সর্বশেষ

  রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকারের দাবীতে ছাত্র মজলিস সিলেট মহানগরীর বিক্ষোভ   'শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যৌথ প্রচেষ্ঠায় মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা দরকার'   রিয়ালকে জয়ে ফেরালেন নবীন সেবায়োস   কমেছে চালের দাম, কমবে আরও   লন্ডনে আবারো এসিড হামলা, আহত ৬   তথ্য-প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে : ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল   মহিউদ্দিন শীরু’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী ২৫ সেপ্টেম্বর   ধর্ম যার যার, উৎসব সবার : কামরান   ওসমানীনগরে নিয়মিত বসে জুয়ার আসর, প্রশাসন নিরব   জগন্নাথপুরে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু   ফেঞ্চুগঞ্জে সড়ক মেরামতের দাবিতে আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা   মৌলভীবাজারে ‘শিক্ষা দিবস’ পালিত   হত্যা মামলার আসামী টিটু ও সুলেমান এখনও অধরা   ফেঞ্চুগঞ্জে পরিবহণ শ্রমিক নেতাদের সাথে প্রশাসনের সভা   রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবাদে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত   দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সিলেট মহানগর পুলিশের গণবিজ্ঞপ্তি   নগরী থেকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিখোঁজ   বর্তমান সরকারের সময়ে শিক্ষাখাতে ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়েছে : এমপি আবু জাহির   সিলেটে ছিনতাইকারী বাবলু ও শরীফ আটক   সিলেটস্থ টাঙ্গাইল জেলা সমিতির আহবায়ক কমিটি গঠন

সে এক না দেখা জীবন

-সিপাহী রেজা

প্রকাশিত : ২০১৫-০৭-২৯ ২৩:৫০:১৯

আপডেট : ২০১৫-০৭-২৯ ২৩:৫৭:২৮

সাহিত্য ডেস্ক : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০১৫ ॥ জীবন গেলো। তাও গেলো সে বহু বছর আগে কোনো একদিন। ধাক্কা লেগেছে, অথবা কে জানে জীবনই ছুটে গিয়েছিল কিনা সে ধাক্কার কবলে, কে জানে! জীবন যায় এভাবেই, বহুবছর আগের মতো করে এখনো যায়। জগত ভেঙে অন্য জগতে কিংবা কোথাও না, শুধু অনন্ত পড়ে থাকা শূন্য সময়ে- যেদিকে জীবনের ভাষা ছিল, তার মতো করে অন্যদের জীবন ছিল অথবা অন্যদের মতো করে যার কিছু ছিল না। সেসব না থাকার কথা থেকে গেছে কবিতা হয়ে। কবিতার কি তাহলে এক জীবন আছে, যার যার জীবনের মতো? কতকিছুই তো থেকে গেছে, বহুল পঠিত সেইসব পেঁচা থেকে গেছে, চিল, দুপুরের, রাতের, ফাল্গুনের, কীর্তনখোলা শুয়ে আছে এখনো। কিছু কিছু আবার সেতু হয়ে ঝুলে আছে চলে যাওয়া সে জীবন আর এসব বেঁচে যাওয়া সব জীবনের মাঝে। সেসব সেতুরও জীবন আছে হয়ত, সে জীবন ফড়িঙের মতো দোয়েলের মতো, মানুষের সাথে যার দেখা হয় না। সে এক না দেখা জীবন।

বহুকাল পর্যন্ত জীবনবাবুর একটি কি দুইটি ফটোগ্রাফ দেখেছে মানুষ। জীবনবাবুর কবিতা পড়লে যে ছবি ফুটে উঠত তা এ বাংলার, তা এ বাংলার মধ্যে অনেকেরই না দেখা বাংলা। বড় বড় পাথরের ফাঁক ফোঁকরে থেকে যাওয়া ছোট ছোট নুড়িও যে দুইটি হাত ভরে স্থান নিতে পারে তা দেখিয়েছে জীবনানন্দ দাশ। কিন্তু জীবনবাবুর ছবিকে তো আর উলটে পালটে দেখা যায়নি। গানের দল ‘মেঘদল’ এর শিবু কুমার শীল একবার জীবনবাবুর একটি ছবিতে বিভিন্ন রঙ মেখে আলাদা আলাদা সেসব রঙিন ছবি পাশাপাশি বসিয়ে বৈচিত্র্য সৃষ্টি করেছিলেন।

অনেকেই এমন করতে চায়, যে এতো কিছু দেখিয়েছে ভাষায়, কবিতায়, জীবনে, তাকে নানাভাবে দেখতে চায়। তাই জীবনানন্দ দাশের আরো একটি ছবি খুঁজে পাওয়া মানে অনেক কিছু। তেমনি একটি ছবি যা কবির মৃত্যুর এক বছর আগে ১৯৫৩ সালে তোলা হয়েছিল দিল্লির রাজঘাটে। সে ছবিটি সবাইকে দেখানোটা সৌভাগ্য হিসেবেই দেখছি। ডানদিকের সাদাকালো ছবিটি দেখুন।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/এসবি

সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত