সর্বশেষ

  সুনামগঞ্জসহ সারাদেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের লিজ বাতিল ও কর্মসংস্থানের দাবিতে মানববন্ধন   ফ্রেন্ডস পাওয়ার স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ   জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু রিয়াজের চিকিৎসার জন্য অনুদান   অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম.এ মান্নান ৩ দিনের সফরে সুনামগঞ্জে আসছেন আজ   জগন্নাথপুরে চালের বরাদ্দ দিগুণ করা হলেও বাড়েনি বিক্রয় কেন্দ্র   ২০ দিন ধরে সারী ও বড়গাং নদীর রয়েল্টি বঞ্চিত ইজারাদার   গোয়াইনঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিজেই রোগী   অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর জাউয়ার ব্যবসায়ীর অভিযোগ   ওসমানী বিমানবন্দরে ৬০ লাখ টাকার সিগারেট আটক   যুক্তরাষ্ট্র যাত্রা উপলক্ষে সাংবাদিক তুহিন চৌধুরীকে জেলা প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা   সিলেটে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত   শিবের বাজার আদর্শ ব্যবসায়ী সংস্থার ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন শনিবার   দক্ষিণ সুরমায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু   মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওরে ২৬ কোটি ১০ লাখ টাকার ক্ষতি   কান্দিগাঁও ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সম্পন্ন   তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট পূর্ব জেলার কাউন্সিল সম্পন্ন   শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান রনধীর দেব পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি মনোনীত   রোববার শাল্লা আসছেন শেখ হাসিনা: স্বাগত জানাতে ব্যাপক প্রস্তুতি   শ্রীমঙ্গলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে : আহত ১৪   ভোগের নয়, আ’লীগের রাজনীতি ত্যাগের: বিশ্বনাথে সংবর্ধনা সভায় শফিক চৌধুরী

রবীন্দ্র পদক পেলেন সনৎকুমার-সাদী

প্রকাশিত : ২০১৫-০৫-২৫ ১৩:০১:১০

সাহিত্য ডেস্ক: ॥ বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত রবীন্দ্র পুরস্কার পেলেন অধ্যাপক সনৎকুমার সাহা ও সাদী মহাম্মদ। রবীন্দ্র সাহিত্যে গবেষণা ও চর্চায় অবদানের জন্য সনৎকুমার সাহা এবং রবীন্দ্রসঙ্গীত চর্চার জন্য সাদী মহাম্মদকে এ পুরস্কার দেয়া হয়েছে।
রোববার বিকেলে একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র স্মারক-বক্তৃতা প্রদান করেন অধ্যাপক হায়াৎ মামুদ। বাংলা একাডেমির সভাপতি এমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। পুরস্কারপ্রাপ্ত পুষ্পস্তবক, সনদ, ক্রেস্ট ও পুরস্কারের অর্থমূল্য হিসেবে পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশকালে সনৎকুমার সাহা ও সাদী মহাম্মদ বলেন, রবীন্দ্রনাথের নামাঙ্কিত পুরস্কারপ্রাপ্তি জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। রবীন্দ্রগবেষণা ও চর্চায় আরো নিবিড়ভাবে নিবিষ্ট হওয়ার দায় এ পুরস্কার তৈরি করবে। 
স্মারক বক্তৃতায় অধ্যাপক হায়াৎ মামুদ বলেন, ‘একটি সুসংস্কৃত পারিবারিক পরিমণ্ডল রবীন্দ্রনাথের মনোগঠনে ভূমিকা পালন করেছে নিঃসন্দেহে। তবে নিজেকে তিনি তৈরি করেছেন এবং ক্রমাগত ছাপিয়ে গেছেন নিজেরই মেধা, মনন, শ্রম ও দূরকল্পনায়। তার চিন্তা ও ভাবনায় ব্যাপ্ত ছিল স্বদেশ। এজন্যেই আপন করে আলিঙ্গন করতে পেরেছিলেন বিশ্ববোধকে। একক ব্যক্তির মাঝে বহুত্বের বোধ সঞ্চারের মধ্য দিয়ে মহৎ মানবিকের আবাহনই রবীন্দ্রজীবন ও দর্শনের মূলকথা।’
আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘রবীন্দ্রচর্চার জন্য বাংলাদেশ সরকার যেমন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুরু করেছে তেমনি দেশের বিভিন্ন স্থানে রবীন্দ্রস্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। একই সঙ্গে আমাদের নবীন প্রজন্মকে রবীন্দ্রনাথের মহৎ-উদার দর্শনের আলোকে সুশিক্ষিত ও সুসংস্কৃত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই রবীন্দ্রচিন্তা সার্থকতা পাবে।’
তিনি বলেন, ‘মানবিকতার সাধনার সঙ্গে সঙ্গে অপসংস্কৃতিকে প্রত্যাঘাত করার সংস্কৃতি গড়ে তোলাতেই আজকের দিনে রবীন্দ্র-স্মরণের প্রাসঙ্গিকতা নিহিত।’
অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ শৈশব থেকেই বিচিত্র অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছেন। পারিবারিক সূত্রে জমিদারির দায়িত্ব পেয়ে তিনি এক্ষেত্রে প্রথা ভাঙার চেষ্টা করেছেন। মহাজনের প্রতাপের হাত থেকে দরিদ্র কৃষকদের রক্ষার জন্য স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান এবং নানান জনহিতকর কাজে নিজেকে ব্যপৃত রেখেছেন।’
তিনি বলেন, ‘জীবন ও সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ নানান প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছেন, আবার তাকে পেরেয়ে গেছেন নিজের সৃষ্টির সত্যে ও সৌন্দর্যে।’
অনুষ্ঠানে বিশিষ্টব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, নিসর্গবিদ দ্বিজেন শর্মা, স্থপতি শামসুল ওয়ারেস, রাজনীতিক মোনায়েম সরকার, লেখক ড. ফজলুল আলম, ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেল প্রমুখ।
সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী লায়লা আফরোজ ও সামিউল ইসলাম পোলাক। সঙ্গীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী লিলি ইসলাম, অনিমা রায় এবং স্বপ্নীল সজিব।

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত