সর্বশেষ

  কবি শান্ত খুমন আর নেই   কর্মসংস্থান ব্যাংক অফিসার্স এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনোজ রায়কে সংবর্ধনা প্রদান   ৫ পদে ৮ জন লোক নেবে সিলেট মহানগর পুলিশ   নবীগঞ্জে পল্লীবিদ্যুতের ‘ভুতুড়ে’ বিলের চাপে গ্রাহক, এলাকায় অসন্তোস   বীরপ্রতীক কাকন বিবির শয্যাপাশে মহানগর যুবলীগের নেতৃবৃন্দ   হবিগঞ্জে চার শিশু হত্যা মামলা: ৩ আসামির ফাঁসির রায়   বিয়ের আগে রাজনীতি বুঝতাম না: রিজিয়া নদভী   কলেজছাত্রীকে পেটানো সেই ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার   ওসমানীনগরের বেগমপুর শরৎ সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক আব্দুল লতিফ আর নেই   মোবাইল কোর্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে রাখার দাবি ডিসিদের   এবারের এইচএসসির ফলাফলে গোয়াইনঘাটের তোয়াকুল কলেজ শীর্ষে   বিয়ানীবাজারে জনতার হাতে প্রতারক আটক   রায় শোনার অপেক্ষায় সুন্দ্রাটিকি গ্রামের নিহত ৪ শিশুর পরিবার   সিলেটের আইকন খেলোয়াড় সাব্বির   ফেসবুকে ‘বিশ্বনাথীকে’ নিয়ে শিক্ষকের কটুক্তি : উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ   জগন্নাথপুরে খুন ও ডাকাতির মামলার আসামি গ্রেফতার   কুলাউড়ার বন্যাকবলিত এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎলাইন : দুর্ঘটনার আশঙ্কা   ধর্মপাশায় বিএনপির সদস্য সংগ্রহ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা   বিয়ানীবাজারে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু   ওসমানী মেডিকেল কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

সে এক না দেখা জীবন

-সিপাহী রেজা

প্রকাশিত : ২০১৫-০৭-২৯ ২৩:৫০:১৯

আপডেট : ২০১৫-০৭-২৯ ২৩:৫৭:২৮

সাহিত্য ডেস্ক : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০১৫ ॥ জীবন গেলো। তাও গেলো সে বহু বছর আগে কোনো একদিন। ধাক্কা লেগেছে, অথবা কে জানে জীবনই ছুটে গিয়েছিল কিনা সে ধাক্কার কবলে, কে জানে! জীবন যায় এভাবেই, বহুবছর আগের মতো করে এখনো যায়। জগত ভেঙে অন্য জগতে কিংবা কোথাও না, শুধু অনন্ত পড়ে থাকা শূন্য সময়ে- যেদিকে জীবনের ভাষা ছিল, তার মতো করে অন্যদের জীবন ছিল অথবা অন্যদের মতো করে যার কিছু ছিল না। সেসব না থাকার কথা থেকে গেছে কবিতা হয়ে। কবিতার কি তাহলে এক জীবন আছে, যার যার জীবনের মতো? কতকিছুই তো থেকে গেছে, বহুল পঠিত সেইসব পেঁচা থেকে গেছে, চিল, দুপুরের, রাতের, ফাল্গুনের, কীর্তনখোলা শুয়ে আছে এখনো। কিছু কিছু আবার সেতু হয়ে ঝুলে আছে চলে যাওয়া সে জীবন আর এসব বেঁচে যাওয়া সব জীবনের মাঝে। সেসব সেতুরও জীবন আছে হয়ত, সে জীবন ফড়িঙের মতো দোয়েলের মতো, মানুষের সাথে যার দেখা হয় না। সে এক না দেখা জীবন।

বহুকাল পর্যন্ত জীবনবাবুর একটি কি দুইটি ফটোগ্রাফ দেখেছে মানুষ। জীবনবাবুর কবিতা পড়লে যে ছবি ফুটে উঠত তা এ বাংলার, তা এ বাংলার মধ্যে অনেকেরই না দেখা বাংলা। বড় বড় পাথরের ফাঁক ফোঁকরে থেকে যাওয়া ছোট ছোট নুড়িও যে দুইটি হাত ভরে স্থান নিতে পারে তা দেখিয়েছে জীবনানন্দ দাশ। কিন্তু জীবনবাবুর ছবিকে তো আর উলটে পালটে দেখা যায়নি। গানের দল ‘মেঘদল’ এর শিবু কুমার শীল একবার জীবনবাবুর একটি ছবিতে বিভিন্ন রঙ মেখে আলাদা আলাদা সেসব রঙিন ছবি পাশাপাশি বসিয়ে বৈচিত্র্য সৃষ্টি করেছিলেন।

অনেকেই এমন করতে চায়, যে এতো কিছু দেখিয়েছে ভাষায়, কবিতায়, জীবনে, তাকে নানাভাবে দেখতে চায়। তাই জীবনানন্দ দাশের আরো একটি ছবি খুঁজে পাওয়া মানে অনেক কিছু। তেমনি একটি ছবি যা কবির মৃত্যুর এক বছর আগে ১৯৫৩ সালে তোলা হয়েছিল দিল্লির রাজঘাটে। সে ছবিটি সবাইকে দেখানোটা সৌভাগ্য হিসেবেই দেখছি। ডানদিকের সাদাকালো ছবিটি দেখুন।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/এসবি

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত