সর্বশেষ

  কোম্পানীগঞ্জ প্রবাসী সমাজকল্যাণ পরিষদের শীতবস্ত্র বিতরণ   একটি চক্রের হাতে যেন জিম্মি ছাতকের ৩ গ্রামের মানুষ!   রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ১৯ ফেব্রুয়ারি   কমলগঞ্জের ইসলামপুরে টিভি কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সম্পন্ন   ‘মাতৃমৃত্যু রোধে মিডওয়াইফদের ভূমিকা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ’   সাদিপুর ইউপি ছাত্রদলের নব-গঠিত কমিটিকে সংবর্ধনা   সারিঘাট প্রবাসী সমাজকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ   উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আ’লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে: সাফিয়া খাতুন   এমসি কলেজ ছাত্রাবাস: নেই অাগুনে পোড়া গন্ধ, আছে ফুলের ঘ্রাণ   বিশ্বনাথে ‘দৌলতপুর ইউনিয়ন প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ’র উদ্বোধন   সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে: শফিক চৌধুরী   দক্ষিণ সুরমায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইজতেমা ফেরত ৪ মুসল্লি নিহত   ‘সিলেট-২ আসনে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হবেন মুনতাসির আলী’   মুনতাসির আলীর সমর্থনে বিশ্বনাথে খেলাফত মজলিসের প্রচার মিছিল   প্রাণিসম্পদ সপ্তাহে বিশ্বনাথে র‌্যালি   কানাইঘাট প্রেসক্লাবের ভবন নির্মাণে তহবিল গঠনে সুধীজনদের নিয়ে সমাবেশ   বিশ্বনাথে ‘দৌলতপুর ইউনিয়ন প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ’র উদ্বোধন   আর্ত-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করছে ইয়াং স্টার : আশফাক আহমদ   কাল সিলেট আসছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ   ভাটি এলাকার কৃষি ও কৃষক রক্ষার দাবিত ঢাকায় মানববন্ধন

নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাসের চিরবিদায়

প্রকাশিত : ২০১৫-০৪-১৩ ১৮:০১:২৮

উত্তরপূর্ব ডেস্ক, ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ॥ ইউরোপীয় সাহিত্যে যিনি জাদু বাস্তবতার তুলি বুলিয়েছিলেন, সেই নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাস আর নেই।
তার বইয়ের প্রকাশক সংস্থা স্টেইডেল জানিয়েছে, সোমবার জার্মানির উত্তরাঞ্চলের লুবেক শহরের এক হাসপাতালে এই ঔপন্যাসিকের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।  
গ্রাস ছিলেন একাধারে লেখক, কবি, চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর। তবে বিশ্বের পাঠক তাকে চেনে কালজয়ী উপন্যাস দ্য টিন ড্রামের লেখক হিসাবে।   
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আরও অনেক জার্মান যুবকের মত গ্রাসকেও বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হয়েছিল। সেই গ্রাসই ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত টিন ড্রামে জার্মানিকে মনে করিয়ে দেন নাৎসি বর্বরতা আর জার্মান ইতিহাসের এক পতনের অধ্যায়।
১৯৯৯ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের জন্য গ্রাসের নাম ঘোষণা করে সুইডিশ একাডেমির বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি তার অসামান্য লেখনিতে ইতিহাসের ভুলে যাওয়া মুখখানি এঁকেছেন।
চওড়া কাঁধ আর ঝোলা গোঁফের এই মানুষটির জন্ম ১৯২৭ সালে, পোল্যান্ডের ডানজিশে। সেখান থেকে জার্মানিতে যাওয়ার পর শুরু তার নতুন জীবন। পাথর খোদাই দিয়ে শুরু করে শিল্পকলার শিক্ষা নিতে নিতেই শুরু হয় তার সাহিত্যচর্চা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জার্মানিতে সাহিত্যিকরা যেখানে রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে রাখতে পছন্দ করতেন, গ্রাস সেখানে ছিলেন দারুণ ব্যাতিক্রম। তার মতে, মানবিক ও রাজনৈতিক বিতর্কের মীমাংসায় সামনের সারিতে থাকা একজন লেখকের দায়িত্ব।  
সাম্রাজ্যবাদ আর ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন গ্রাস; ইসরায়েলের সমালোচনায় একটি কবিতা লিখে ২০১২ সালে তাকে নিজের দেশেও বিতর্কের মুখে পড়তে হয়।
১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে স্ত্রী উটে গ্রাসকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন গুন্টার গ্রাস। পুরান ঢাকায় ঘুরে ঘুরে চিনতে চেষ্টা করেছেন নাগরিক বাঙালিকে। পরে আরেকবার বাংলাদেশে এসেছিলেন এই খ্যাতিমান লেখক।

সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত