সর্বশেষ

  মৌলভীবাজারে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক ৩   সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার আর নেই: এমপি মানিকের শোক   ছাতকে আওয়ামী লীগ নেত্রীর মাতৃ বিয়োগ : এমপিসহ বিভিন্ন মহলের শোক   বিশ্বনাথের খেলাফত মজলিসের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন   বিশ্বনাথে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১   শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে আজ দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ :শফিক চৌধুরী   সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু   মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৩ ভাইয়ের মৃত্যু   সিলেটে ছাত্রলীগ কর্মী মিন্নতের কব্জিকর্তন মামলার প্রধান আসামী শাহীনসহ গ্রেফতার ২   ছাতকে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের   কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি-লিট ডিগ্রি পেলেন শেখ হাসিনা   ছাতকে পৃথক সংঘর্ষে আহত ৫০, গ্রেফতার ১   জকিগঞ্জে ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার   এতিমদের নিয়ে ক্যাডেট কলেজ ক্লাব সিলেটের ইফতার মাহফিল   শাবিতে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ওয়েবসাইট উদ্বোধন   শাবির স্বপ্নোত্থানের ঈদবস্ত্র বিতরণ   সেই কলকাতাকে হারিয়ে ফাইনালে সাকিবদের হায়দরাবাদ   ‘আদর্শ সমাজ গঠনে রমজানের শিক্ষাকে কাজে লাগাতে হবে’   সাচনা বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানপাঠ পরিদর্শনে রঞ্জিত সরকার   জামালগঞ্জে আগুনে পুড়ে ছাই ৯ দোকান: দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাসের চিরবিদায়

প্রকাশিত : ২০১৫-০৪-১৩ ১৮:০১:২৮

উত্তরপূর্ব ডেস্ক, ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ॥ ইউরোপীয় সাহিত্যে যিনি জাদু বাস্তবতার তুলি বুলিয়েছিলেন, সেই নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাস আর নেই।
তার বইয়ের প্রকাশক সংস্থা স্টেইডেল জানিয়েছে, সোমবার জার্মানির উত্তরাঞ্চলের লুবেক শহরের এক হাসপাতালে এই ঔপন্যাসিকের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।  
গ্রাস ছিলেন একাধারে লেখক, কবি, চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর। তবে বিশ্বের পাঠক তাকে চেনে কালজয়ী উপন্যাস দ্য টিন ড্রামের লেখক হিসাবে।   
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আরও অনেক জার্মান যুবকের মত গ্রাসকেও বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হয়েছিল। সেই গ্রাসই ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত টিন ড্রামে জার্মানিকে মনে করিয়ে দেন নাৎসি বর্বরতা আর জার্মান ইতিহাসের এক পতনের অধ্যায়।
১৯৯৯ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের জন্য গ্রাসের নাম ঘোষণা করে সুইডিশ একাডেমির বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি তার অসামান্য লেখনিতে ইতিহাসের ভুলে যাওয়া মুখখানি এঁকেছেন।
চওড়া কাঁধ আর ঝোলা গোঁফের এই মানুষটির জন্ম ১৯২৭ সালে, পোল্যান্ডের ডানজিশে। সেখান থেকে জার্মানিতে যাওয়ার পর শুরু তার নতুন জীবন। পাথর খোদাই দিয়ে শুরু করে শিল্পকলার শিক্ষা নিতে নিতেই শুরু হয় তার সাহিত্যচর্চা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জার্মানিতে সাহিত্যিকরা যেখানে রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে রাখতে পছন্দ করতেন, গ্রাস সেখানে ছিলেন দারুণ ব্যাতিক্রম। তার মতে, মানবিক ও রাজনৈতিক বিতর্কের মীমাংসায় সামনের সারিতে থাকা একজন লেখকের দায়িত্ব।  
সাম্রাজ্যবাদ আর ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন গ্রাস; ইসরায়েলের সমালোচনায় একটি কবিতা লিখে ২০১২ সালে তাকে নিজের দেশেও বিতর্কের মুখে পড়তে হয়।
১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে স্ত্রী উটে গ্রাসকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন গুন্টার গ্রাস। পুরান ঢাকায় ঘুরে ঘুরে চিনতে চেষ্টা করেছেন নাগরিক বাঙালিকে। পরে আরেকবার বাংলাদেশে এসেছিলেন এই খ্যাতিমান লেখক।

সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত