সর্বশেষ

  শ্রমিক সংগঠনে বিভক্তি: এবার শ্রমিকলীগ নেতা এজাজকে বহিষ্কারের দাবি   চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন ড. মোমেন   ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাচন: ভোটারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি কী রাখতে পারবেন প্রার্থীরা?   আমেরিকা আমাদের ট্যাক্সেও চলে : শেখ হাসিনা   ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ বিভাগের যাত্রা শুরু   স্কুলছাত্রীকে ‘দলবেঁধে ধর্ষণ’ : আটক ১   সিলেট-জকিগঞ্জ সড়ক সংস্কারের দাবিতে নিসচা’র মানববন্ধন   ধর্মপাশায় তলিয়ে গেছে ২৫০ একর জমির ফসল   হজরত রকীব শাহ (রহ.)-এর ৫১তম বার্ষিক ওরস শরিফ ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু   তাহিরপুরে ব্র্যাকের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত   খুব সস্তা ছিল তাই গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে : সিলেটে অর্থমন্ত্রী   ওসমানীনগরে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূকে ছুরিকাঘাত   কক্সবাজারে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫   বাঁধ নির্মাণ হয়নি : হুমকির মুখে সমসার হাওর   ক্রিকইনফোর বর্ষসেরা মিরাজ   বায়োস্কোপের নেশায় আমায় ছাড়ে না...   যুক্তরাজ্যে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের আন্দোলনে নব্বই শতাংশ লোকই ছিলেন সিলেটের   সিলেট ফিরে বদরুলের শাস্তি চাইলেন খাদিজা   সিলেটের উন্নয়নে সহায়তা দেবে ভারত   শাহ আবদুল করিম লোক উৎসব ৩ মার্চ

দেশটাকে সামনে রেখে সকলে মিলে কাজ করতে হবে : ড. এ কে আব্দুল মোমেন

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-২০ ১২:৫৭:২৭

লন্ডন প্রতিনিধি : শুক্রবার, ২০ নভেম্বর ২০১৫ ॥ এক অসাধারণ সফল কুটনীতিকের নাম ড. এ কে আব্দুল মোমেন। সদ্য বিদায়ী জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি যিনি তার দায়িত্ব পালনে অনেকগুলো যুগান্তকারী পদক্ষেপের কারণে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। বরেণ্য শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ আজীবন শিক্ষকতা পেশায় আকড়ে থাকা ড. মোমেনকে কুটনৈতিক আঙ্গিনায় নিয়ে আসেন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা। তিনি সেই দায়িত্ব পালনে কতটা সফল তার সাক্ষী জাতিসংঘ সদর দপ্তর, আর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশের কয়েক লক্ষ মানুষ।

২০১৩ সালের নভেম্বরে ড. মোমেনের সহপাঠী ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমারসের সাবেক প্রেসিডন্ট অধ্যাপক শাহাগীর বক্ত ফারুকের নেতৃত্বে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের  ডেলিগেশনে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে গিয়ে ড. মোমেনের কেরেসমেটিক ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের সাথে পরিচিত হন। তিনি তাঁর সময়ে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ মিশনের জন্য স্থায়ী ভবন এবং রাষ্ট্রদূতের বাস ভবন কিনে নেন। এমডিজি এবং পিস কিপিংয়ে বাংলাদেশের জন্য তাঁর অর্জন ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়। আর তার যে কাজটির প্রশংসা না করলেই নয় তা হলো জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে যাঁরা প্রবাসী তাঁদের মৃত্যুতে মিশনগুলোর উদ্যোগে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও রাষ্টীয় মর্যাদায় দাফনের বিষয়টি তিনিই সূচনা করেছেন আমেরিকা থেকে।

৬ বছর সফল দায়িত্ব পালন শেষে তিনি সেখান থেকে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর আহবানে দেশে ফিরেছেন গতকাল। যাত্রাবিরতিতে তিনি নিজের স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও প্রবাসীদের সাথে মিলিত হতে লন্ডনে অবস্থান করেছিলেন সপরিবারে।

তাঁর সম্মানে পূর্ব লন্ডনের হোয়াইট হাউসে নাগরিক সংবর্ধনা। সেখানে কয়েকশ’ প্রবাসীর উপস্থিতি ছিল  লক্ষনীয়।

ব্রিটেনের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সংগঠন ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ গত ১৭ নভেম্বর মঙ্গলবার হাউজ অব লর্ডসে তাঁর সম্মানে এক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। ব্যারনেস পলা উদ্দিনের পরিচালায় চেম্বারের প্রসিডেন্ট মাতাব চৌধুরী সভাপতিত্বে ড. মোমেনের কর্মময় জীবনের উপর আলোকপাত করে বক্তব্য রাখেন- চেম্বারের ডাইরেক্টর বশির আহমদ, ডাইরেক্টর মাহতাব মিয়া, ডাইরেক্টর এন্ড  এক্স প্রসিডেন্ট শাহাগীর বক্ত ফারুক, ফাইন্যান্স ডাইরেক্টর সাইদুর রহমান রেনু, ডাইরেক্টর সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম, অথিতিদের মধ্যে ড. আলালউদ্দিন আহমদ, ড. মোমেনের সহধর্মিনী সেলিনা মোমেন, বাংলাদেশী ব্যবসায়ী সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন ও মিসেস হাফছা ইসলাম।

বক্তারা ড. মোমেনকে একটি বড় রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব দিয়ে বাংলাদেশের জন্য আরো বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ দানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহবান জানান।
ড. মোমেন তাঁর সম্মানে হাউজ অব লর্ডসে এই আয়োজনের জন্য চেম্বারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন- “আমরা যে রাজনীতিই করিনা কেন, দেশটাকে সামনে রেখে সকলে মিলে কাজ করতে হবে।”  

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/এমসি/এসবি

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত