সর্বশেষ

  ঢাবির রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট নির্বাচন: আ.লীগপন্থী ২৪, বিএনপিপন্থীরা ১টিতে জয়ী   প্রধানমন্ত্রীর সিলেট আগমন উপলক্ষ্যে মহানগর শ্রমিকলীগের সভা   অর্থমন্ত্রীর জীবনী ডকুমেন্টারিতে সুযোগ পেল মুক্তাক্ষরের শিক্ষার্থীরা   জাগো সিলেট আন্দোলনের আলোচনা সভা   দক্ষিণ সুনামগঞ্জে দি হাঙ্গার প্রজেক্টেরে আলোচনা সভা   দক্ষিণ সুরমায় ২য় দিনের মত সিএইচসিপিদের কর্মবিরতি পালন   আম্বরখানার মণিপুরি পাড়া মাতালেন নকুল কুমার   চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠের যৌথ চ্যাম্পিয়ন সুনামগঞ্জের হাওর কন্যা ঐশি   নগরীর সোবহানীঘাটে আবাসিক হোটেল থেকে তরুণ-তরুণীর লাশ উদ্ধার   এতিমদের সাথে রোটারী মিডটাউনের মধ্যাহ্নভোজ   রোটারী ক্লাব অব বিয়ানীবাজারের শীতবস্ত্র বিতরণ   স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করলেন অর্থমন্ত্রী   জামালগঞ্জে কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মরতদের অবস্থান কর্মসূচি   বিয়ানীবাজারে অগ্নিকাণ্ডে আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি   ছুটির দিনে রান্নাঘরে প্রধানমন্ত্রী   রাজনগরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত   সিলেটে ‘আত্মা’র আঞ্চলিক সভা অনুষ্ঠিত   চলে গেল প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরষ্কার গ্রহণকারী বর্ণা : জকিগঞ্জে শোকের ছায়া   এলাকার উন্নয়নে স্থানীয়দের নির্বাচিত করুণ, মাগুড়ার কাউকে নয় : এহিয়া চৌধুরী   সালমান শাহ’র হত্যাকারীদের বিচারে দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন

সে এক না দেখা জীবন

-সিপাহী রেজা

প্রকাশিত : ২০১৫-০৭-২৯ ২৩:৫০:১৯

আপডেট : ২০১৫-০৭-২৯ ২৩:৫৭:২৮

সাহিত্য ডেস্ক : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০১৫ ॥ জীবন গেলো। তাও গেলো সে বহু বছর আগে কোনো একদিন। ধাক্কা লেগেছে, অথবা কে জানে জীবনই ছুটে গিয়েছিল কিনা সে ধাক্কার কবলে, কে জানে! জীবন যায় এভাবেই, বহুবছর আগের মতো করে এখনো যায়। জগত ভেঙে অন্য জগতে কিংবা কোথাও না, শুধু অনন্ত পড়ে থাকা শূন্য সময়ে- যেদিকে জীবনের ভাষা ছিল, তার মতো করে অন্যদের জীবন ছিল অথবা অন্যদের মতো করে যার কিছু ছিল না। সেসব না থাকার কথা থেকে গেছে কবিতা হয়ে। কবিতার কি তাহলে এক জীবন আছে, যার যার জীবনের মতো? কতকিছুই তো থেকে গেছে, বহুল পঠিত সেইসব পেঁচা থেকে গেছে, চিল, দুপুরের, রাতের, ফাল্গুনের, কীর্তনখোলা শুয়ে আছে এখনো। কিছু কিছু আবার সেতু হয়ে ঝুলে আছে চলে যাওয়া সে জীবন আর এসব বেঁচে যাওয়া সব জীবনের মাঝে। সেসব সেতুরও জীবন আছে হয়ত, সে জীবন ফড়িঙের মতো দোয়েলের মতো, মানুষের সাথে যার দেখা হয় না। সে এক না দেখা জীবন।

বহুকাল পর্যন্ত জীবনবাবুর একটি কি দুইটি ফটোগ্রাফ দেখেছে মানুষ। জীবনবাবুর কবিতা পড়লে যে ছবি ফুটে উঠত তা এ বাংলার, তা এ বাংলার মধ্যে অনেকেরই না দেখা বাংলা। বড় বড় পাথরের ফাঁক ফোঁকরে থেকে যাওয়া ছোট ছোট নুড়িও যে দুইটি হাত ভরে স্থান নিতে পারে তা দেখিয়েছে জীবনানন্দ দাশ। কিন্তু জীবনবাবুর ছবিকে তো আর উলটে পালটে দেখা যায়নি। গানের দল ‘মেঘদল’ এর শিবু কুমার শীল একবার জীবনবাবুর একটি ছবিতে বিভিন্ন রঙ মেখে আলাদা আলাদা সেসব রঙিন ছবি পাশাপাশি বসিয়ে বৈচিত্র্য সৃষ্টি করেছিলেন।

অনেকেই এমন করতে চায়, যে এতো কিছু দেখিয়েছে ভাষায়, কবিতায়, জীবনে, তাকে নানাভাবে দেখতে চায়। তাই জীবনানন্দ দাশের আরো একটি ছবি খুঁজে পাওয়া মানে অনেক কিছু। তেমনি একটি ছবি যা কবির মৃত্যুর এক বছর আগে ১৯৫৩ সালে তোলা হয়েছিল দিল্লির রাজঘাটে। সে ছবিটি সবাইকে দেখানোটা সৌভাগ্য হিসেবেই দেখছি। ডানদিকের সাদাকালো ছবিটি দেখুন।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/এসবি

সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত