সর্বশেষ

  জকিগঞ্জে এম. জাকির হুসেইন হিফজুল ক্বোরআন প্রতিযোগীতা বাস্তবায়ন কমিটির সভা   ছাতকে পৃথক অভিযানে ভারতীয় মদ, জিরাসহ ৪জন আটক   পাক প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত নওয়াজ শরিফ   ‘মরহুম মনফর আলী এন্ড মরহুম হালিমা বিবি ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র উদ্যোগে বিশ্বনাথে ফ্রি খৎনা অনুষ্ঠান   দক্ষিণ সুরমার গ্যাস বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ ১, ৩টি গাড়ি ভস্মীভূত   সিলেটে ‘অলিম্পিক ডে- ২০১৭’ উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি অনুষ্ঠিত   কমলগঞ্জে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান   দেশে প্রতি মিনিটে ১৩৮৯ পিস ইয়াবা গ্রহণ করে তরুণ-তরুণীরা   অনেক আসামি পলাতক, কিছু করার নেই তদন্ত সংস্থার   গুলশান হামলার ‘অন্যতম পরিকল্পনাকারী’ রাশেদ গ্রেফতার   ‘সেরা বাঙালি’র পুরস্কার নিতে আজ কোলকাতা যাচ্ছেন মাশরাফি   ‘১৮ হাজার হাজির হজ অনিশ্চিত’ : ৯১ টি হজ্জ এজেন্সির সংবাদ সম্মেলন   রড ছাড়াই কলেজের ভবন নির্মাণের ঘটনায় তদন্ত শুরু   ‘নিরাপত্তার কারণে সম্মেলনের অনুমতি দেওয়া হয়নি ইউনূস সেন্টারকে’ : ‘অনিবার্য কারণবশত’ সামাজিক ব্যবসা সম্মেলন বাতিল   সভাপতি পার্থকে অব্যাহতি, শাবি ছাত্রলীগের নতুন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন রুহুল আমিন   শ্রীমঙ্গলে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা   মৌলভীবাজার পৌরসভায় ৮৩ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা   প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মানোন্নয়নে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে : তাহমিনা খাতুন   দোয়ারাবাজারে শহিদ মিনারের উদ্বোধন করলেন এমপি মানিক   সিলেট জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

রবীন্দ্র পদক পেলেন সনৎকুমার-সাদী

প্রকাশিত : ২০১৫-০৫-২৫ ১৩:০১:১০

সাহিত্য ডেস্ক: ॥ বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত রবীন্দ্র পুরস্কার পেলেন অধ্যাপক সনৎকুমার সাহা ও সাদী মহাম্মদ। রবীন্দ্র সাহিত্যে গবেষণা ও চর্চায় অবদানের জন্য সনৎকুমার সাহা এবং রবীন্দ্রসঙ্গীত চর্চার জন্য সাদী মহাম্মদকে এ পুরস্কার দেয়া হয়েছে।
রোববার বিকেলে একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র স্মারক-বক্তৃতা প্রদান করেন অধ্যাপক হায়াৎ মামুদ। বাংলা একাডেমির সভাপতি এমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। পুরস্কারপ্রাপ্ত পুষ্পস্তবক, সনদ, ক্রেস্ট ও পুরস্কারের অর্থমূল্য হিসেবে পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশকালে সনৎকুমার সাহা ও সাদী মহাম্মদ বলেন, রবীন্দ্রনাথের নামাঙ্কিত পুরস্কারপ্রাপ্তি জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। রবীন্দ্রগবেষণা ও চর্চায় আরো নিবিড়ভাবে নিবিষ্ট হওয়ার দায় এ পুরস্কার তৈরি করবে। 
স্মারক বক্তৃতায় অধ্যাপক হায়াৎ মামুদ বলেন, ‘একটি সুসংস্কৃত পারিবারিক পরিমণ্ডল রবীন্দ্রনাথের মনোগঠনে ভূমিকা পালন করেছে নিঃসন্দেহে। তবে নিজেকে তিনি তৈরি করেছেন এবং ক্রমাগত ছাপিয়ে গেছেন নিজেরই মেধা, মনন, শ্রম ও দূরকল্পনায়। তার চিন্তা ও ভাবনায় ব্যাপ্ত ছিল স্বদেশ। এজন্যেই আপন করে আলিঙ্গন করতে পেরেছিলেন বিশ্ববোধকে। একক ব্যক্তির মাঝে বহুত্বের বোধ সঞ্চারের মধ্য দিয়ে মহৎ মানবিকের আবাহনই রবীন্দ্রজীবন ও দর্শনের মূলকথা।’
আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘রবীন্দ্রচর্চার জন্য বাংলাদেশ সরকার যেমন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুরু করেছে তেমনি দেশের বিভিন্ন স্থানে রবীন্দ্রস্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। একই সঙ্গে আমাদের নবীন প্রজন্মকে রবীন্দ্রনাথের মহৎ-উদার দর্শনের আলোকে সুশিক্ষিত ও সুসংস্কৃত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই রবীন্দ্রচিন্তা সার্থকতা পাবে।’
তিনি বলেন, ‘মানবিকতার সাধনার সঙ্গে সঙ্গে অপসংস্কৃতিকে প্রত্যাঘাত করার সংস্কৃতি গড়ে তোলাতেই আজকের দিনে রবীন্দ্র-স্মরণের প্রাসঙ্গিকতা নিহিত।’
অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ শৈশব থেকেই বিচিত্র অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছেন। পারিবারিক সূত্রে জমিদারির দায়িত্ব পেয়ে তিনি এক্ষেত্রে প্রথা ভাঙার চেষ্টা করেছেন। মহাজনের প্রতাপের হাত থেকে দরিদ্র কৃষকদের রক্ষার জন্য স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান এবং নানান জনহিতকর কাজে নিজেকে ব্যপৃত রেখেছেন।’
তিনি বলেন, ‘জীবন ও সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ নানান প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছেন, আবার তাকে পেরেয়ে গেছেন নিজের সৃষ্টির সত্যে ও সৌন্দর্যে।’
অনুষ্ঠানে বিশিষ্টব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, নিসর্গবিদ দ্বিজেন শর্মা, স্থপতি শামসুল ওয়ারেস, রাজনীতিক মোনায়েম সরকার, লেখক ড. ফজলুল আলম, ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেল প্রমুখ।
সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী লায়লা আফরোজ ও সামিউল ইসলাম পোলাক। সঙ্গীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী লিলি ইসলাম, অনিমা রায় এবং স্বপ্নীল সজিব।

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত