সর্বশেষ

  লতিপুর জামে মসজিদে দারুল কিরাতের সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন   পবিত্র ঈদুল ফিতরে শফিক চৌধুরীর শুভেচ্ছা   সৌদি আরবে ঈদ রোববার   ছাতকে ৪ গরু চোরকে গণধোলাই দিয়েছে স্থানীয় জনতা   ফেঞ্চুগঞ্জে হাবিবুর রহমান হাবিবের উদ্যোগে ঈদসামগ্রী বিতরণ   প্রবাসীদের অর্থায়নে ওসমানীনগরে ঈদবস্ত্র বিতরণ   মাটিধস : দুর্ঘটনা এড়াতে মাধবকুণ্ডে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা   ঈদানন্দ বঞ্চিত সদর উপজেলার ৭শ’ শিক্ষক পরিবার   যুক্তরাজ্যে কাভার্ড ভ্যান হামলায় নিহত মোকাররমের বাড়িতে লুনা   রোড রোলার ও স্কিট লোডার বরাদ্দ পেয়েছে বিয়ানীবাজার পৌরসভা   ঈদ উপলক্ষে কান্দিগাঁও ইউনিয়নে ভিজিএফের গম বিতরণ   ঈদকে সামনে রেখে এসএমপির বিশেষ নির্দেশনা   ‘প্রত্যয়’র প্রত্যয়ী মনোভাবে হাসি ফুটলো আড়াইশ’ অসহায় ও পথশিশুর মুখে   সৌদি আরবের গ্রান্ড মসজিদে আত্মঘাতি বোমা হামলা: নিহত ১, নারীসহ আটক ৫   বাহুবলে এতিমখানার শিশুদের হাতে ঈদের কাপড় তুলে দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা   বিয়ানীবাজারে গৃহকর্মী হত্যার অভিযোগে লাউতা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য গ্রেফতার   পাকিস্তানে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫৪   ঈদে বাড়ি ফেরা: রংপুরে ট্রাক উল্টে নিহত ১৬   সাবেক অধ্যক্ষ মোদাব্বীর আলী আর নেই   চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ভূমিধসে নিখোঁজ ১৪০

‘নিরাপদেই’ আছেন প্যারিসে বাংলাদেশিরা

প্রকাশিত : ২০১৫-১১-১৪ ২৩:২৪:৩৭

উত্তরপূর্ব ডেস্ক : শনিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ॥ প্যারিস শহরের কয়েকটি স্থানে বোমা হামলা ও বন্দুকধারীদের গুলিতে প্রায় দেড় শতাধিক নিহত হয়েছেন, আহতের সংখ্যা আরো বেশি। তবে এখনো কোনো বাংলাদেশির হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

প্যারিসে বসবাসরত আব্দুল আজিজ নামে এক প্রবাসী ফেসবুকে বাংলামেইলকে জানান, এখানে বেশিরভাগ বাংলাদেশি রেস্টুরেন্টে কাজ করেন। তাদের গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হয়। বোমা হামলার ঘটনায় সবাই আতঙ্কিত হলেও নিরাপদেই আছেন। তবে হামলার কারণে অনেকেই বাসায় ফিরতে পারেননি। কর্মস্থলেই রয়ে গেছেন।

এ হামলার পর ফ্রান্সে বসবাসরত মুসলিমদের হয়রানি করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করেন আব্দুল আজিজ। তিনি জানান, হামলাটি মুসলিম জঙ্গিরাই ঘটিয়েছে বলে সবার ধারণা। তাই এরপর মুসলিমদের চলাফেরায় বেশ কঠিন হবে। নিরাপত্তা জোরদারের কারণে জিজ্ঞাসাবাদ, তল্লাশি করাও হতে পারে।

শুক্রবার রাতে প্যারিসের রেস্টুরেন্ট, বার এবং  কনসার্টসহ কমপক্ষে ছয়টি স্থানে বন্দুক ও বোমা হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বাটাক্লঁ কনসার্ট হলেই কমপক্ষে ১১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ওই কনসার্টে হামলার আগে শতাধিক মানুষকে জিম্মি করেছিল বন্দুকধারীরা। পরে পুলিশি অভিযানে জিম্মি নাটকের অবসান ঘটে। এসময় চার হামলাকারীও নিহত হয়।

অন্য হামলাগুলো হয়েছে স্তাদে দে ফ্রান্স এবং কয়েকটি বার ও রেস্তোরাঁয়। এর মধ্যে স্টেডিয়ামের কাছের ঘটনাটি আত্মঘাতি বোমা হামলা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে এ হামলার জন্য ইসলামি সন্ত্রাসীদের সন্দেহ করা হচ্ছে। ফরাসি রেডিওতে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, বাটাক্লঁ কনসার্টে বন্দুকধারীরা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে  হামলা চালিয়েছিল। ওই হামলায় একে রাইফেল ব্যবহার করা হয়েছিল যা সাধারণত জঙ্গিরাই ব্যবহার করে থাকে।

হামলার পর গোটা দেশ জুড়ে সতর্ক অবস্থা জারি করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে হাজার হাজার সেনা পুলিশ। প্যারিসের বাসিন্দাদের ঘরে থাকারও অনুরোধ জানান হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামসহ বিশ্বের বিভিন্ন নেতারা এ হামলার ব্যাপক নিন্দা করেছেন।

উত্তরপূর্ব২৪ডটকম/ডেস্ক/টিআই-আর

এ বিভাগের আরো খবর


সর্বশেষ খবর


সর্বাধিক পঠিত