সর্বশেষ

  গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য সরানোর কাজ চলছে   প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনের কাছে জগন্নাথপুরে স্কুলছাত্র শুকুর হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি   ‘যুদ্ধ বিধ্বস্ত পৃথিবীতে নজরুল সাম্যের কথা বলে গেছেন’   সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের নতুন সদস্যদের অভিষেক আজ   মাহে রমজান উপলক্ষে জগন্নাথপুরে প্রবাসীদের উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ   জগন্নাথপুরে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার   বিয়ানীবাজারে সড়ক সংস্কারের দাবিতে গ্রামবাসীর অবরোধ   শাহী ঈদগাহ থেকে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার   রামপুরে বাগান কর্তৃপক্ষের সাথে শ্রমিকদের বিরোধ নিষ্পত্তি করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান   দক্ষিণ সুনামগঞ্জে বিভিন্ন সংস্থার উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ ও ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প   জৈন্তাপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে সিলেটে হস্তান্তর না করতে প্রতিমন্ত্রীকে স্মারকলিপি   নবীগঞ্জের ২নং ইউনিয়নে শেখ হাসিনা’র শতভাগ বিদ্যুৎ উপহার দিলেন কেয়া চৌধুরী   আজ ওসমানীনগরের বুরুঙ্গা গণহত্যা দিবস   শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হবিগঞ্জের সর্বত্র ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে : এমপি আবু জাহির   সুনামগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব : আতঙ্কে অভিভাবকরা   অনিল কিষণ সিংহের ৮০তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন শুক্রবার   হবিগঞ্জে ক্ষুদে নৃত্য শিল্পীর সংবর্ধনা   সাংবাদিক মামুন চৌধুরী’র পিতা ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত   কৃষকদের ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন   সনামগঞ্জ জেলা কৃষক লীগের আহবায়ক কমিটি গঠন

সাবধান! মানবজাতি ধ্বংস করতে আসছে ব্যাকটেরিয়ার গজব!

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২৪ ১৪:১৩:৫৭

স্বাস্থ্য ডেস্ক : মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৫ ॥ মানবজাতির সামনে এবার মূর্তিমান আতঙ্ক হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে ব্যাকটেরিয়া। একে বলা হচ্ছে, 'antibiotic apocalypse'। এই ব্যাকটেরিয়া এমনই ভয়ঙ্কর যে সামান্য পেপারকাটিং থেকে এটা ছড়িয়ে পড়তে পারে মানবদেহে। যার অবধারিত পরিণাম হবে মৃত্যু। এমনকি এক সময় গোটা মানবজাতির চিহ্ন পর্যন্ত মুছে যেতে পারে। কারণ এই ব্যাকটেরিয়া প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে এমনই প্রতিরোধ গড়ে তুলছে যে, কোনো ওষুধই অদূর ভবিষ্যতে প্রাণঘাতী এই ব্যাকটেরিয়াকে আর ধ্বংস করতে পারবে না। এ-কারণে সাধারণ ব্যাকটেরিয়া দিনে দিনে এক ‘সুপারবাগ’-এ পরিণত হয়ে যাবে। আর এই  ‘...superbug would easily wipeout humanity'—এই সাবধানবাণী উচ্চারণ করেছেন বিজ্ঞানীরা।

পেপারকাটিং শুধু নয়, এমনকি যে কোনো অস্ত্রোপচারকালে এই ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়তে পারে রোগীর দেহে। এমনকি প্রতিটি শিশুর জন্মই মৃত্যুর ‘ডাইস’ হয়ে আবির্ভূত হবে একদিন। এভাবে একজনের দেহ থেকে আরেকজনের দেহে এই সুপারবাগ ব্যাকটেরিয়া ছড়াতেই থাকবে। কিন্তু একে বাগ মানাতে মানবজাতি হিমশিম খাবে---যদি অচিরকালের মধ্যে এই সুপারবাগকে ধ্বস করার মতো উপযুক্ত ওষুধ বা অ্যান্টবায়োটিক উদ্ভাবন করা না যায়।  .

বিজ্ঞানীরা মহাশক্তিধর সুপারবাগ ব্যাকটেরিয়ার সম্ভাব্য এই অজেয় অবস্থানকে বর্ণনা করেছেন এভাবে: ‘...we are approaching a "doomsday scenario".। সোজা ভাষায়, মানবজাতির জন্য এ-এক কেয়ামত বা সাক্ষাৎ গজব।

অ্যান্টিবায়োটিক রিসার্চ, ইউকে-র প্রধান নির্বাহী প্রফেসর কলিন গারনার বলছেন, ব্যাকটেরিয়ার অ্যান্টিবায়োটিক ধ্বংস করার এই মহা-ক্ষমতাকে মানবজাতির জন্য ‘কেয়ামত’ বা ‘গজব’ ('apocalypse') বলাটাই হবে যুক্তিযুক্ত; কেননা জীবাণুর বিরুদ্ধে এখন প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিক আমাদের যে সুরক্ষা-সুবিধা দিয়ে থাকে সেই সুবিধা আমরা আর পাবো না।

কারণ প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিক, এমনকি সর্বশেষ যে অ্যান্টিবায়োটিক উদ্ভাবন করা হয়েছে তা-ও, ভবিষ্যতের সুপারবাগ ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে পারবে না।
তিনি মনে করিয়ে দেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মারা যাওয়া সৈন্যদের এক তৃতীয়াংশের মৃত্যুর জন্য দায়ী ছিল ব্যাকটেরিয়া। পরে ১৯২৮ সালে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিস্খার করে মানবজাতিকে রক্ষা করেন। আর এখন সুপারবাগ ব্যাকটেরিয়াকে কাবু করার মতো কার্যকর ওষুধ বের করা না গেলে মানবজাতির সামনে আগুয়ান মহাপ্রলয় বা গজব ঠেকানোর আশা ক্ষীণ।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ডেস্ক/বিএন/এসবি

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত