সর্বশেষ

  সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কর্মসূচি পালিত   আম্বরখানায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ ও অটোরিক্সা শ্রমিকদের সংঘর্ষ: আহত ৬   রাজনগরে যৌতুকের দায়ে বিয়ে ভঙ্গ: অভিমানে যুবতীর আত্মহত্যা   তারেক রহমানের জন্মদিনে ছাত্রদলের শোভাযাত্রা ও মিন্টুর মুক্তির দাবি   বিশ্বনাথে ওসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্তের অভিযোগ কলেজছাত্রীর   “গ্রাম আদালত গ্রামের মানুষের আদালত”   মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল: এমপি মানিক   চেষ্টা করলেও ইতিহাস বদলানো যায় না: শেখ হাসিনা   খাদিমপাড়ায় অবৈধভাবে পাহাড় কাটার দায়ে একজনকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা   শাহ খুররম ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক জাকির হোসেন   কুলাউড়া উপজেলা যুবলীগের সম্মেলন সম্পন্ন: নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় নেতাকর্মীরা   সিলেট মেরিট কেয়ার একাডেমির ম্যানেজিং কমিটি গঠন   সিলেট সদর উপজেলা জমিয়তের কাউন্সিল সম্পন্ন   আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলেই সামাজিক শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব: আসাদ উদ্দিন আহমদ   এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে অগ্নিসংযোগে ছাত্রলীগ: গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি   মৌলভীবাজারে কলেজছাত্রীর ওপর হামলা, আটক ১   বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহাসিক স্মারক   ১১ বছর পর আজ কুলাউড়া উপজেলা যুবলীগের সম্মেলন   ইলিয়াস আলীর সন্ধানে বিশ্বনাথে বিএনপি দু’গ্রুপের পৃথক মিছিল-সভা   দক্ষিণ সুরমার বীর মুক্তিযোদ্ধা অনিল সিংহ বর্মণকে রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাসের চিরবিদায়

প্রকাশিত : ২০১৫-০৪-১৩ ১৮:০১:২৮

উত্তরপূর্ব ডেস্ক, ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ॥ ইউরোপীয় সাহিত্যে যিনি জাদু বাস্তবতার তুলি বুলিয়েছিলেন, সেই নোবেল বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাস আর নেই।
তার বইয়ের প্রকাশক সংস্থা স্টেইডেল জানিয়েছে, সোমবার জার্মানির উত্তরাঞ্চলের লুবেক শহরের এক হাসপাতালে এই ঔপন্যাসিকের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।  
গ্রাস ছিলেন একাধারে লেখক, কবি, চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর। তবে বিশ্বের পাঠক তাকে চেনে কালজয়ী উপন্যাস দ্য টিন ড্রামের লেখক হিসাবে।   
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আরও অনেক জার্মান যুবকের মত গ্রাসকেও বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হয়েছিল। সেই গ্রাসই ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত টিন ড্রামে জার্মানিকে মনে করিয়ে দেন নাৎসি বর্বরতা আর জার্মান ইতিহাসের এক পতনের অধ্যায়।
১৯৯৯ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের জন্য গ্রাসের নাম ঘোষণা করে সুইডিশ একাডেমির বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি তার অসামান্য লেখনিতে ইতিহাসের ভুলে যাওয়া মুখখানি এঁকেছেন।
চওড়া কাঁধ আর ঝোলা গোঁফের এই মানুষটির জন্ম ১৯২৭ সালে, পোল্যান্ডের ডানজিশে। সেখান থেকে জার্মানিতে যাওয়ার পর শুরু তার নতুন জীবন। পাথর খোদাই দিয়ে শুরু করে শিল্পকলার শিক্ষা নিতে নিতেই শুরু হয় তার সাহিত্যচর্চা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জার্মানিতে সাহিত্যিকরা যেখানে রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে রাখতে পছন্দ করতেন, গ্রাস সেখানে ছিলেন দারুণ ব্যাতিক্রম। তার মতে, মানবিক ও রাজনৈতিক বিতর্কের মীমাংসায় সামনের সারিতে থাকা একজন লেখকের দায়িত্ব।  
সাম্রাজ্যবাদ আর ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন গ্রাস; ইসরায়েলের সমালোচনায় একটি কবিতা লিখে ২০১২ সালে তাকে নিজের দেশেও বিতর্কের মুখে পড়তে হয়।
১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে স্ত্রী উটে গ্রাসকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন গুন্টার গ্রাস। পুরান ঢাকায় ঘুরে ঘুরে চিনতে চেষ্টা করেছেন নাগরিক বাঙালিকে। পরে আরেকবার বাংলাদেশে এসেছিলেন এই খ্যাতিমান লেখক।

সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত