সর্বশেষ

  ঢাবির রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট নির্বাচন: আ.লীগপন্থী ২৪, বিএনপিপন্থীরা ১টিতে জয়ী   প্রধানমন্ত্রীর সিলেট আগমন উপলক্ষ্যে মহানগর শ্রমিকলীগের সভা   অর্থমন্ত্রীর জীবনী ডকুমেন্টারিতে সুযোগ পেল মুক্তাক্ষরের শিক্ষার্থীরা   জাগো সিলেট আন্দোলনের আলোচনা সভা   দক্ষিণ সুনামগঞ্জে দি হাঙ্গার প্রজেক্টেরে আলোচনা সভা   দক্ষিণ সুরমায় ২য় দিনের মত সিএইচসিপিদের কর্মবিরতি পালন   আম্বরখানার মণিপুরি পাড়া মাতালেন নকুল কুমার   চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠের যৌথ চ্যাম্পিয়ন সুনামগঞ্জের হাওর কন্যা ঐশি   নগরীর সোবহানীঘাটে আবাসিক হোটেল থেকে তরুণ-তরুণীর লাশ উদ্ধার   এতিমদের সাথে রোটারী মিডটাউনের মধ্যাহ্নভোজ   রোটারী ক্লাব অব বিয়ানীবাজারের শীতবস্ত্র বিতরণ   স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করলেন অর্থমন্ত্রী   জামালগঞ্জে কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মরতদের অবস্থান কর্মসূচি   বিয়ানীবাজারে অগ্নিকাণ্ডে আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি   ছুটির দিনে রান্নাঘরে প্রধানমন্ত্রী   রাজনগরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত   সিলেটে ‘আত্মা’র আঞ্চলিক সভা অনুষ্ঠিত   চলে গেল প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরষ্কার গ্রহণকারী বর্ণা : জকিগঞ্জে শোকের ছায়া   এলাকার উন্নয়নে স্থানীয়দের নির্বাচিত করুণ, মাগুড়ার কাউকে নয় : এহিয়া চৌধুরী   সালমান শাহ’র হত্যাকারীদের বিচারে দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন

‘বাবা চালাও, এখানে থামা্ও’

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-১২ ০১:৪০:৪৬

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৫ ॥ ‘বাবা চালাও, এখানে থামা্ও’ এভাবেই রিকশার ক্রসবারে বসে অন্ধ রিকশাচালক বাবা মনির হোসেনকে নির্দেশনা দিচ্ছে দ্বিতীয় শ্রেণীর স্কুলছাত্রী আফরোজা ফারিয়া। আর এভাবেই বাবা-মেয়ের যৌথ পরিশ্রমে তাদের সংসার চলে।দুই বছর বয়স থেকে মনির অন্ধ, এখন রিকশা চালানোই তার পেশা।আর ছোট মেয়েটিই তার অন্ধ বাবার চোখ হিসেবে ভুমিকা রাখছে।

মনির হোসেন বলেন, ‘ফারিয়ার নির্দেশনাতেই আমি রাস্তায় রিকশা চালাই।যেখানে যে রকম ব্রেক করার প্রয়োজন সেভাবেই ফারিয়া আমাকে নির্দেশনা দেয়।আর সেভাবেই আমি কাজ করি।’ ফারিয়া ফেনির সুন্দরপুরের স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। তবে রিকশা ভাড়া লেনদেনের ক্ষেত্রে সে খুবই সতর্ক। স্কুল ছুটির পর ফারিয়া রিকশার ক্রসবারে বসে এবং বাবাকে নির্দেশনা দেয়। আর ওখানে বসেই সে নতুন দিনের স্বপ্ন দেখছে। ৫ বছর বয়স থেকেই ফারিয়া এ কাজ করে।

মনির জানান, দিনে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা আয় করি, তা দিয়েই আমাদের সংসার চলে। কেননা, মাগরিবের নামাজের পর আর রিকশা চালাতে পারি না। ছোট ফারিয়ার আগে মনিরকে এভাবেই সহায়তা করতো তার ছেলে শরীফ।শরীফ এখন বড় হয়ে গেছে, তার বয়স প্রায় ১৮ বছর। তাই সে এখন সিএনসি অটোরিকশা চালক।

কিছুদিন আগে মনির একটি টিভি প্রোগামে অংশ নিয়ে এক লাখ টাকা পেয়েছিলেন।সেই টাকা থেকেই কিছু টাকা ছেলের ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের জন্য দেন।বাকী টাকার কিছু অংশ নিজের চোখের চিকিৎসায় খরচ করেন।তার এখনো বিশ্বাস তিনি হয়তো আবারো দেখতে পাবেন।যদিও এই মুহূর্তে চোখে দেখার চিন্তা মনিরের উচ্চভিলাস। মনির জানান, তার দ্বিতীয় সন্তান স্বর্ণা আক্তারের (১৬) বিয়ে হয়েছে। তাই রিকশা চালানো বন্ধ করার জন্য তার উপর চাপ অব্যাহত রেখেছে। ২৮ বছর ধরে সন্তানের নির্দেশনায় রিকশা চালাচ্ছেন মনির হোসেন।

দীর্ঘশ্বাস নিয়ে মনির বললেন ‘ আমি তো রিকশা চালানোর চাইতে অন্য কোনো কাজ ভাল করতে পারবো না। তাই এভাবেই কেটে যাবে আমার জীবন।’

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ডেস্ক/টিআই-আর

সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত