সর্বশেষ

  মিঠু ব্যাংকার হতে চায়   আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা : মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত রায় প্রকাশ   ওসমানীনগরে যুবকের আত্মহত্যা   চলে গেলেন প্রখ্যাত অভিনেত্রী গীতা সেন   সিলেট সোসিও ইকোনোমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন কমিটি পুনর্গঠন   ফেঞ্চুগঞ্জে নবগঠিত উপজেলা ছাত্রলীগ দু’টি ধারায় বিভক্ত   ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স : লোকবল ও যন্ত্রপাতির অভাবে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত   আদালতে জাকারবার্গ, অস্বীকার করলেন অভিযোগ   সাক্ষী না আসায় পেছালো কিবরিয়া হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ   শ্রীমঙ্গলে তক্ষক পাচারকারী চক্রকে কারাদণ্ডসহ জরিমানা   কাদের সিদ্দিকীর আপিল খারিজ : বাধা নেই উপনির্বাচনে   বালাগঞ্জ উপজেলায় অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী আজ   সিলেট জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ   হবিগঞ্জে ডিজিটাল মেলার প্রতি তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে হবে : জেলা প্রশাসক সাবিনা   ডব্লিউইএফের সভায় প্রধানমন্ত্রী   হবিগঞ্জে বর্ণিল আলোয় উদ্বোধন হল অস্কার এমপি আবু জাহির টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট   ‘মতিউর রহমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন’   হাওর অঞ্চলের শিক্ষকদেরকে আরো দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে : জেলা প্রশাসক   কাউন্সিলর আজাদ কাপ ফুটসালের মঙ্গলবারের ৬টি খেলা সম্পন্ন   রিকাবীবাজারে বৃহৎ পানির স্তরের সন্ধান

সে এক না দেখা জীবন

-সিপাহী রেজা

প্রকাশিত : ২০১৫-০৭-২৯ ২৩:৫০:১৯

আপডেট : ২০১৫-০৭-২৯ ২৩:৫৭:২৮

সাহিত্য ডেস্ক : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০১৫ ॥ জীবন গেলো। তাও গেলো সে বহু বছর আগে কোনো একদিন। ধাক্কা লেগেছে, অথবা কে জানে জীবনই ছুটে গিয়েছিল কিনা সে ধাক্কার কবলে, কে জানে! জীবন যায় এভাবেই, বহুবছর আগের মতো করে এখনো যায়। জগত ভেঙে অন্য জগতে কিংবা কোথাও না, শুধু অনন্ত পড়ে থাকা শূন্য সময়ে- যেদিকে জীবনের ভাষা ছিল, তার মতো করে অন্যদের জীবন ছিল অথবা অন্যদের মতো করে যার কিছু ছিল না। সেসব না থাকার কথা থেকে গেছে কবিতা হয়ে। কবিতার কি তাহলে এক জীবন আছে, যার যার জীবনের মতো? কতকিছুই তো থেকে গেছে, বহুল পঠিত সেইসব পেঁচা থেকে গেছে, চিল, দুপুরের, রাতের, ফাল্গুনের, কীর্তনখোলা শুয়ে আছে এখনো। কিছু কিছু আবার সেতু হয়ে ঝুলে আছে চলে যাওয়া সে জীবন আর এসব বেঁচে যাওয়া সব জীবনের মাঝে। সেসব সেতুরও জীবন আছে হয়ত, সে জীবন ফড়িঙের মতো দোয়েলের মতো, মানুষের সাথে যার দেখা হয় না। সে এক না দেখা জীবন।

বহুকাল পর্যন্ত জীবনবাবুর একটি কি দুইটি ফটোগ্রাফ দেখেছে মানুষ। জীবনবাবুর কবিতা পড়লে যে ছবি ফুটে উঠত তা এ বাংলার, তা এ বাংলার মধ্যে অনেকেরই না দেখা বাংলা। বড় বড় পাথরের ফাঁক ফোঁকরে থেকে যাওয়া ছোট ছোট নুড়িও যে দুইটি হাত ভরে স্থান নিতে পারে তা দেখিয়েছে জীবনানন্দ দাশ। কিন্তু জীবনবাবুর ছবিকে তো আর উলটে পালটে দেখা যায়নি। গানের দল ‘মেঘদল’ এর শিবু কুমার শীল একবার জীবনবাবুর একটি ছবিতে বিভিন্ন রঙ মেখে আলাদা আলাদা সেসব রঙিন ছবি পাশাপাশি বসিয়ে বৈচিত্র্য সৃষ্টি করেছিলেন।

অনেকেই এমন করতে চায়, যে এতো কিছু দেখিয়েছে ভাষায়, কবিতায়, জীবনে, তাকে নানাভাবে দেখতে চায়। তাই জীবনানন্দ দাশের আরো একটি ছবি খুঁজে পাওয়া মানে অনেক কিছু। তেমনি একটি ছবি যা কবির মৃত্যুর এক বছর আগে ১৯৫৩ সালে তোলা হয়েছিল দিল্লির রাজঘাটে। সে ছবিটি সবাইকে দেখানোটা সৌভাগ্য হিসেবেই দেখছি। ডানদিকের সাদাকালো ছবিটি দেখুন।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/এসবি

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত