সর্বশেষ

  ছাতকের চেলা নদী নৌকা বাইচ অনুষ্টিত   মিয়ানমারের রাখাইনে হিন্দু গণকবর : ২৮ মরদেহ উদ্ধারের দাবি সেনাবাহিনীর!   'শিক্ষার ভীত মজবুত করতে সরকার প্রাথমিক শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে'   শাবিপ্রবিতে কারিকুলাম উন্নয়ন বিষয়ে সেমিনার   বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অনাথ কিশোরী ধর্ষণ : ২০ হাজারে মিটমাটের চেষ্টা   রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকারের দাবীতে ছাত্র মজলিস সিলেট মহানগরীর বিক্ষোভ   'শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যৌথ প্রচেষ্ঠায় মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা দরকার'   রিয়ালকে জয়ে ফেরালেন নবীন সেবায়োস   কমেছে চালের দাম, কমবে আরও   লন্ডনে আবারো এসিড হামলা, আহত ৬   তথ্য-প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে : ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল   মহিউদ্দিন শীরু’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী ২৫ সেপ্টেম্বর   ধর্ম যার যার, উৎসব সবার : কামরান   ওসমানীনগরে নিয়মিত বসে জুয়ার আসর, প্রশাসন নিরব   জগন্নাথপুরে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু   ফেঞ্চুগঞ্জে সড়ক মেরামতের দাবিতে আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা   মৌলভীবাজারে ‘শিক্ষা দিবস’ পালিত   হত্যা মামলার আসামী টিটু ও সুলেমান এখনও অধরা   ফেঞ্চুগঞ্জে পরিবহণ শ্রমিক নেতাদের সাথে প্রশাসনের সভা   রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবাদে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

অ্যালপাসো কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আরো ১২ বাংলাদেশী

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-১৮ ২২:০৮:৩৯

নিউইয়র্ক থেকে এনা : বুধবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৫ ॥ টেক্সাসের অ্যালপাসোর ডিটেনশন সেন্টার থেকে আরো ৯ জন বাংলাদেশী মুক্তি পেয়েছেন। গত সপ্তাহে তাদের মুক্তি দেয়া হয়। গত ১৭ নভেম্বর ১ জন এবং ১৮ নভেম্বর আরো ২ জন বাংলাদেশীকে মুক্তি দেয়া হয়। তাদের প্রয়োজনী কাজপত্রের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। টেক্সাসের অ্যালপাসো কারাগারে ৪৮ জন বাংলাদেশী মুক্তির জন্য অনশনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ওয়াশিংটন বাংলাদেশ দূতাবাসের এক শীর্ষ কর্মকর্তা তাদের অনশন ভঙ্গ করান। শর্ত থাকে তাদের পর্যায়ক্রমে প্যারোলে মুক্তি দেয়া হবে।

ড্রামের কর্মকর্তরা কাজী ফৌজিয়া এনাকে জানান- অনশন শেষে প্রথমেই অক্টোবর মাসে ১৬ জন বাংলাদেশীকে মুক্তি দেয়া হয়। এরপর বেশ কিছুদিন কাউকে মুক্তি দেয়া হয়নি। নভেম্বর মাসে দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রথমে ৯ জনকে মুক্তি দেয়া হয়, ১৭ নভেম্বর মুক্তি দেয়া ১ জনকে এবং ১৮ নভেম্বর মুক্তি দেয়া হবে আরো ২ জনকে। সবমিলিয়ে ৪২ জন বাংলাদেশীর মধ্যে ২৮ জন বাংলাদেশীকে মুক্তি দেয়া হলো। এই মুক্তি প্রক্রিয়ায় কাজ করছে ড্রামসহ আরো কয়েকটি মূলধারার মানবাধিকার সংগঠন।

কাজী ফৌজিয়া আরো জানান- যারা মুক্তি পেয়েছেন তাদের প্রায় সকলেই নিউইয়র্ক এসে পৌঁছেছেন। গত সপ্তাহে যারা মুক্তি পেয়েছেন তাদের মধ্যে ৯ জন ইতিমধ্যেই নিউইয়র্ক এসেছেন। এদের টিকেটের টিকেট দিচ্ছেন মুক্তিপ্রাপ্তদের আত্মীয়-স্বজনরা। আর যাদের আত্মীয়-স্বজন পাওয়া যাচ্ছে না তাদের টিকেটের ব্যবস্থা করছেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার ও কাজী ফৌজিয়া। তারা নিজেরা সহযোগিতা করছেন এবং মানুষে কাছ থেকে অর্থ নিচ্ছেন।

মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশীরা হচ্ছেন- দেলোয়ার হোসেন, এমডি আজগর আলী, কামরান আহমেদ, আব্দুল মান্নান, নূরুল আলম, সাব্বির আহমেদ, মোহাম্মদ নাজিম আহমেদ, ধনু মিয়া, আঙ্গসু দেব।

এছাড়াও মাসুদ রহমানকে ক্যালিফোর্নিয়া, আলআমিন হোসাইন, আমিনুল ইসলাম ও আবুল কাশেমকে মায়ামি ডিটেনশন সেন্টারে স্থানান্তির করা হয়েছে।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/এ/টিআই-আর

সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত