সর্বশেষ

  বিশ্বনাথে ইলিয়াসের সন্ধান কামনায় বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল   সিলেট-৫ আসনে খেলাফত মজলিসের এনামুল হাসান ছাবীরের প্রার্থীতা ঘোষণা   শোকদিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান   মাধবপুরে বিয়ে ঠেকাতে মায়ের বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীর অভিযোগ   ব্রিটেনিয়া হোটেলে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আম্বরখানা ব্যবসায়ী কমিটি   দিরাইয়ে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ নিয়ে মতবিনিময় সভা   দিরাইয়ে ৫ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবৈধ পদোন্নতির অভিযোগ: পুর্নাঙ্গ তদন্তে আসছেন এডিপিও   ফেঞ্চুগঞ্জে আইনশৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত   সিসিকের ৪৯৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ   কমলগঞ্জে ২টি লাশ উদ্ধার   অস্ত্রসহ একাধিক মামলার আসামী তানিম আহমেদ বাবুল কালিবাড়ি থেকে গ্রেফতার   ওসমানীনগরে ঈদ সামগ্রী ও ত্রাণ বিতরণে এগিয়ে এলো ২ দাতা সংস্থা   ওসমানীনগরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় নাসির বিড়িসহ আটক ২   মদনমোহন কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক ভিপি আলাউদ্দিন আহমদের মৃত্যুতে শোক   ছাত্রলীগ নেতা শাহীনের শয্যাপাশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান ও ব্যারিস্টার নওফেল   হবিগঞ্জে পাইপগানসহ ৩ শিবিরকর্মী গ্রেফতার : আহত ৩ পুলিশ   কানাডার অটোয়ায় বাংলাদেশ হাই-কমিশনে শোক দিবস পালন   চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ : ৫ গোলে কাবু বার্সেলোনা   ছেলে-মেয়েদের জন্যে বিমান টিকেট: মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন অর্থমন্ত্রী   সহকর্মীর মৃত্যুতে শাবি কর্মচারী ইউনিয়নের শোক

নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাসের চিরবিদায়

প্রকাশিত : ২০১৫-০৪-১৩ ১৮:০১:২৮

উত্তরপূর্ব ডেস্ক, ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ॥ ইউরোপীয় সাহিত্যে যিনি জাদু বাস্তবতার তুলি বুলিয়েছিলেন, সেই নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাস আর নেই।
তার বইয়ের প্রকাশক সংস্থা স্টেইডেল জানিয়েছে, সোমবার জার্মানির উত্তরাঞ্চলের লুবেক শহরের এক হাসপাতালে এই ঔপন্যাসিকের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।  
গ্রাস ছিলেন একাধারে লেখক, কবি, চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর। তবে বিশ্বের পাঠক তাকে চেনে কালজয়ী উপন্যাস দ্য টিন ড্রামের লেখক হিসাবে।   
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আরও অনেক জার্মান যুবকের মত গ্রাসকেও বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হয়েছিল। সেই গ্রাসই ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত টিন ড্রামে জার্মানিকে মনে করিয়ে দেন নাৎসি বর্বরতা আর জার্মান ইতিহাসের এক পতনের অধ্যায়।
১৯৯৯ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের জন্য গ্রাসের নাম ঘোষণা করে সুইডিশ একাডেমির বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি তার অসামান্য লেখনিতে ইতিহাসের ভুলে যাওয়া মুখখানি এঁকেছেন।
চওড়া কাঁধ আর ঝোলা গোঁফের এই মানুষটির জন্ম ১৯২৭ সালে, পোল্যান্ডের ডানজিশে। সেখান থেকে জার্মানিতে যাওয়ার পর শুরু তার নতুন জীবন। পাথর খোদাই দিয়ে শুরু করে শিল্পকলার শিক্ষা নিতে নিতেই শুরু হয় তার সাহিত্যচর্চা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জার্মানিতে সাহিত্যিকরা যেখানে রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে রাখতে পছন্দ করতেন, গ্রাস সেখানে ছিলেন দারুণ ব্যাতিক্রম। তার মতে, মানবিক ও রাজনৈতিক বিতর্কের মীমাংসায় সামনের সারিতে থাকা একজন লেখকের দায়িত্ব।  
সাম্রাজ্যবাদ আর ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন গ্রাস; ইসরায়েলের সমালোচনায় একটি কবিতা লিখে ২০১২ সালে তাকে নিজের দেশেও বিতর্কের মুখে পড়তে হয়।
১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে স্ত্রী উটে গ্রাসকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন গুন্টার গ্রাস। পুরান ঢাকায় ঘুরে ঘুরে চিনতে চেষ্টা করেছেন নাগরিক বাঙালিকে। পরে আরেকবার বাংলাদেশে এসেছিলেন এই খ্যাতিমান লেখক।

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত