সর্বশেষ

  নির্বাচনে বিএনপি জোটে থাকবে জামায়াত: ফখরুল   টুকেরবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের ইন্তেকাল   টিলাকেটে ভরাট চলছে শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানির আবাসিক জমি!   গ্রেটার ম্যানচেস্টার আ’লীগ সভাপতি ছুরাবুর রহমান ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আমিনুল হক সিলেটে সংবর্ধিত   মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা : এমপি রানার জামিন হাই কোর্টে নাকচ   বঙ্গবন্ধুর ভাষণের স্বীকৃতি আনন্দের : ফখরুল   ওয়ানডেতে ড্যাডসওয়েলের 'ড্যাডলি' ৪৯০ রানের রেকর্ড!   অধ্যাপক ফখরুলের মৃত্যুতে এমপি ইমরান আহমদের শোক   দেওয়ান ফরিদ গাজীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ : স্মরণসভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা   জগন্নাথপুরে সংঘর্ষে আহত ১০   শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ পরিচালনা করছেন: এমপি আবু জাহির   খাদিমপাড়ায় পাহাড় কাটার দায়ে একজনকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা   নগরীর বিভিন্ন এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করলেন সিসিক মেয়র আরিফ   বালাগঞ্জে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৮ হাজার শিক্ষার্থী   মাধবপুরে নববধূর মৃত্যু   দিরাইয়ে মাধ্যমিক বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারি কল্যাণ সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন   দেওয়ান ফরিদ গাজীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ : স্মরণসভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা   সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কর্মসূচি পালিত   আম্বরখানায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ ও অটোরিক্সা শ্রমিকদের সংঘর্ষ: আহত ৬   রাজনগরে যৌতুকের দায়ে বিয়ে ভঙ্গ: অভিমানে যুবতীর আত্মহত্যা

সে এক না দেখা জীবন

-সিপাহী রেজা

প্রকাশিত : ২০১৫-০৭-২৯ ২৩:৫০:১৯

আপডেট : ২০১৫-০৭-২৯ ২৩:৫৭:২৮

সাহিত্য ডেস্ক : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০১৫ ॥ জীবন গেলো। তাও গেলো সে বহু বছর আগে কোনো একদিন। ধাক্কা লেগেছে, অথবা কে জানে জীবনই ছুটে গিয়েছিল কিনা সে ধাক্কার কবলে, কে জানে! জীবন যায় এভাবেই, বহুবছর আগের মতো করে এখনো যায়। জগত ভেঙে অন্য জগতে কিংবা কোথাও না, শুধু অনন্ত পড়ে থাকা শূন্য সময়ে- যেদিকে জীবনের ভাষা ছিল, তার মতো করে অন্যদের জীবন ছিল অথবা অন্যদের মতো করে যার কিছু ছিল না। সেসব না থাকার কথা থেকে গেছে কবিতা হয়ে। কবিতার কি তাহলে এক জীবন আছে, যার যার জীবনের মতো? কতকিছুই তো থেকে গেছে, বহুল পঠিত সেইসব পেঁচা থেকে গেছে, চিল, দুপুরের, রাতের, ফাল্গুনের, কীর্তনখোলা শুয়ে আছে এখনো। কিছু কিছু আবার সেতু হয়ে ঝুলে আছে চলে যাওয়া সে জীবন আর এসব বেঁচে যাওয়া সব জীবনের মাঝে। সেসব সেতুরও জীবন আছে হয়ত, সে জীবন ফড়িঙের মতো দোয়েলের মতো, মানুষের সাথে যার দেখা হয় না। সে এক না দেখা জীবন।

বহুকাল পর্যন্ত জীবনবাবুর একটি কি দুইটি ফটোগ্রাফ দেখেছে মানুষ। জীবনবাবুর কবিতা পড়লে যে ছবি ফুটে উঠত তা এ বাংলার, তা এ বাংলার মধ্যে অনেকেরই না দেখা বাংলা। বড় বড় পাথরের ফাঁক ফোঁকরে থেকে যাওয়া ছোট ছোট নুড়িও যে দুইটি হাত ভরে স্থান নিতে পারে তা দেখিয়েছে জীবনানন্দ দাশ। কিন্তু জীবনবাবুর ছবিকে তো আর উলটে পালটে দেখা যায়নি। গানের দল ‘মেঘদল’ এর শিবু কুমার শীল একবার জীবনবাবুর একটি ছবিতে বিভিন্ন রঙ মেখে আলাদা আলাদা সেসব রঙিন ছবি পাশাপাশি বসিয়ে বৈচিত্র্য সৃষ্টি করেছিলেন।

অনেকেই এমন করতে চায়, যে এতো কিছু দেখিয়েছে ভাষায়, কবিতায়, জীবনে, তাকে নানাভাবে দেখতে চায়। তাই জীবনানন্দ দাশের আরো একটি ছবি খুঁজে পাওয়া মানে অনেক কিছু। তেমনি একটি ছবি যা কবির মৃত্যুর এক বছর আগে ১৯৫৩ সালে তোলা হয়েছিল দিল্লির রাজঘাটে। সে ছবিটি সবাইকে দেখানোটা সৌভাগ্য হিসেবেই দেখছি। ডানদিকের সাদাকালো ছবিটি দেখুন।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/এসবি

সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত