সর্বশেষ

  ক্যাপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ   কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সিলেটের ৮ জন   সিলেটে ঘুড়ি উৎসব ২৮ জানুয়ারি   দিরাইয়ে জলমহাল দখল প্রতিযোগিতায় প্রাণ গেল ৩ শ্রমিকের : ৩২ ঘণ্টায়ও হয়নি মামলা   গোলাপগঞ্জে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ফেন্সিডিলসহ আটক ১   দক্ষিণ সুরমা থেকে অপরাধ নির্মূল করা হবে : এসএমপি কমিশনার   বাহুবলে ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড   ‘প্রধানমন্ত্রী দিন বদলের যে ঘোষণা দিয়েছিলেন ৮ বছরে তার অনেকটাই পূরণ হয়েছে’   দক্ষিণ সুরমা থেকে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার   নেপালের রাজধানী কাঠমুণ্ডুতে বাংলাদেশী পণ্যের একক বাণিজ্য মেলা   চারুমেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত   জগন্নাথপুরে চাঁদাবাজির মামলায় সংবাদকর্মী লাল মিয়া গ্রেফতার   ‘ছাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে’   জগন্নাথপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান   জৈন্তাপুরের শ্রীপুর পাথর কোয়ারীর জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া   শাবিতে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ক্রীড়া সপ্তাহ শুরু   জকিগঞ্জে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকার মাদক জব্দ   শাবির অধ্যাপক পদে বাছাই বোর্ড সম্পন্ন করতে হাইকোর্টের রুল   চণ্ডিছড়া চা বাগানে শ্রমিকদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ   শহরতলির শাহ্ খুররম কলেজ গেটে আমেরিকা প্রবাসীর বাসায় দুঃসাহসিক চুরি

নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাসের চিরবিদায়

প্রকাশিত : ২০১৫-০৪-১৩ ১৮:০১:২৮

উত্তরপূর্ব ডেস্ক, ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ॥ ইউরোপীয় সাহিত্যে যিনি জাদু বাস্তবতার তুলি বুলিয়েছিলেন, সেই নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাস আর নেই।
তার বইয়ের প্রকাশক সংস্থা স্টেইডেল জানিয়েছে, সোমবার জার্মানির উত্তরাঞ্চলের লুবেক শহরের এক হাসপাতালে এই ঔপন্যাসিকের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।  
গ্রাস ছিলেন একাধারে লেখক, কবি, চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর। তবে বিশ্বের পাঠক তাকে চেনে কালজয়ী উপন্যাস দ্য টিন ড্রামের লেখক হিসাবে।   
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আরও অনেক জার্মান যুবকের মত গ্রাসকেও বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হয়েছিল। সেই গ্রাসই ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত টিন ড্রামে জার্মানিকে মনে করিয়ে দেন নাৎসি বর্বরতা আর জার্মান ইতিহাসের এক পতনের অধ্যায়।
১৯৯৯ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের জন্য গ্রাসের নাম ঘোষণা করে সুইডিশ একাডেমির বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি তার অসামান্য লেখনিতে ইতিহাসের ভুলে যাওয়া মুখখানি এঁকেছেন।
চওড়া কাঁধ আর ঝোলা গোঁফের এই মানুষটির জন্ম ১৯২৭ সালে, পোল্যান্ডের ডানজিশে। সেখান থেকে জার্মানিতে যাওয়ার পর শুরু তার নতুন জীবন। পাথর খোদাই দিয়ে শুরু করে শিল্পকলার শিক্ষা নিতে নিতেই শুরু হয় তার সাহিত্যচর্চা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জার্মানিতে সাহিত্যিকরা যেখানে রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে রাখতে পছন্দ করতেন, গ্রাস সেখানে ছিলেন দারুণ ব্যাতিক্রম। তার মতে, মানবিক ও রাজনৈতিক বিতর্কের মীমাংসায় সামনের সারিতে থাকা একজন লেখকের দায়িত্ব।  
সাম্রাজ্যবাদ আর ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন গ্রাস; ইসরায়েলের সমালোচনায় একটি কবিতা লিখে ২০১২ সালে তাকে নিজের দেশেও বিতর্কের মুখে পড়তে হয়।
১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে স্ত্রী উটে গ্রাসকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন গুন্টার গ্রাস। পুরান ঢাকায় ঘুরে ঘুরে চিনতে চেষ্টা করেছেন নাগরিক বাঙালিকে। পরে আরেকবার বাংলাদেশে এসেছিলেন এই খ্যাতিমান লেখক।

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত