সর্বশেষ

  সুনামগঞ্জসহ সারাদেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের লিজ বাতিল ও কর্মসংস্থানের দাবিতে মানববন্ধন   ফ্রেন্ডস পাওয়ার স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ   জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু রিয়াজের চিকিৎসার জন্য অনুদান   অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম.এ মান্নান ৩ দিনের সফরে সুনামগঞ্জে আসছেন আজ   জগন্নাথপুরে চালের বরাদ্দ দিগুণ করা হলেও বাড়েনি বিক্রয় কেন্দ্র   ২০ দিন ধরে সারী ও বড়গাং নদীর রয়েল্টি বঞ্চিত ইজারাদার   গোয়াইনঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিজেই রোগী   অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর জাউয়ার ব্যবসায়ীর অভিযোগ   ওসমানী বিমানবন্দরে ৬০ লাখ টাকার সিগারেট আটক   যুক্তরাষ্ট্র যাত্রা উপলক্ষে সাংবাদিক তুহিন চৌধুরীকে জেলা প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা   সিলেটে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত   শিবের বাজার আদর্শ ব্যবসায়ী সংস্থার ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন শনিবার   দক্ষিণ সুরমায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু   মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওরে ২৬ কোটি ১০ লাখ টাকার ক্ষতি   কান্দিগাঁও ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সম্পন্ন   তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট পূর্ব জেলার কাউন্সিল সম্পন্ন   শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান রনধীর দেব পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি মনোনীত   রোববার শাল্লা আসছেন শেখ হাসিনা: স্বাগত জানাতে ব্যাপক প্রস্তুতি   শ্রীমঙ্গলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে : আহত ১৪   ভোগের নয়, আ’লীগের রাজনীতি ত্যাগের: বিশ্বনাথে সংবর্ধনা সভায় শফিক চৌধুরী

নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাসের চিরবিদায়

প্রকাশিত : ২০১৫-০৪-১৩ ১৮:০১:২৮

উত্তরপূর্ব ডেস্ক, ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ॥ ইউরোপীয় সাহিত্যে যিনি জাদু বাস্তবতার তুলি বুলিয়েছিলেন, সেই নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাস আর নেই।
তার বইয়ের প্রকাশক সংস্থা স্টেইডেল জানিয়েছে, সোমবার জার্মানির উত্তরাঞ্চলের লুবেক শহরের এক হাসপাতালে এই ঔপন্যাসিকের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।  
গ্রাস ছিলেন একাধারে লেখক, কবি, চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর। তবে বিশ্বের পাঠক তাকে চেনে কালজয়ী উপন্যাস দ্য টিন ড্রামের লেখক হিসাবে।   
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আরও অনেক জার্মান যুবকের মত গ্রাসকেও বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হয়েছিল। সেই গ্রাসই ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত টিন ড্রামে জার্মানিকে মনে করিয়ে দেন নাৎসি বর্বরতা আর জার্মান ইতিহাসের এক পতনের অধ্যায়।
১৯৯৯ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের জন্য গ্রাসের নাম ঘোষণা করে সুইডিশ একাডেমির বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি তার অসামান্য লেখনিতে ইতিহাসের ভুলে যাওয়া মুখখানি এঁকেছেন।
চওড়া কাঁধ আর ঝোলা গোঁফের এই মানুষটির জন্ম ১৯২৭ সালে, পোল্যান্ডের ডানজিশে। সেখান থেকে জার্মানিতে যাওয়ার পর শুরু তার নতুন জীবন। পাথর খোদাই দিয়ে শুরু করে শিল্পকলার শিক্ষা নিতে নিতেই শুরু হয় তার সাহিত্যচর্চা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জার্মানিতে সাহিত্যিকরা যেখানে রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে রাখতে পছন্দ করতেন, গ্রাস সেখানে ছিলেন দারুণ ব্যাতিক্রম। তার মতে, মানবিক ও রাজনৈতিক বিতর্কের মীমাংসায় সামনের সারিতে থাকা একজন লেখকের দায়িত্ব।  
সাম্রাজ্যবাদ আর ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন গ্রাস; ইসরায়েলের সমালোচনায় একটি কবিতা লিখে ২০১২ সালে তাকে নিজের দেশেও বিতর্কের মুখে পড়তে হয়।
১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে স্ত্রী উটে গ্রাসকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন গুন্টার গ্রাস। পুরান ঢাকায় ঘুরে ঘুরে চিনতে চেষ্টা করেছেন নাগরিক বাঙালিকে। পরে আরেকবার বাংলাদেশে এসেছিলেন এই খ্যাতিমান লেখক।

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত