সর্বশেষ

  ক্যাপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ   কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সিলেটের ৮ জন   সিলেটে ঘুড়ি উৎসব ২৮ জানুয়ারি   দিরাইয়ে জলমহাল দখল প্রতিযোগিতায় প্রাণ গেল ৩ শ্রমিকের : ৩২ ঘণ্টায়ও হয়নি মামলা   গোলাপগঞ্জে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ফেন্সিডিলসহ আটক ১   দক্ষিণ সুরমা থেকে অপরাধ নির্মূল করা হবে : এসএমপি কমিশনার   বাহুবলে ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড   ‘প্রধানমন্ত্রী দিন বদলের যে ঘোষণা দিয়েছিলেন ৮ বছরে তার অনেকটাই পূরণ হয়েছে’   দক্ষিণ সুরমা থেকে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার   নেপালের রাজধানী কাঠমুণ্ডুতে বাংলাদেশী পণ্যের একক বাণিজ্য মেলা   চারুমেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত   জগন্নাথপুরে চাঁদাবাজির মামলায় সংবাদকর্মী লাল মিয়া গ্রেফতার   ‘ছাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে’   জগন্নাথপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান   জৈন্তাপুরের শ্রীপুর পাথর কোয়ারীর জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া   শাবিতে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ক্রীড়া সপ্তাহ শুরু   জকিগঞ্জে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকার মাদক জব্দ   শাবির অধ্যাপক পদে বাছাই বোর্ড সম্পন্ন করতে হাইকোর্টের রুল   চণ্ডিছড়া চা বাগানে শ্রমিকদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ   শহরতলির শাহ্ খুররম কলেজ গেটে আমেরিকা প্রবাসীর বাসায় দুঃসাহসিক চুরি

অবশেষে স্থাপিত হলো দৃষ্টিহীন সুরঞ্জনের স্বপ্নের দোকান

প্রকাশিত : ২০১৫-০৯-০২ ২২:২১:০৫

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ : ॥ সুরঞ্জন সরকার (২৬)। সে দৃষ্টিহীনহলেও তার স্বপ্ন দোকান প্রতিষ্ঠা করা। এ দোকানের আয়ে সে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে। কিন্তু দোকান দেওয়ার মতো টাকা তার কাছে নেই। কি করবে ভেবে পাচ্ছিল না। খুব কষ্ট করে দুই হাজার টাকা জমা করে। কিন্ত এ টাকায় দোকান ঘর নির্মাণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তার স্বপ্ন যেন বাস্তবে রুপ নিচ্ছে না। তারপরও হাল ছাড়েনি। মনের শক্তি দিয়ে উপায় বের করতে মরিয়া সুরঞ্জন।

এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে একদিন সে সিদ্ধান্ত নেয় হবিগঞ্জ-সিলেট জেলার সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীর কাছে যাবে। এ সিদ্ধান্তে সে দেখা করে তার এ স্বপ্নের কথা খুলে বলে। তিনি তাকে আর্থিক অনুদান দিয়ে দোকান নির্মাণ করার কথা বলেন।বাস্তবেও তিনি তাকে ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেন। এ টাকায় সে দোকান নির্মাণ করে।
 
সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে আলাপকালে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার শংকরপুর গ্রামের বাসিন্দা রবি সরকারের ছেলে সুরঞ্জন সরকার এসব কথা এ প্রতিবেদকের কাছে প্রকাশ করে। 

বর্তমানে তার দোকান থেকে গ্রামবাসী মুদিমাল ক্রয় করে নিচ্ছে। পুরোদমে চলছে তার দোকান। আশ্চার্য্য সে চোখে না দেখলেও মনের শক্তি দিয়ে মুদিমাল পাল্লায় ওজন করে বিক্রি করছে। পণ্যমূল্য নেয়ার বেলা সে বিশ্বাস করে লোকজনকে। তার বিশ্বাসের মর্যাদা দিতে পণ্য ক্রয় করে লোকেরা হিসাব করে টাকা দিয়ে থাকেন।

দোকান দেয়ায় অবশেষে তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়েছে। নিজ বাড়ির সামনে স্থাপিত দোকানে বসে সে ব্যবসা করে যাচ্ছে।  এতে তার আনন্দের শেষ নেই। এ কথা লিখে শেষ করার নয়। তার আনন্দ উপভোগ করতে ঘটনাস্থলে আসতে হবে। তাতে অনুভব করা যাবে।

দোকানে ডাল ক্রয় করতে আসা সবুজ মিয়া বলেন- সুরঞ্জন সৎভাবে ব্যবসা করছে। তার কাছ থেকে সূলভমূল্যে পণ্য ক্রয় করে নিতে পারছি। আমরাও পণ্য ক্রয় করে নিয়ে তার প্রাপ্য মূল্য পরিশোধ করে দিচ্ছি।

আলাপকালে সুরঞ্জন জানায়, তার পরিবারে ভাই,বোন, মা, স্ত্রী, সন্তান রয়েছে। সে এক সময় ঘালমুড়ি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেছে। দৃষ্টিহীন হওয়ায় তার পক্ষে ঘুরেফিরে ঝালমুড়ি বিক্রি করা কঠিন ছিল। তাই সে স্বপ্ন দেখেছিল বসে ব্যবসা করার। আর বাস্তবেই তার স্বপ্ন পূরণ হলো।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/প্রতিনিধি/টিআই-আর

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত