সর্বশেষ

  জকিগঞ্জে এম. জাকির হুসেইন হিফজুল ক্বোরআন প্রতিযোগীতা বাস্তবায়ন কমিটির সভা   ছাতকে পৃথক অভিযানে ভারতীয় মদ, জিরাসহ ৪জন আটক   পাক প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত নওয়াজ শরিফ   ‘মরহুম মনফর আলী এন্ড মরহুম হালিমা বিবি ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র উদ্যোগে বিশ্বনাথে ফ্রি খৎনা অনুষ্ঠান   দক্ষিণ সুরমার গ্যাস বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ ১, ৩টি গাড়ি ভস্মীভূত   সিলেটে ‘অলিম্পিক ডে- ২০১৭’ উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি অনুষ্ঠিত   কমলগঞ্জে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান   দেশে প্রতি মিনিটে ১৩৮৯ পিস ইয়াবা গ্রহণ করে তরুণ-তরুণীরা   অনেক আসামি পলাতক, কিছু করার নেই তদন্ত সংস্থার   গুলশান হামলার ‘অন্যতম পরিকল্পনাকারী’ রাশেদ গ্রেফতার   ‘সেরা বাঙালি’র পুরস্কার নিতে আজ কোলকাতা যাচ্ছেন মাশরাফি   ‘১৮ হাজার হাজির হজ অনিশ্চিত’ : ৯১ টি হজ্জ এজেন্সির সংবাদ সম্মেলন   রড ছাড়াই কলেজের ভবন নির্মাণের ঘটনায় তদন্ত শুরু   ‘নিরাপত্তার কারণে সম্মেলনের অনুমতি দেওয়া হয়নি ইউনূস সেন্টারকে’ : ‘অনিবার্য কারণবশত’ সামাজিক ব্যবসা সম্মেলন বাতিল   সভাপতি পার্থকে অব্যাহতি, শাবি ছাত্রলীগের নতুন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন রুহুল আমিন   শ্রীমঙ্গলে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা   মৌলভীবাজার পৌরসভায় ৮৩ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা   প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মানোন্নয়নে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে : তাহমিনা খাতুন   দোয়ারাবাজারে শহিদ মিনারের উদ্বোধন করলেন এমপি মানিক   সিলেট জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

শিশুর অ্যাজমায় মা-বাবার জন্য অবশ্যই যা করণীয়

প্রকাশিত : ২০১৫-০৮-১৭ ১৫:১১:১৩

স্বাস্থ্য ডেস্ক : সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০১৫ ॥ একটি শিশু পুরো পরিবারের ভালোবাসার প্রতীক। সকলের ভালোবাসাকে আশ্রয় করে বেড়ে ওঠা শিশুটি যখন রোগে আক্রান্ত হয়, তখন সবার মন দুঃখের কালো পর্দায় ঢেকে যায়। শিশুদের একটি ভয়ংকর রোগের নাম এ্যাজমা। কোন শিশু হয়ত ফুটবল খেলার সময় এ্যাজমায় আক্রান্ত হয়। আবার কোন শিশুর ক্ষেত্রে গভীর রাতে এ্যাজমা তার কালো থাবা বসিয়ে দেয়। মা বাবার জন্য শিশুদের সবসময় নজরবন্দি রাখা অনেক কঠিন বিষয়। কিন্তু এ্যাজমা আক্রান্ত শিশুটির দিকে নজর না রেখে উপায় কী? আর যদি মা বাবা অনেক আগে থেকেই সচেতন থাকেন তবে শিশুটি হয়ত একসময় এই কঠিন রোগ থেকে মুক্তি পায়। আসুন জেনে নিই শিশুর এ্যাজমায় মা বাবার করণীয় সম্পর্কে।

১. তৈরি করুন এ্যাজমা ডায়েরিঃ
একটা শিশুর চিকিৎসা ঠিকভাবে হওয়ার জন্য মা বাবার উচিত শিশুর এ্যাজমা বিষয়ক উন্নতি অবনতি লিপিবদ্ধ করা। ডাক্তার অবশ্যই জানতে চাইবে যে তার চিকিৎসা পদ্ধতি কাজ করছে কি না। তাই আপনার শিশুর রোগের দৈনন্দিন সব খুঁটিনাটি লিখে রাখার জন্য আজই এ্যাজমা ডায়েরি তৈরি করুন। আপনার শিশুর কখন এ্যাজমা এ্যাটাক হয়েছে, কোন কোন দিনে হয়েছে এবং লক্ষণগুলো কী কী ছিল সব বিস্তারিত লিখে রাখুন। অবশ্যই দিন তারিখ লিখতে ভুলবেন না। শিশু যদি নিয়মিত ঔষধ গ্রহণ করে তবে ঔষধের প্রতিক্রিয়া এবং ডোজের পরিমাণও লিখে ফেলুন। আর কোন পরিস্থিতিতে তার এ্যাজমা বেড়ে যায় সেটাও লিখতে হবে পরিপূর্ণভাবে।

২. পিক ফ্লো মিটার ব্যবহার করুনঃ
প্রতি মিনিটে ফুসফুসে কতটুকু বাতাস পরিবাহিত হয় এটা পরিমাপের জন্য পিক ফ্লো মিটার ব্যবহার করা হয়। এটা আপনাকে শিশুর ফুসফুসের অবস্থা জানতে সাহায্য করবে। আপনার ডাক্তার বা ডাক্তারের সহযোগীর কাছ থেকে পিক ফ্লো মিটার ব্যবহার পদ্ধতি জেনে নিন।

৩. ডাক্তারের সাথে মন খুলে কথা বলুনঃ
আপনার শিশুকে নিয়মিত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। এমনকী যখন সে ভালো বোধ করে তখনও। ডাক্তার আপনার শিশুর শ্বাস প্রশ্বাস পরীক্ষা করবেন। যদি শিশুটি ঔষধ গ্রহণ করে থাকে, ডাক্তার বোঝার চেষ্টা করবেন ঔষধ ঠিকমত কাজ করছে কী না। ডাক্তার এ্যাজমা ডায়েরি দেখে রোগী সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাবেন এবং এ বাদেও মা বাবাকে অনেক প্রশ্ন করবেন। ডাক্তারই মা বাবাকে একটি এ্যাজমা একশন প্ল্যান প্রদান করবেন যার মাধ্যমে মা বাবা শিশুর দেখ ভালের বিস্তারিত প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারবেন।

৪. ঔষধ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি সম্পর্কে জানুনঃ
আপনি যদি শিশুর এ্যাজমার ঔষধ সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা পান তবে সহজেই শিশুর যত্ন নিতে পারবেন। ঔষধ বিষয়ে মা বাবাকে যে সব জিনিস মনে রাখতে হবে তা হল-
• ঔষধ সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা মেনে চলুন।
• সময়ের ঔষধ সময়ে প্রদান করুন।
• এ্যাজমার লক্ষণের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঔষধ প্রদানের প্রয়োজন হতে পারে।
• শিশু যখন সুস্থ থাকে তখনও ঔষধ নিয়ে অবহেলা করবেন না।
• ঔষধের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ডাক্তারকে বিস্তারিত জানান।

৫. এ্যাজমা বিষয়ে খুঁটিনাটি জানুনঃ
আপনিও আপনার শিশুর জন্য তৈরি করা মেডিকেল টিমের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তাই ডাক্তার বা তার স্টাফের কাছ থেকে এ্যাজমা বিষয়ে খুঁটিনাটি জেনে নিন। যে সব জিনিসের সংস্পর্শে শিশুর এ্যাজমা বেড়ে যায়, সেসব থেকে শিশুকে দূরে রাখুন। ঠিকভাবে ইনহেলার ব্যবহারের পদ্ধতি জেনে নিন। আপনার শিশুকে সাহস প্রদান করুন, কারণ অনেক সময় দুঃশ্চিন্তাও এ্যাজমা বাড়িয়ে দিতে পারে। [সুত্রঃ Columbus Regional Health]

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/পি.কম/এসবি

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত