সর্বশেষ

  ফিলিস্তিনে ইসরাইলী আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর তালামীযের বিক্ষোভ মিছিল   ধর্মপাশায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা   মাধবপুরে জাতীয় পার্টির শোডাউন   আল আকসার পবিত্রতা রক্ষায় বিশ্বের মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: হুছামুদ্দীন চৌধুরী   জকিগঞ্জে এম. জাকির হুসেইন হিফজুল ক্বোরআন প্রতিযোগীতা বাস্তবায়ন কমিটির সভা   ছাতকে পৃথক অভিযানে ভারতীয় মদ, জিরাসহ ৪জন আটক   পাক প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত নওয়াজ শরিফ   ‘মরহুম মনফর আলী এন্ড মরহুম হালিমা বিবি ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র উদ্যোগে বিশ্বনাথে ফ্রি খৎনা অনুষ্ঠান   দক্ষিণ সুরমার গ্যাস বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ ১, ৩টি গাড়ি ভস্মীভূত   সিলেটে ‘অলিম্পিক ডে- ২০১৭’ উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি অনুষ্ঠিত   কমলগঞ্জে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান   দেশে প্রতি মিনিটে ১৩৮৯ পিস ইয়াবা গ্রহণ করে তরুণ-তরুণীরা   অনেক আসামি পলাতক, কিছু করার নেই তদন্ত সংস্থার   গুলশান হামলার ‘অন্যতম পরিকল্পনাকারী’ রাশেদ গ্রেফতার   ‘সেরা বাঙালি’র পুরস্কার নিতে আজ কোলকাতা যাচ্ছেন মাশরাফি   ‘১৮ হাজার হাজির হজ অনিশ্চিত’ : ৯১ টি হজ্জ এজেন্সির সংবাদ সম্মেলন   রড ছাড়াই কলেজের ভবন নির্মাণের ঘটনায় তদন্ত শুরু   ‘নিরাপত্তার কারণে সম্মেলনের অনুমতি দেওয়া হয়নি ইউনূস সেন্টারকে’ : ‘অনিবার্য কারণবশত’ সামাজিক ব্যবসা সম্মেলন বাতিল   সভাপতি পার্থকে অব্যাহতি, শাবি ছাত্রলীগের নতুন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন রুহুল আমিন   শ্রীমঙ্গলে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

টাকার অভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চয়তায় সুনামগঞ্জের সাজিদা

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২২ ১৩:০১:৪১

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : রোববার, ২২ নভেম্বর ২০১৫ ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় তাঁর মেধাক্রম ১৩৮১। ভর্তির হওয়ার শেষ তারিখ ১ ডিসেম্বর। কিন্তু টাকার অভাবে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের সাজিদা আক্তারের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন।

দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া এই মেয়েটি এবার ভর্তি পরীক্ষার মেধাক্রম অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছেন। ভর্তির জন্য তাঁর প্রয়োজন ১১ হাজার টাকা। কিন্তু সাজিদার পরিবারের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব না।

গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় সাজিদাদের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, সহায়সম্বল বলতে ভিটেটুকুই আছে। একটি টিনের ছাপরাঘর সেটি। ঘরের বেড়া দেওয়া রয়েছে পাটকাঠি দিয়ে। দুটি চৌকি ঘরের ভেতরে। তার একটিতে বইপত্র সাজানো। ওই ঘরের এক কোণে বসে এত দিন পড়াশোনা করেছেন সাজিদা।

সাজিদার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ছয় ভাই-বোনের মধ্যে সাজিদা পঞ্চম। বাবা আবু তাহের পেশায় দিনমজুর। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি এখন আর কাজে যেতে পারেন না। মা রাজিয়া খাতুন গৃহিণী। বড় ভাই পাঁচ বছর আগে বিয়ে করে আলাদা সংসার করেছেন। মেজো ভাই মো. আজিজুলের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার আয়ে এখন টেনেটুনে চলছে ওদের সংসার। আর ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন জনতা মডেল উচ্চবিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ছে।

টাকা না থাকায় বিদ্যালয়ে পড়ার সময় বাড়ি থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে সদরে হেঁটে যাওয়া-আসা করতে হতো সাজিদাকে। টিফিনে খেত এক গ্লাস পানি। এভাবে পড়াশোনা করেই ২০১৩ সালে এসএসসিতে সদর উপজেলার জনতা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পায় সে। এরপর ভর্তি হয় ধরমপাশা ডিগ্রি কলেজে। সেখান থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পান সাজিদা।

সাজিদার বাবা আবু তাহের বলেন, ‘আমরা নিজেরাই তো ভালা কইর্যাচ খাইতামই হারি না। হেরে আর ঢাকা ভার্সিটিত ভর্তি করাইয়াম ক্যামনে? হুনছি অহন ভর্তি অইতেই ১১ হাজার টেহা লাগে। অত টেহা আমরা কই ফাইয়াম।’

সাজিদার স্বপ্ন একজন আদর্শ শিক্ষক হওয়ার। সাজিদা বলেন, ‘দুই চোখে অন্ধকার দেখছি। দরিদ্র মা-বাবার পক্ষে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সামর্থ্য তাঁদের নেই। কীভাবে যে কী হবে!’

ধরমপাশা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল করিম বলেন, সাজিদা অত্যন্ত মেধাবী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে সে ভালো করবে।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ডেস্ক/টিআই-আর

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত