সর্বশেষ

  জাকির হোসেনের সহায়তায় ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত রুমা ভারতে : চলতি সপ্তাহে অপারেশন   ভাস্কর্য অপসারণ ও শিক্ষক গ্রেফতারের প্রতিবাদে নিউইয়র্কে বিক্ষোভ   ভয়াবহ বিস্ফোরণ সাভারের ‘জঙ্গি আস্তানায়’   আর্জেন্টিনার কোচ সাম্পাওলিই   সাভারে ‘জঙ্গি আস্তানা’, পৌঁছেছে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল   ডাব দেবে গরমে সতেজ অনুভূতি   কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতকের দায়িত্ব নিলেন ওসি   গর্বিত রুনা লায়লা   হুমকিতে হাকালুকি হাওর এলাকার শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন   বড়লেখায় চেয়ারম্যান কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা   আবু সাঈদ হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে জাউয়ায় মানববন্ধন   আমাদের পরিচয় ঢাকা পড়ে গেছে বিদেশি পরিচয়ে : এম.এ মান্নান   ইসলামী ব্যাংকের সিলেট জোনের ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত   সহায়তার হাতে মলিন মুখে খুশির ঝিলিক   সুতাংয়ের ভূয়া ডা. বেলালকে গ্রেফতারের দাবি   জকিগঞ্জে এসএসসি উত্তীর্ণদের সংবর্ধনা   জগন্নাথপুরে আইডিয়াল ভিলেজ ফোরামের আত্মপ্রকাশ ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ   মৌলভীবাজারে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার   বিশ্বনাথে মসজিদে তালা : প্রতিবাদে মানববন্ধন   হাওরে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে চণ্ডিপুর অ্যাসোসিয়েশন ইউকে

সাকার দাফন সম্পন্ন : জানাজায় ছিলেন না দুই ভাই

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২২ ১১:১৮:৪৯

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : রোববার, ২২ নভেম্বর ২০১৫ ॥ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার তার পৈত্রিক বাড়িতে। সেখানেই বায়তুল বিলালের পারিবারিক কবরস্থানে রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার দাফন সম্পন্ন হয়।  এরআগে সকাল ৯টার দিকে তার মরদেহ পৌঁছায় সেখানে।

কঠোর পুলিশি প্রহরায় রাউজানের গহিরায় গ্রামের বাড়িতে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন না তার দুই ভাই বিএনপি নেতা গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামালউদ্দিন কাদের চৌধুরী।

সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার মাজহার বিপ্লবের কাছ থেকে সাকার মরদেহ বুঝে নেন তার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী। এর মিনিট দশেক পরেই সাকার জানাজার নামাজ পড়া হয়। হেফাজত ইসলামের সিনিয়র নায়েবে আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী জানাজার নামাজ পড়ান। 

এ সময় সাকার পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ স্বজনরা উপস্থিত থাকলেও ছিলেন না তার আপন দুই ভাই গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামাল উদ্দিন কাদের চৌধুরী। জানাজায় অংশ নেননি সাকার চাচাত ভাই ও আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীও। তবে তার ছেলে এবিএম ফয়েজ কাদের চৌধুরী ছিলেন সেখানে।

সাকার পরিবারের লোকজন জানান, বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য গায়েবানা জানাজায় অংশ নেবেন তারা। সকালে ফ্লাইট না পাওয়ায় তারা জানাজায় অংশ নিতে পারেননি।

জানা যায়, সাকা চৌধুরীরা চার ভাই ছিলেন। এর মধ্যে সাকাই সবার বড়। তার একভাই সাইফুদ্দিন কাদের চৌধুরী গত এপ্রিলে মারা গেছেন।

গিয়াস কাদের বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও জামাল কাদের রাজনীতি করেন না। গিয়াস বর্তমানে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

এদিকে মূল পারিবারিক কবরস্থানে জায়গা না থাকায় নতুন কবরস্থানে সাকা চৌধুরীকে দাফন করা হয়।

এর আগে শনিবার রাত ৩টার পর থেকে সেখানে পুলিশ পাহারায় কবর খোঁড়া শুরু হয়। সাত থেকে আটক জন গোড়খোদক খননের কাজ করেন।

তবে দাফনের আগে তার জানাজা নিয়ে শুরু হয় উত্তেজনা। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরে গহিরা কলেজ মাঠে জানাজা আয়োজন করতে চায় স্থানীয়রা। তবে প্রশাসনের বাধায় তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে তার বাড়ির পাশেই জানাজার নামাজ পড়া হয়। 

এদিকে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মরদেহ প্রতিরোধে রাউজান উপজেলার প্রবেশ পথসহ বিভিন্ন পয়েন্টে মধ্যরাত পর্যন্ত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও মুক্তিযোদ্ধারা অবস্থান নিলেও পরে পুলিশের তৎপরতায় তারা সরে যায়।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ডেস্ক/টিআই-আর

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত