সর্বশেষ

  সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের অপসারণ দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ধর্মঘট   মাধবপুরে ৪ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার   তারেক-মিশুক নিহতের মামলায় চালকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড   সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর সিলেট আসছেন আজ : যোগ দেবেন সংস্কৃতি উৎসবে   কানাইঘাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালিত   বৃটেন প্রবাসী বাঙালিরা বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় স্মরণ করল ভাষাশহীদদের   উলালমহল পূর্বপাড়া একতা সমিতির বার্ষিক ক্রীড়ার পুরস্কার বিতরণ   দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ক্রিকেট টুর্নামেন্টর পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   দক্ষিণ সুনামগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি   বিশ্বনাথে ১০ মামলার আসামী ডাকাত আবুল গ্রেপ্তার   মাতৃভাষা দিবসে বিশ্বনাথে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভা   সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার : আজও চালু হয়নি পাঠাগার ও মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রহশালা   এমপি লিটন হত্যা : সুন্দরগঞ্জের সাবেক এমপি কাদের গ্রেপ্তার   শানে রিসালত মহাসম্মেলন সফলের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা কাল   আরডিআরএস বাংলাদেশ শ্রীমঙ্গল ইউনিটের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি   জেদ্দায় যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত   লাখো মোমবাতি জ্বালিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ   বলদী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন   দক্ষিণ এশিয়ান সাহিত্য সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন মাইস্নাম রাজেশ   বাইসাইকেলে বরযাত্রা!

নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাসের চিরবিদায়

প্রকাশিত : ২০১৫-০৪-১৩ ১৮:০১:২৮

উত্তরপূর্ব ডেস্ক, ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ॥ ইউরোপীয় সাহিত্যে যিনি জাদু বাস্তবতার তুলি বুলিয়েছিলেন, সেই নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাস আর নেই।
তার বইয়ের প্রকাশক সংস্থা স্টেইডেল জানিয়েছে, সোমবার জার্মানির উত্তরাঞ্চলের লুবেক শহরের এক হাসপাতালে এই ঔপন্যাসিকের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।  
গ্রাস ছিলেন একাধারে লেখক, কবি, চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর। তবে বিশ্বের পাঠক তাকে চেনে কালজয়ী উপন্যাস দ্য টিন ড্রামের লেখক হিসাবে।   
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আরও অনেক জার্মান যুবকের মত গ্রাসকেও বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হয়েছিল। সেই গ্রাসই ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত টিন ড্রামে জার্মানিকে মনে করিয়ে দেন নাৎসি বর্বরতা আর জার্মান ইতিহাসের এক পতনের অধ্যায়।
১৯৯৯ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের জন্য গ্রাসের নাম ঘোষণা করে সুইডিশ একাডেমির বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি তার অসামান্য লেখনিতে ইতিহাসের ভুলে যাওয়া মুখখানি এঁকেছেন।
চওড়া কাঁধ আর ঝোলা গোঁফের এই মানুষটির জন্ম ১৯২৭ সালে, পোল্যান্ডের ডানজিশে। সেখান থেকে জার্মানিতে যাওয়ার পর শুরু তার নতুন জীবন। পাথর খোদাই দিয়ে শুরু করে শিল্পকলার শিক্ষা নিতে নিতেই শুরু হয় তার সাহিত্যচর্চা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জার্মানিতে সাহিত্যিকরা যেখানে রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে রাখতে পছন্দ করতেন, গ্রাস সেখানে ছিলেন দারুণ ব্যাতিক্রম। তার মতে, মানবিক ও রাজনৈতিক বিতর্কের মীমাংসায় সামনের সারিতে থাকা একজন লেখকের দায়িত্ব।  
সাম্রাজ্যবাদ আর ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন গ্রাস; ইসরায়েলের সমালোচনায় একটি কবিতা লিখে ২০১২ সালে তাকে নিজের দেশেও বিতর্কের মুখে পড়তে হয়।
১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে স্ত্রী উটে গ্রাসকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন গুন্টার গ্রাস। পুরান ঢাকায় ঘুরে ঘুরে চিনতে চেষ্টা করেছেন নাগরিক বাঙালিকে। পরে আরেকবার বাংলাদেশে এসেছিলেন এই খ্যাতিমান লেখক।

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত