সর্বশেষ

  বিশ্বনাথে সিএনজি ও রিক্সা শ্রমিকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় আহত ২০   প্রত্যাশার চেয়েও বেশি এগিয়েছে সদর উপজেলা স্পোর্টস একাডেমি: আশফাক আহমদ   মীরেরগাঁওয়ে বজ্রপাতে নিহত ৩ কিশোরের জানাজা সম্পন্ন : অনুদান প্রদান   মৌলভীবাজারে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক ৩   সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার আর নেই: এমপি মানিকের শোক   ছাতকে আওয়ামী লীগ নেত্রীর মাতৃ বিয়োগ : এমপিসহ বিভিন্ন মহলের শোক   বিশ্বনাথের খেলাফত মজলিসের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন   বিশ্বনাথে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১   শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে আজ দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ :শফিক চৌধুরী   সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু   মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৩ ভাইয়ের মৃত্যু   সিলেটে ছাত্রলীগ কর্মী মিন্নতের কব্জিকর্তন মামলার প্রধান আসামী শাহীনসহ গ্রেফতার ২   ছাতকে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের   কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি-লিট ডিগ্রি পেলেন শেখ হাসিনা   ছাতকে পৃথক সংঘর্ষে আহত ৫০, গ্রেফতার ১   জকিগঞ্জে ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার   এতিমদের নিয়ে ক্যাডেট কলেজ ক্লাব সিলেটের ইফতার মাহফিল   শাবিতে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ওয়েবসাইট উদ্বোধন   শাবির স্বপ্নোত্থানের ঈদবস্ত্র বিতরণ   সেই কলকাতাকে হারিয়ে ফাইনালে সাকিবদের হায়দরাবাদ

কোয়েল পাখির খামার করে সাবলম্বী গোয়াইনঘাটের আকলিমা

প্রকাশিত : ২০১৭-০৭-১৭ ০১:০১:২০

এম.এ মতিন, গোয়াইনঘাট : সোমবার, ১৭ জুলাই ২০১৭ ॥ আকলিমা বেগম গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দিরগাঁও ইউনিয়নের আংগারজুর গ্রামের হাফিজ মো. হেলাল উদ্দিনের সহধর্মীনি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ৩ সন্তানের জননী। হাফিজ হেলাল উদ্দিন বিশ্বনাথ উপজেলার ইলামেরগাঁও পূর্ব জামে মসজিদে দীর্ঘ ১৩ বছর থেকে ইমামতি করে আসছেন।

ইমামতি করে সংসার পরিচালনা করা তার পক্ষে কষ্টসাধ্য ছিল। এমনি সময় তাহার পাশে দাঁড়ান তাহার সহধর্মীনি আকলিমা বেগম। আকলিমা বেগম সংসার খরচে তার স্বামীকে সহযোগিতার জন্য একটি কোয়েল পাখির খামার করার উদ্যোগ নেন।

২০১৫ সালের শেষের দিকে বাজার থেকে ২০০ টাকায় কোয়েল পাখির ১শ’ ডিম ক্রয় করেন। প্রথমে ওই ডিমগুলোকে দেশি মুরগি দিয়ে ফুটানোর চেষ্টা করেন। এতে ১৮ দিন পর ১শ’ ডিম থেকে বাচ্চা পান ৪০টি। ওই ৪০টি বাচ্চাকে যথাযথভাবে পালন করে ডিম পাড়ার উপযোগী করে তুলেন। পাখিগুলি ডিম পাড়া শুরু করলে প্রতিদিন তিনি ডিম পান ৪০টি। ডিম থেকে বাচ্ছা ফুটানোর লক্ষ্যে তিনি ঘরের অব্যবহৃত মিস্রিফের ভিতর ২টি হারিকেন, একটি ডিজিটাল থার্মোমিটার ব্যবহার করেন। ধিরে ধিরে তার ডিম পাড়ার উপযোগী হয়ে ১২০টি কোয়েল। তিনি প্রতি সপ্তাহের ডিম একত্রিত করে ওই মিস্রিফে বাচ্চা ফুটানোর জন্য রাখেন। তিনি কোয়েলের বাচ্চা ফুটানোর পর ১০ দিন আলোর মধ্যে রাখেন। পরবর্তীতে কোয়েলগুলি প্রকৃতির নিয়মেই বেড়ে উঠতে পারে।

তিনি কোয়েলের খাবার হিসেবে ফার্মের মোরগের খাবারই ব্যবহার করে থাকেন। ১৭-১৮ দিন পর ৩০০-৩৫০টি বাচ্চা তিনি উৎপাদন করতে পারেন। বর্তমানে এভাবে প্রতি মাসে তার খামার থেকে সহস্রাধিক কোয়েল বিক্রি করতে পারেন।

এ ব্যাপারে কোয়েল খামারের মালিক আকলিমা বেগম বলেন- সংসারে আর্থিক সহযোগিতা করার লক্ষ্যে বসতঘরের একটি রুমে আমি কোয়েলের খামার পরিচালনা করছি। সংসারের পাশাপাশি এ খামারের জন্য কিছু সময় আমি ব্যয় করে থাকি। সরকারি-বেসরকারি কোন প্রশিক্ষণ না-নিয়ে এ খামারটি শুরু করায় প্রথমে হিমশিম খাই।

কিন্তু আমার স্বামী হাফিজ হেলাল উদ্দিনের সহযোগিতায় আমি সফলতার মুখ দেখতে পেরেছি। ২০০ টাকার পুঁজি নিয়ে শুরু করা আমার খামারে বর্তমানে লক্ষাধিক টাকার মূলধন রয়েছে। গড়ে প্রতি মাসে আমার ফার্ম থেকে ১০ হাজার টাকা আয় করে থাকি।

এছাড়া আমার সংসার খরচসহ পাকা ঘর নির্মাণে আমার স্বামীকে বড় ধরনের সহযোগিতা করতে পেরেছি।
তিনি বলেন- ইচ্ছা থাকলে ও পরিশ্রম করলে কোয়েল খামার করে প্রতিটি পরিবার সাবলম্বী হওয়া সম্ভব।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/এমএএম/টিআই-আর

সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত