সর্বশেষ

  ভাস্কর্যটি সুপ্রিম কোর্টের বর্ধিত ভবনের সামনে পুনঃস্থাপন   ব্যক্তি উদ্যোগে কানাইঘাট পৌর সভার ভবানীগঞ্জ বাজার রাস্তার সংস্কারকাজ শুরু   মাধবপুরে একাধিক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার   বিশ্বনাথে এলাকাবাসীর সাথে প্রশাসনের বৈঠক   জগন্নাথপুরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ১৫   রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় দক্ষিণ সুরমা কাঠ ক্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির র‌্যালি   খাঁরপাড়া আরজাদ আলী জামে মসজিদের উদ্বোধন করলেন সিটি মেয়র   নুরুলের দাদীর শয্যাপাশে ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন সিলেটের নেতৃবৃন্দ   ৬ষ্ঠ ঘূর্ণী প্রিমিয়ার ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ   বিশ্বম্ভরপুরে বিএনপির আনন্দ মিছিল   জুড়ীতে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে   ভাস্কর্য সরানোর প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ   বড়লেখায় কাবিটা ও কাবিখা’র আওতায় দরিদ্র ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সোলার প্যানেল বিতরণ   মোগলাবাজারে শাহ জকনের ত্রাণ বিতরণ   অংকন টেলেন্টপুলে জিপিএ-৫ পেয়েছে   মৌলভীবাজারে হলুদে সেজেছে প্রকৃতি, কদমের মৌ মৌ গন্ধ   দিরাইয়ে দুর্গত মানুষের পাশে প্রবাসী শফিকুল   দেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে : দক্ষিণ সুনামগঞ্জে এম.এ মান্নান   ‘বেসামরিক নাগরিকদের চিকিৎসাসেবায় বাংলাদেশ বাস্তবভিত্তিক পদ্ধতি গ্রহণ করছে’   দীর্ঘ ৮ বছর পর মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির নতুন কমিটি: আনন্দ মিছিল

নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাসের চিরবিদায়

প্রকাশিত : ২০১৫-০৪-১৩ ১৮:০১:২৮

উত্তরপূর্ব ডেস্ক, ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ॥ ইউরোপীয় সাহিত্যে যিনি জাদু বাস্তবতার তুলি বুলিয়েছিলেন, সেই নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাস আর নেই।
তার বইয়ের প্রকাশক সংস্থা স্টেইডেল জানিয়েছে, সোমবার জার্মানির উত্তরাঞ্চলের লুবেক শহরের এক হাসপাতালে এই ঔপন্যাসিকের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।  
গ্রাস ছিলেন একাধারে লেখক, কবি, চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর। তবে বিশ্বের পাঠক তাকে চেনে কালজয়ী উপন্যাস দ্য টিন ড্রামের লেখক হিসাবে।   
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আরও অনেক জার্মান যুবকের মত গ্রাসকেও বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হয়েছিল। সেই গ্রাসই ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত টিন ড্রামে জার্মানিকে মনে করিয়ে দেন নাৎসি বর্বরতা আর জার্মান ইতিহাসের এক পতনের অধ্যায়।
১৯৯৯ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের জন্য গ্রাসের নাম ঘোষণা করে সুইডিশ একাডেমির বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি তার অসামান্য লেখনিতে ইতিহাসের ভুলে যাওয়া মুখখানি এঁকেছেন।
চওড়া কাঁধ আর ঝোলা গোঁফের এই মানুষটির জন্ম ১৯২৭ সালে, পোল্যান্ডের ডানজিশে। সেখান থেকে জার্মানিতে যাওয়ার পর শুরু তার নতুন জীবন। পাথর খোদাই দিয়ে শুরু করে শিল্পকলার শিক্ষা নিতে নিতেই শুরু হয় তার সাহিত্যচর্চা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জার্মানিতে সাহিত্যিকরা যেখানে রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে রাখতে পছন্দ করতেন, গ্রাস সেখানে ছিলেন দারুণ ব্যাতিক্রম। তার মতে, মানবিক ও রাজনৈতিক বিতর্কের মীমাংসায় সামনের সারিতে থাকা একজন লেখকের দায়িত্ব।  
সাম্রাজ্যবাদ আর ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন গ্রাস; ইসরায়েলের সমালোচনায় একটি কবিতা লিখে ২০১২ সালে তাকে নিজের দেশেও বিতর্কের মুখে পড়তে হয়।
১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে স্ত্রী উটে গ্রাসকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন গুন্টার গ্রাস। পুরান ঢাকায় ঘুরে ঘুরে চিনতে চেষ্টা করেছেন নাগরিক বাঙালিকে। পরে আরেকবার বাংলাদেশে এসেছিলেন এই খ্যাতিমান লেখক।

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত