সর্বশেষ

  লতিপুর জামে মসজিদে দারুল কিরাতের সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন   পবিত্র ঈদুল ফিতরে শফিক চৌধুরীর শুভেচ্ছা   সৌদি আরবে ঈদ রোববার   ছাতকে ৪ গরু চোরকে গণধোলাই দিয়েছে স্থানীয় জনতা   ফেঞ্চুগঞ্জে হাবিবুর রহমান হাবিবের উদ্যোগে ঈদসামগ্রী বিতরণ   প্রবাসীদের অর্থায়নে ওসমানীনগরে ঈদবস্ত্র বিতরণ   মাটিধস : দুর্ঘটনা এড়াতে মাধবকুণ্ডে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা   ঈদানন্দ বঞ্চিত সদর উপজেলার ৭শ’ শিক্ষক পরিবার   যুক্তরাজ্যে কাভার্ড ভ্যান হামলায় নিহত মোকাররমের বাড়িতে লুনা   রোড রোলার ও স্কিট লোডার বরাদ্দ পেয়েছে বিয়ানীবাজার পৌরসভা   ঈদ উপলক্ষে কান্দিগাঁও ইউনিয়নে ভিজিএফের গম বিতরণ   ঈদকে সামনে রেখে এসএমপির বিশেষ নির্দেশনা   ‘প্রত্যয়’র প্রত্যয়ী মনোভাবে হাসি ফুটলো আড়াইশ’ অসহায় ও পথশিশুর মুখে   সৌদি আরবের গ্রান্ড মসজিদে আত্মঘাতি বোমা হামলা: নিহত ১, নারীসহ আটক ৫   বাহুবলে এতিমখানার শিশুদের হাতে ঈদের কাপড় তুলে দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা   বিয়ানীবাজারে গৃহকর্মী হত্যার অভিযোগে লাউতা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য গ্রেফতার   পাকিস্তানে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫৪   ঈদে বাড়ি ফেরা: রংপুরে ট্রাক উল্টে নিহত ১৬   সাবেক অধ্যক্ষ মোদাব্বীর আলী আর নেই   চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ভূমিধসে নিখোঁজ ১৪০

নিজের ক্ষতি না করেই দেহের যে অঙ্গগুলো বিক্রয়যোগ্য!

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-১৫ ১৩:৩২:৫৭

স্বাস্থ্য ডেস্ক : রোববার, ১৫ নভেম্বর ২০১৫ ॥ মানুষ টাকার জন্যে কিই না করে প্রতিদিন। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে শরীরের বারোটা বাজিয়ে ফেলে, চিন্তা করতে করতে ব্রেইন স্ট্রোক করে ফেলে। তবুও প্রতিনিয়ত জীবিকার তাগিদে উপার্জন করতে চায় সবাই। সেটা যেভাবেই হোক, আর যে পথেই হোক। তবে আপনি কি জানেন আপনার শরীর নিজেই আস্ত একটা টাকার গাছ? বাস্তবে মানুষের শরীর তার এমন একটি সম্পদ, যেখান থেকে কিছু জিনিস ছাড়াই সে বিক্রি করতে পারে অন্যের কাছে, নিজের কোন রকম ক্ষতি করা ছাড়াই। আর আজ জেনে নিন মানবদেহের এমনই কিছু বিক্রিযোগ্য উপাদান সম্পর্কে, যেগুলো বিশ্বজুড়ে মানুষ কেনাবেচা করছে। অবৈধ নয়, বৈধ উপায়েই!
 
১. রক্তরস বা প্লাজমা
ডোনেটিং প্লাজমা. অর্গানাইজেশনের মতে নার্স বা ডাক্তার কর্তৃক আপনার রক্ত সংগ্রহ করে নেওয়ার পর যদি সেদিকে খেয়াল করেন, দেখবেন তলায় বেশ স্পষ্ট দেখতে প্লাজমা বা রক্তরস রয়েছে। এটিকে আপনার শরীর থেকে খানিকটা বের করে নিলে আপনার কোন সমস্যাই হবেনা। তবে সাহায্য হবে অন্যদের। অনেক জীনগত সমস্যার অন্যতম চিকিত্সার শুরু হয় রক্তরস দিয়ে। আর সেজন্যে রক্তরসের চাহিদাটাও বেশ ভালো। তবে আপনার রক্তরসের মূল্য কত হবে সেটা সবসময় নির্ভর করবে আপনার ওজনের ওপর। ওজন বেশি হলে আপনার রক্তরসের দামটাও খানিকটা বেশিই পাবেন আপনি।
 
২. চুল
বিশ্বের সব স্থানেই চুল বিক্রির বেশ ভালো চাহিদা রয়েছে। আপনি ইচ্ছে করলেই আপনার চুলগুলো বিক্রি করে আয় করতে পারেন বেশ কিছু টাকা। এক্ষেত্রে আপনাকে রাখতে হবে যতটা সম্ভব দীর্ঘ আর প্রাকৃতিক চুল। এরমানে কোন ক্ষতিকারক হেয়ার ড্রায়ার বা রাসায়নিক প্রসাধনী ব্যবহার করা যাবেনা যেটা আপনার চুলকে নষ্ট করতে পারে। (বিজনেস ইনসাইডার)
 
৩. পুরোটা শরীর
অনেকসময় নতুন কোন পদ্ধতি বা যন্ত্র পরীক্ষা করতে চিকিত্সকদের দরকার পড়ে মানব দেহের। আর এক্ষেত্রে তারা সেই নির্দিষ্ট সময় আর পরীক্ষার জন্যে কিনে নিতে পারে একটি মানবদেহ। এক্ষেত্রে টাকার বিনিময়ে আপনার শরীরের ওপর পরীক্ষা চালাতে দেবেন আপনি। তবে এগিয়ে যাওয়ার আগে অবশ্যই সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলোর কথা মাথায় রাখা দরকার। (বিজনেস ইনসাইডার)
 
৪. শুক্রাণু
ভিকি ডোনার চলচিত্রটির কথা মনে আছে যেখানে নায়ক নিজের শুক্রাণু বিক্রি করে টাকা আয় করতেন? আর এই স্পার্মগুলো সাধারণত তাদেরকেই দেওয়া হয় যারা সন্তান জন্মদানে অক্ষম। এটি কেবল আপনার নিজের আয়ই বাড়াবে না, হাসি ফোটাবে অন্যদের মুখেও। স্পার্ম ব্যাংক অব ক্যালিফোর্নিয়ার মতে এ পদ্ধতিতে মাসে আপনি নিজের আয় প্রায় ৬০০ ডলার বাড়াতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে বেশকিছু শর্ত পূরণ করতে হবে আপনাকে। যার ভেতরে পড়বে বয়স থেকে শুরু করে চিকিত্সার প্রতিবেদন পর্যন্ত।
 
৫. বোন ম্যারো বা অস্থি মজ্জা
অন্যান্য অঙ্গ বিক্রি করার ক্ষেত্রে নানারকম ঝামেলা থাকলেও উপরের কিছু ব্যাপার ছাড়া শরীরের আর যে জিনিসটি বিক্রি করতে একদমই সমস্যা নেই সেটি হচ্ছে বোন ম্যারো। (বিজনেস ইনসাইডার)।  মানুষের সুস্থ থাকার জন্যে বোন ম্যারোর দরকার পড়ে যেটা অনেকের ক্ষেত্রে নেই হয়ে যায়। আর তাদেরকে সাহায্য করার পাশাপাশি বোনম্যারো বিক্রি করে বেশ ভালো আয় করতে পারেন আপনি।
 
৬. রক্ত
এটাতো প্রায় সবারই বেশ জানা কথা যে রক্ত আমাদের কতটা দরকারী আর বিপদের সময় সবারই অন্যতম আশ্রয় হয়ে দাঁড়ায় ব্লাড ব্যাংক। কিন্তু এই ব্লাড ব্যাংকের রক্তগুলো আসে কোথা থেকে? নিশ্চয় কারো না কারো শরীর থেকে। রক্ত কয়েক মাস পরপর নতুন করে তৈরি হয় দেহে। আর তাই একটুও চিন্তা না করে আপনি রক্ত বিক্রি করতে পারেন বেশ ভালো দামে। তবে রক্ত দেওয়ার সময়ের ভেতরে ৫৬ দিনের বিরতি থাকাটা বাঞ্ছনীয়। (দি রিচেস্ট)

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/পি.কম/এসবি

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত