সর্বশেষ

  গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য সরানোর কাজ চলছে   প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনের কাছে জগন্নাথপুরে স্কুলছাত্র শুকুর হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি   ‘যুদ্ধ বিধ্বস্ত পৃথিবীতে নজরুল সাম্যের কথা বলে গেছেন’   সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের নতুন সদস্যদের অভিষেক আজ   মাহে রমজান উপলক্ষে জগন্নাথপুরে প্রবাসীদের উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ   জগন্নাথপুরে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার   বিয়ানীবাজারে সড়ক সংস্কারের দাবিতে গ্রামবাসীর অবরোধ   শাহী ঈদগাহ থেকে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার   রামপুরে বাগান কর্তৃপক্ষের সাথে শ্রমিকদের বিরোধ নিষ্পত্তি করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান   দক্ষিণ সুনামগঞ্জে বিভিন্ন সংস্থার উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ ও ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প   জৈন্তাপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে সিলেটে হস্তান্তর না করতে প্রতিমন্ত্রীকে স্মারকলিপি   নবীগঞ্জের ২নং ইউনিয়নে শেখ হাসিনা’র শতভাগ বিদ্যুৎ উপহার দিলেন কেয়া চৌধুরী   আজ ওসমানীনগরের বুরুঙ্গা গণহত্যা দিবস   শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হবিগঞ্জের সর্বত্র ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে : এমপি আবু জাহির   সুনামগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব : আতঙ্কে অভিভাবকরা   অনিল কিষণ সিংহের ৮০তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন শুক্রবার   হবিগঞ্জে ক্ষুদে নৃত্য শিল্পীর সংবর্ধনা   সাংবাদিক মামুন চৌধুরী’র পিতা ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত   কৃষকদের ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন   সনামগঞ্জ জেলা কৃষক লীগের আহবায়ক কমিটি গঠন

টাকার অভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চয়তায় সুনামগঞ্জের সাজিদা

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২২ ১৩:০১:৪১

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : রোববার, ২২ নভেম্বর ২০১৫ ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় তাঁর মেধাক্রম ১৩৮১। ভর্তির হওয়ার শেষ তারিখ ১ ডিসেম্বর। কিন্তু টাকার অভাবে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের সাজিদা আক্তারের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন।

দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া এই মেয়েটি এবার ভর্তি পরীক্ষার মেধাক্রম অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছেন। ভর্তির জন্য তাঁর প্রয়োজন ১১ হাজার টাকা। কিন্তু সাজিদার পরিবারের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব না।

গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় সাজিদাদের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, সহায়সম্বল বলতে ভিটেটুকুই আছে। একটি টিনের ছাপরাঘর সেটি। ঘরের বেড়া দেওয়া রয়েছে পাটকাঠি দিয়ে। দুটি চৌকি ঘরের ভেতরে। তার একটিতে বইপত্র সাজানো। ওই ঘরের এক কোণে বসে এত দিন পড়াশোনা করেছেন সাজিদা।

সাজিদার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ছয় ভাই-বোনের মধ্যে সাজিদা পঞ্চম। বাবা আবু তাহের পেশায় দিনমজুর। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি এখন আর কাজে যেতে পারেন না। মা রাজিয়া খাতুন গৃহিণী। বড় ভাই পাঁচ বছর আগে বিয়ে করে আলাদা সংসার করেছেন। মেজো ভাই মো. আজিজুলের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার আয়ে এখন টেনেটুনে চলছে ওদের সংসার। আর ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন জনতা মডেল উচ্চবিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ছে।

টাকা না থাকায় বিদ্যালয়ে পড়ার সময় বাড়ি থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে সদরে হেঁটে যাওয়া-আসা করতে হতো সাজিদাকে। টিফিনে খেত এক গ্লাস পানি। এভাবে পড়াশোনা করেই ২০১৩ সালে এসএসসিতে সদর উপজেলার জনতা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পায় সে। এরপর ভর্তি হয় ধরমপাশা ডিগ্রি কলেজে। সেখান থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পান সাজিদা।

সাজিদার বাবা আবু তাহের বলেন, ‘আমরা নিজেরাই তো ভালা কইর্যাচ খাইতামই হারি না। হেরে আর ঢাকা ভার্সিটিত ভর্তি করাইয়াম ক্যামনে? হুনছি অহন ভর্তি অইতেই ১১ হাজার টেহা লাগে। অত টেহা আমরা কই ফাইয়াম।’

সাজিদার স্বপ্ন একজন আদর্শ শিক্ষক হওয়ার। সাজিদা বলেন, ‘দুই চোখে অন্ধকার দেখছি। দরিদ্র মা-বাবার পক্ষে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সামর্থ্য তাঁদের নেই। কীভাবে যে কী হবে!’

ধরমপাশা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল করিম বলেন, সাজিদা অত্যন্ত মেধাবী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে সে ভালো করবে।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ডেস্ক/টিআই-আর

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত