সর্বশেষ

  শেখ হাসিনার সিলেট সফর সফল করার লক্ষ্যে গোলাপগঞ্জে কর্মিসভা   দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মিজানুর রহমান   বিয়ানীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫   মাধবপুরে চেক ডিজঅনার মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার   বিশ্বনাথে প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন ইউপি চেয়ারম্যান আমির আলী   বিশ্বনাথে ভ্রাম্যমাণ মোবাইল থেরাপি: ভ্যান দিয়ে প্রতিবন্ধীদের সেবা প্রদান   জৈন্তাপুরে ১৫ হাজার টাকার জাল নোটসহ যুবক অাটক   দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষক সঞ্জিতকে সম্মাননা প্রদান করা হবে   কুলাউড়ার স্বাধীনতা ক্রিকেট ক্লাবে ব্যাট প্রদান   শাবিতে ৬ষ্ঠ ‘মাহা-স্পোর্টস সাস্ট চ্যাম্পিয়ন্স লীগ শুরু   পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে পুনরায় মনোনীত হলেন আশফাক আহমদ   শাবি ১ম বর্ষের নবীনবরণ ৭ ফেব্রুয়ারি, উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী   সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা ২৫ জানুয়ারি   হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত   দেশের যুবসমাজ সু-সংগঠিত হলে রাষ্ট্র বিকশিত হয়: সিলেটে ওমর ফারুক চৌধুরী   কোম্পানীগঞ্জ প্রবাসী সমাজকল্যাণ পরিষদের শীতবস্ত্র বিতরণ   একটি চক্রের হাতে যেন জিম্মি ছাতকের ৩ গ্রামের মানুষ!   রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ১৯ ফেব্রুয়ারি   কমলগঞ্জের ইসলামপুরে টিভি কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সম্পন্ন   ‘মাতৃমৃত্যু রোধে মিডওয়াইফদের ভূমিকা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ’

টাকার অভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চয়তায় সুনামগঞ্জের সাজিদা

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২২ ১৩:০১:৪১

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : রোববার, ২২ নভেম্বর ২০১৫ ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় তাঁর মেধাক্রম ১৩৮১। ভর্তির হওয়ার শেষ তারিখ ১ ডিসেম্বর। কিন্তু টাকার অভাবে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের সাজিদা আক্তারের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন।

দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া এই মেয়েটি এবার ভর্তি পরীক্ষার মেধাক্রম অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছেন। ভর্তির জন্য তাঁর প্রয়োজন ১১ হাজার টাকা। কিন্তু সাজিদার পরিবারের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব না।

গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় সাজিদাদের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, সহায়সম্বল বলতে ভিটেটুকুই আছে। একটি টিনের ছাপরাঘর সেটি। ঘরের বেড়া দেওয়া রয়েছে পাটকাঠি দিয়ে। দুটি চৌকি ঘরের ভেতরে। তার একটিতে বইপত্র সাজানো। ওই ঘরের এক কোণে বসে এত দিন পড়াশোনা করেছেন সাজিদা।

সাজিদার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ছয় ভাই-বোনের মধ্যে সাজিদা পঞ্চম। বাবা আবু তাহের পেশায় দিনমজুর। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি এখন আর কাজে যেতে পারেন না। মা রাজিয়া খাতুন গৃহিণী। বড় ভাই পাঁচ বছর আগে বিয়ে করে আলাদা সংসার করেছেন। মেজো ভাই মো. আজিজুলের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার আয়ে এখন টেনেটুনে চলছে ওদের সংসার। আর ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন জনতা মডেল উচ্চবিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ছে।

টাকা না থাকায় বিদ্যালয়ে পড়ার সময় বাড়ি থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে সদরে হেঁটে যাওয়া-আসা করতে হতো সাজিদাকে। টিফিনে খেত এক গ্লাস পানি। এভাবে পড়াশোনা করেই ২০১৩ সালে এসএসসিতে সদর উপজেলার জনতা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পায় সে। এরপর ভর্তি হয় ধরমপাশা ডিগ্রি কলেজে। সেখান থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পান সাজিদা।

সাজিদার বাবা আবু তাহের বলেন, ‘আমরা নিজেরাই তো ভালা কইর্যাচ খাইতামই হারি না। হেরে আর ঢাকা ভার্সিটিত ভর্তি করাইয়াম ক্যামনে? হুনছি অহন ভর্তি অইতেই ১১ হাজার টেহা লাগে। অত টেহা আমরা কই ফাইয়াম।’

সাজিদার স্বপ্ন একজন আদর্শ শিক্ষক হওয়ার। সাজিদা বলেন, ‘দুই চোখে অন্ধকার দেখছি। দরিদ্র মা-বাবার পক্ষে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সামর্থ্য তাঁদের নেই। কীভাবে যে কী হবে!’

ধরমপাশা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল করিম বলেন, সাজিদা অত্যন্ত মেধাবী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে সে ভালো করবে।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ডেস্ক/টিআই-আর

সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত