সর্বশেষ

  কবি শান্ত খুমন আর নেই   কর্মসংস্থান ব্যাংক অফিসার্স এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনোজ রায়কে সংবর্ধনা প্রদান   ৫ পদে ৮ জন লোক নেবে সিলেট মহানগর পুলিশ   নবীগঞ্জে পল্লীবিদ্যুতের ‘ভুতুড়ে’ বিলের চাপে গ্রাহক, এলাকায় অসন্তোস   বীরপ্রতীক কাকন বিবির শয্যাপাশে মহানগর যুবলীগের নেতৃবৃন্দ   হবিগঞ্জে চার শিশু হত্যা মামলা: ৩ আসামির ফাঁসির রায়   বিয়ের আগে রাজনীতি বুঝতাম না: রিজিয়া নদভী   কলেজছাত্রীকে পেটানো সেই ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার   ওসমানীনগরের বেগমপুর শরৎ সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক আব্দুল লতিফ আর নেই   মোবাইল কোর্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে রাখার দাবি ডিসিদের   এবারের এইচএসসির ফলাফলে গোয়াইনঘাটের তোয়াকুল কলেজ শীর্ষে   বিয়ানীবাজারে জনতার হাতে প্রতারক আটক   রায় শোনার অপেক্ষায় সুন্দ্রাটিকি গ্রামের নিহত ৪ শিশুর পরিবার   সিলেটের আইকন খেলোয়াড় সাব্বির   ফেসবুকে ‘বিশ্বনাথীকে’ নিয়ে শিক্ষকের কটুক্তি : উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ   জগন্নাথপুরে খুন ও ডাকাতির মামলার আসামি গ্রেফতার   কুলাউড়ার বন্যাকবলিত এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎলাইন : দুর্ঘটনার আশঙ্কা   ধর্মপাশায় বিএনপির সদস্য সংগ্রহ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা   বিয়ানীবাজারে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু   ওসমানী মেডিকেল কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

একইসঙ্গে ফাঁসিতে ঝুললো সাকা-মুজাহিদ

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২২ ০১:০৫:২৫

আপডেট : ২০১৫-১১-২২ ০১:৩৫:৫৭

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : রোববার, ২২ নভেম্বর ২০১৫ ॥ একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে রায় কার্যকর করা হয়েছে।

শনিবার মধ্যরাতের কোনো এক সময় প্রথমে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং পরে মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্র।

এরা দু’জনেই রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়েছিলেন বলে আইনমন্ত্রী জানিয়েছিলেন এবং সে আবেদন নাকচও করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করে প্রাণভিক্ষা চাননি- সর্বশেষ সাক্ষাতে পরিবারের কাছে এটাই বলেছেন তারা।

ফাঁসি কার্যকরের পর নিয়মিত আনুষ্ঠানিকতা সেরে তাদের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হবে। পুলিশ ও র‍্যাবের বেশ কয়েকটি গাড়ি নিরাপত্তার জন্য মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স দুটির সঙ্গে পাঠানো হবে।

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিদের মধ্যে তৃতীয় ও চতুর্থ ব্যক্তি হিসেবে যথাক্রমে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মুজাহিদের রায় কার্যকর করা হলো।

এর আগে রাত ৮টা ৫৫ মিনিটের দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন ঢাকা জেলা প্রশাসক তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। তার আগে কারাগারে যান আইজি (প্রিজন) সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন, অতিরিক্ত আইজি (প্রিজন) কবির হোসেন ও ডিআইজি (প্রিজন) গোলাম হায়দার। জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ক ফরমান আলী আগে থেকেই কারাগারের ভেতরে ছিলেন বলে জানা যায়।

জল্লাদ
সাত জন জল্লাদ তাদের ফাঁসি কার্যকর করেছেন। এরা হলেন- ইকবাল, মাসুদ, আবুল, মোক্তার, রাজু, শাহজাহান ও হযরত। এসব জল্লাদ বিভিন্ন সময় ফাঁসি আসামিদের ফাঁসির দণ্ড কার্যকর করেন। এদের মধ্যে শাহজাহান ও রাজু যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লা ও কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরে অংশ নিয়েছিলেন।

অ্যাম্বুলেন্স
রাত ১২টা ৩১ মিনিটে লাশ বহন করে এমন চারটি ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স কারাগারের সামনে এনে রাখা হয়। ১২টা ৩৮ মিনিটে  অ্যাম্বুলেন্সগুলো কারাগারে প্রবেশ করে।

স্বজনদের সাক্ষাৎ
সর্বশেষ শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে শেষ দেখা করতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন তার স্বজনেরা। সোয়া এক ঘণ্টা পর তারা কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন। স্ত্রী-পুত্র-কন্যাসহ ১৮ জন স্বজন তার সঙ্গে দেখা করেন।

রাত ১০টা ২৫ মিনিটে আলী আহসান মুজাহিদের সঙ্গে শেষ দেখা করতে কারাগারে প্রবেশ করেন স্বজনরা। তারা ঘণ্টা পর বের হন। স্ত্রী ও ছেলেসহ ৮ জন স্বজন তার সঙ্গে দেখা করেন।

বাংলামেইল২৪ডটকম/ এসএম/ এসসি/ আইএ/ কেএম/ বাআই/ জেএ

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ডেস্ক/টিআই-আর

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত