাঁধে ৩টি স্থানে ভাঙন   মহামতি লেনিনের জন্মবার্ষিকীতে সিলেটে লাল পতাকা মিছিল   ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে   লাখাইয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতার   আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন তারেকের শাশুড়ি সিলেটের সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু   শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি হয়েছে : সিলেটে খাদ্যমন্ত্রী

সাকার দাফন সম্পন্ন : জানাজায় ছিলেন না দুই ভাই

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২২ ১১:১৮:৪৯

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : রোববার, ২২ নভেম্বর ২০১৫ ॥ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার তার পৈত্রিক বাড়িতে। সেখানেই বায়তুল বিলালের পারিবারিক কবরস্থানে রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার দাফন সম্পন্ন হয়।  এরআগে সকাল ৯টার দিকে তার মরদেহ পৌঁছায় সেখানে।

কঠোর পুলিশি প্রহরায় রাউজানের গহিরায় গ্রামের বাড়িতে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন না তার দুই ভাই বিএনপি নেতা গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামালউদ্দিন কাদের চৌধুরী।

সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার মাজহার বিপ্লবের কাছ থেকে সাকার মরদেহ বুঝে নেন তার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী। এর মিনিট দশেক পরেই সাকার জানাজার নামাজ পড়া হয়। হেফাজত ইসলামের সিনিয়র নায়েবে আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী জানাজার নামাজ পড়ান। 

এ সময় সাকার পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ স্বজনরা উপস্থিত থাকলেও ছিলেন না তার আপন দুই ভাই গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামাল উদ্দিন কাদের চৌধুরী। জানাজায় অংশ নেননি সাকার চাচাত ভাই ও আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীও। তবে তার ছেলে এবিএম ফয়েজ কাদের চৌধুরী ছিলেন সেখানে।

সাকার পরিবারের লোকজন জানান, বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য গায়েবানা জানাজায় অংশ নেবেন তারা। সকালে ফ্লাইট না পাওয়ায় তারা জানাজায় অংশ নিতে পারেননি।

জানা যায়, সাকা চৌধুরীরা চার ভাই ছিলেন। এর মধ্যে সাকাই সবার বড়। তার একভাই সাইফুদ্দিন কাদের চৌধুরী গত এপ্রিলে মারা গেছেন।

গিয়াস কাদের বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও জামাল কাদের রাজনীতি করেন না। গিয়াস বর্তমানে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

এদিকে মূল পারিবারিক কবরস্থানে জায়গা না থাকায় নতুন কবরস্থানে সাকা চৌধুরীকে দাফন করা হয়।

এর আগে শনিবার রাত ৩টার পর থেকে সেখানে পুলিশ পাহারায় কবর খোঁড়া শুরু হয়। সাত থেকে আটক জন গোড়খোদক খননের কাজ করেন।

তবে দাফনের আগে তার জানাজা নিয়ে শুরু হয় উত্তেজনা। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরে গহিরা কলেজ মাঠে জানাজা আয়োজন করতে চায় স্থানীয়রা। তবে প্রশাসনের বাধায় তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে তার বাড়ির পাশেই জানাজার নামাজ পড়া হয়। 

এদিকে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মরদেহ প্রতিরোধে রাউজান উপজেলার প্রবেশ পথসহ বিভিন্ন পয়েন্টে মধ্যরাত পর্যন্ত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও মুক্তিযোদ্ধারা অবস্থান নিলেও পরে পুলিশের তৎপরতায় তারা সরে যায়।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ডেস্ক/টিআই-আর

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত