সর্বশেষ

  মৌলভীবাজারে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক ৩   সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার আর নেই: এমপি মানিকের শোক   ছাতকে আওয়ামী লীগ নেত্রীর মাতৃ বিয়োগ : এমপিসহ বিভিন্ন মহলের শোক   বিশ্বনাথের খেলাফত মজলিসের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন   বিশ্বনাথে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১   শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে আজ দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ :শফিক চৌধুরী   সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু   মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৩ ভাইয়ের মৃত্যু   সিলেটে ছাত্রলীগ কর্মী মিন্নতের কব্জিকর্তন মামলার প্রধান আসামী শাহীনসহ গ্রেফতার ২   ছাতকে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের   কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি-লিট ডিগ্রি পেলেন শেখ হাসিনা   ছাতকে পৃথক সংঘর্ষে আহত ৫০, গ্রেফতার ১   জকিগঞ্জে ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার   এতিমদের নিয়ে ক্যাডেট কলেজ ক্লাব সিলেটের ইফতার মাহফিল   শাবিতে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ওয়েবসাইট উদ্বোধন   শাবির স্বপ্নোত্থানের ঈদবস্ত্র বিতরণ   সেই কলকাতাকে হারিয়ে ফাইনালে সাকিবদের হায়দরাবাদ   ‘আদর্শ সমাজ গঠনে রমজানের শিক্ষাকে কাজে লাগাতে হবে’   সাচনা বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানপাঠ পরিদর্শনে রঞ্জিত সরকার   জামালগঞ্জে আগুনে পুড়ে ছাই ৯ দোকান: দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

অবশেষে স্থাপিত হলো দৃষ্টিহীন সুরঞ্জনের স্বপ্নের দোকান

প্রকাশিত : ২০১৫-০৯-০২ ২২:২১:০৫

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ : ॥ সুরঞ্জন সরকার (২৬)। সে দৃষ্টিহীনহলেও তার স্বপ্ন দোকান প্রতিষ্ঠা করা। এ দোকানের আয়ে সে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে। কিন্তু দোকান দেওয়ার মতো টাকা তার কাছে নেই। কি করবে ভেবে পাচ্ছিল না। খুব কষ্ট করে দুই হাজার টাকা জমা করে। কিন্ত এ টাকায় দোকান ঘর নির্মাণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তার স্বপ্ন যেন বাস্তবে রুপ নিচ্ছে না। তারপরও হাল ছাড়েনি। মনের শক্তি দিয়ে উপায় বের করতে মরিয়া সুরঞ্জন।

এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে একদিন সে সিদ্ধান্ত নেয় হবিগঞ্জ-সিলেট জেলার সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীর কাছে যাবে। এ সিদ্ধান্তে সে দেখা করে তার এ স্বপ্নের কথা খুলে বলে। তিনি তাকে আর্থিক অনুদান দিয়ে দোকান নির্মাণ করার কথা বলেন।বাস্তবেও তিনি তাকে ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেন। এ টাকায় সে দোকান নির্মাণ করে।
 
সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে আলাপকালে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার শংকরপুর গ্রামের বাসিন্দা রবি সরকারের ছেলে সুরঞ্জন সরকার এসব কথা এ প্রতিবেদকের কাছে প্রকাশ করে। 

বর্তমানে তার দোকান থেকে গ্রামবাসী মুদিমাল ক্রয় করে নিচ্ছে। পুরোদমে চলছে তার দোকান। আশ্চার্য্য সে চোখে না দেখলেও মনের শক্তি দিয়ে মুদিমাল পাল্লায় ওজন করে বিক্রি করছে। পণ্যমূল্য নেয়ার বেলা সে বিশ্বাস করে লোকজনকে। তার বিশ্বাসের মর্যাদা দিতে পণ্য ক্রয় করে লোকেরা হিসাব করে টাকা দিয়ে থাকেন।

দোকান দেয়ায় অবশেষে তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়েছে। নিজ বাড়ির সামনে স্থাপিত দোকানে বসে সে ব্যবসা করে যাচ্ছে।  এতে তার আনন্দের শেষ নেই। এ কথা লিখে শেষ করার নয়। তার আনন্দ উপভোগ করতে ঘটনাস্থলে আসতে হবে। তাতে অনুভব করা যাবে।

দোকানে ডাল ক্রয় করতে আসা সবুজ মিয়া বলেন- সুরঞ্জন সৎভাবে ব্যবসা করছে। তার কাছ থেকে সূলভমূল্যে পণ্য ক্রয় করে নিতে পারছি। আমরাও পণ্য ক্রয় করে নিয়ে তার প্রাপ্য মূল্য পরিশোধ করে দিচ্ছি।

আলাপকালে সুরঞ্জন জানায়, তার পরিবারে ভাই,বোন, মা, স্ত্রী, সন্তান রয়েছে। সে এক সময় ঘালমুড়ি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেছে। দৃষ্টিহীন হওয়ায় তার পক্ষে ঘুরেফিরে ঝালমুড়ি বিক্রি করা কঠিন ছিল। তাই সে স্বপ্ন দেখেছিল বসে ব্যবসা করার। আর বাস্তবেই তার স্বপ্ন পূরণ হলো।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/প্রতিনিধি/টিআই-আর

সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত