সর্বশেষ

  সিলেটে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার আত্মসাৎ মামলায় দুই প্রকৌশলীর ৩ বছরের কারাদণ্ড   জঙ্গি মুসা কিনা জানতে সিলেটে মায়ের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ   শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চা করতে হবে : মুহাম্মদ জাফর ইকবাল   লিডিং ইউনিভার্সিটিতে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের কর্মশালা অনুষ্ঠিত   সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায়   সিলেটে বোমা বিস্ফোরণে আহত র‌্যাবের গোয়েন্দা প্রধান আর নেই   মৌলভীবাজারের নাসিরপুরের জঙ্গি আস্তানা থেকে ৪ শিশু, ২ নারী ও ১ পুরুষের লাশ উদ্ধার   কুমিল্লায় বিএনপি প্রার্থী মনিরুল জয়ী   তাহিরপুরের বাদাঘাটে শাহীন টেলিকমের র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত   তাহিরপুরে আলোকিত জাতি গঠনের দীপ্ত শপথ নিয়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন সম্পন্ন   সুনামগঞ্জ-২ আসনে ৫৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী ড. জয়া সেন   মৌলভীবাজারে মণিপুরীদের নববর্ষ উৎসব পালিত   দিরাইয়ে নৌকা নিয়ে অপ্রতিরোধ্য সুরঞ্জিত পত্নী জয়া: পাত্তাই পেলেন না রেজু   দিরাই-শাল্লা উপনির্বাচন: বিপুল ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে জয়া সেন   মৌলভীবাজারের নাসিরপুরে ৭ থেকে ৮ জঙ্গির মরদেহ: প্রেসব্রিফিংয়ে মনিরুল ইসলাম   দিরাই-শাল্লা উপ-নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন: ভোট গণনা শুরু   ডিএমসিবি’র ১২০তম দক্ষিণ সুরমা শাখার উদ্বোধন   এক দৃশ্যের জন্য ৩ কোটি রুপি?   মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ছাতকে কেয়ার-জিএসকে’র কর্মশালা সম্পন্ন   জকিগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ মাদক পাচারকারী আটক

নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাসের চিরবিদায়

প্রকাশিত : ২০১৫-০৪-১৩ ১৮:০১:২৮

উত্তরপূর্ব ডেস্ক, ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ॥ ইউরোপীয় সাহিত্যে যিনি জাদু বাস্তবতার তুলি বুলিয়েছিলেন, সেই নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাস আর নেই।
তার বইয়ের প্রকাশক সংস্থা স্টেইডেল জানিয়েছে, সোমবার জার্মানির উত্তরাঞ্চলের লুবেক শহরের এক হাসপাতালে এই ঔপন্যাসিকের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।  
গ্রাস ছিলেন একাধারে লেখক, কবি, চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর। তবে বিশ্বের পাঠক তাকে চেনে কালজয়ী উপন্যাস দ্য টিন ড্রামের লেখক হিসাবে।   
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আরও অনেক জার্মান যুবকের মত গ্রাসকেও বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হয়েছিল। সেই গ্রাসই ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত টিন ড্রামে জার্মানিকে মনে করিয়ে দেন নাৎসি বর্বরতা আর জার্মান ইতিহাসের এক পতনের অধ্যায়।
১৯৯৯ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের জন্য গ্রাসের নাম ঘোষণা করে সুইডিশ একাডেমির বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি তার অসামান্য লেখনিতে ইতিহাসের ভুলে যাওয়া মুখখানি এঁকেছেন।
চওড়া কাঁধ আর ঝোলা গোঁফের এই মানুষটির জন্ম ১৯২৭ সালে, পোল্যান্ডের ডানজিশে। সেখান থেকে জার্মানিতে যাওয়ার পর শুরু তার নতুন জীবন। পাথর খোদাই দিয়ে শুরু করে শিল্পকলার শিক্ষা নিতে নিতেই শুরু হয় তার সাহিত্যচর্চা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জার্মানিতে সাহিত্যিকরা যেখানে রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে রাখতে পছন্দ করতেন, গ্রাস সেখানে ছিলেন দারুণ ব্যাতিক্রম। তার মতে, মানবিক ও রাজনৈতিক বিতর্কের মীমাংসায় সামনের সারিতে থাকা একজন লেখকের দায়িত্ব।  
সাম্রাজ্যবাদ আর ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন গ্রাস; ইসরায়েলের সমালোচনায় একটি কবিতা লিখে ২০১২ সালে তাকে নিজের দেশেও বিতর্কের মুখে পড়তে হয়।
১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে স্ত্রী উটে গ্রাসকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন গুন্টার গ্রাস। পুরান ঢাকায় ঘুরে ঘুরে চিনতে চেষ্টা করেছেন নাগরিক বাঙালিকে। পরে আরেকবার বাংলাদেশে এসেছিলেন এই খ্যাতিমান লেখক।

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত