সর্বশেষ

  বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ওয়ান ডে সিরিজ শুরু   যাদুকাটা নদীর তীরে পণতীর্থ বারুণী স্নান আজ   ধন্যবাদ ১৭ পদাতিক ডিভিশনকে : আতিয়া মহলের বাসিন্দারা উদ্ধার   সিলেটের জঙ্গি আস্তানায় অপারেশন ‘স্প্রিং রেইন’ চলছে   সিলেটে জঙ্গি আস্তানায় প্যারা-কমান্ডোর অভিযান শুরু   সিলেটে জঙ্গি আস্তানা : ঘটনাস্থলে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম   ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে সদর উপজেলা যুবলীগের বিক্ষোভ   আজ জাতীয় গণহত্যা দিবস   আতিয়া মহলের বাসিন্দার প্রশ্ন : আমরা কি জিম্মি?   পুলিশ বক্সে ঢোকার চেষ্টা করেছিল আত্মঘাতী যুবক!   টুকের বাজারে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল সম্পন্ন   কী আছে জঙ্গি আস্তানার আতিয়া মহলের জিম্মিদের ভাগ্যে?   ঢাকায় বিমানবন্দরের সামনে আত্মঘাতী হামলায় এক জঙ্গি নিহত   আতিয়া মহলে অভিযান এসেস করতে ঘটনাস্থলে প্যারা-কমান্ডো দল   আতিয়া মহলে জিম্মি আছেন দু’শতাধিক মানুষ   জঙ্গি আস্তানায় অভিযান: উৎকণ্ঠায় অপেক্ষা উৎসুক জনতার   অশ্রুসিক্ত নয়নে স্বামী মহসীন আলীর স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন স্ত্রী সায়রা মহসীন   জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে সোয়াত, অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ   দক্ষিণ সুরমায় ‘জঙ্গি আস্তানা’ ঘিরে ফেলেছে সোয়াত: যে কোন সময় অভিযান   সিলেট পৌঁছেছে সোয়াত টিম : চলছে মূল অভিযানের প্রস্তুতি

টাকার অভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চয়তায় সুনামগঞ্জের সাজিদা

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২২ ১৩:০১:৪১

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : রোববার, ২২ নভেম্বর ২০১৫ ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় তাঁর মেধাক্রম ১৩৮১। ভর্তির হওয়ার শেষ তারিখ ১ ডিসেম্বর। কিন্তু টাকার অভাবে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের সাজিদা আক্তারের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন।

দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া এই মেয়েটি এবার ভর্তি পরীক্ষার মেধাক্রম অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছেন। ভর্তির জন্য তাঁর প্রয়োজন ১১ হাজার টাকা। কিন্তু সাজিদার পরিবারের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব না।

গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় সাজিদাদের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, সহায়সম্বল বলতে ভিটেটুকুই আছে। একটি টিনের ছাপরাঘর সেটি। ঘরের বেড়া দেওয়া রয়েছে পাটকাঠি দিয়ে। দুটি চৌকি ঘরের ভেতরে। তার একটিতে বইপত্র সাজানো। ওই ঘরের এক কোণে বসে এত দিন পড়াশোনা করেছেন সাজিদা।

সাজিদার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ছয় ভাই-বোনের মধ্যে সাজিদা পঞ্চম। বাবা আবু তাহের পেশায় দিনমজুর। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি এখন আর কাজে যেতে পারেন না। মা রাজিয়া খাতুন গৃহিণী। বড় ভাই পাঁচ বছর আগে বিয়ে করে আলাদা সংসার করেছেন। মেজো ভাই মো. আজিজুলের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার আয়ে এখন টেনেটুনে চলছে ওদের সংসার। আর ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন জনতা মডেল উচ্চবিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ছে।

টাকা না থাকায় বিদ্যালয়ে পড়ার সময় বাড়ি থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে সদরে হেঁটে যাওয়া-আসা করতে হতো সাজিদাকে। টিফিনে খেত এক গ্লাস পানি। এভাবে পড়াশোনা করেই ২০১৩ সালে এসএসসিতে সদর উপজেলার জনতা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পায় সে। এরপর ভর্তি হয় ধরমপাশা ডিগ্রি কলেজে। সেখান থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পান সাজিদা।

সাজিদার বাবা আবু তাহের বলেন, ‘আমরা নিজেরাই তো ভালা কইর্যাচ খাইতামই হারি না। হেরে আর ঢাকা ভার্সিটিত ভর্তি করাইয়াম ক্যামনে? হুনছি অহন ভর্তি অইতেই ১১ হাজার টেহা লাগে। অত টেহা আমরা কই ফাইয়াম।’

সাজিদার স্বপ্ন একজন আদর্শ শিক্ষক হওয়ার। সাজিদা বলেন, ‘দুই চোখে অন্ধকার দেখছি। দরিদ্র মা-বাবার পক্ষে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সামর্থ্য তাঁদের নেই। কীভাবে যে কী হবে!’

ধরমপাশা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল করিম বলেন, সাজিদা অত্যন্ত মেধাবী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে সে ভালো করবে।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ডেস্ক/টিআই-আর

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত